Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড়

চট্টগ্রামে বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড়
ফয়স লেকে মানুষের ভিড়, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটির তৃতীয় দিনেও চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি কেন্দ্রগুলোতে নানা বয়সী মানুষের সমাগমে মুখর হয়ে ওঠে।

শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরের পর থেকেই দর্শনার্থীরা বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছুটেন পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে। বিশেষ করে শিশুদের বিনোদনের জন্য আগ্রাবাদের কর্ণফুলী শিশু পার্ক ও কাজীর দেউড়ী শিশু পার্ক রঙ করে নতুন করে সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে অনেক আগেই।

এছাড়াও নগরীর কাজীর দেউড়ি শিশু পার্ক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, ফয়স লেক ও সী-ওয়ার্ল্ড, বহদ্দারহাটের স্বাধীনতা পার্ক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, আগ্রাবাদের কর্ণফুলী শিশু পার্ক, বিমানবন্দর রোডের বাটারফ্লাই পার্ক, পারকি সমুদ্র সৈকত, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি দেখা যায়।

স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদের ছুটিতে ভিড় বেশি। আর তাই দর্শনার্থীদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত খণ্ডকালীন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/07/1559913564453.jpg
বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড়, ছবি: বার্তা২৪

 

নগরীর কাজীর দেউড়ি শিশু পার্কের বেশিরভাগ রাইড শিশুদের জন্য রাখা হলেও, এই ভিড়ে পিছিয়ে নেই বড়রাও। ফলে এ সুযোগে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে চলছে লাভজনক ব্যবসা। এখানে শিশুরা টয় ট্রেন, ম্যাজিক নৌকা, আনন্দ ঘূর্ণি, ঝুলানো চেয়ার, ফুলদানি আমেজ, উড়ন্ত নভোযান রাইডগুলোতে চড়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

চার বছরের ছেলেকে নিয়ে শিশু পার্কে এসেছেন বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক মোনতাসির দেওয়ান। তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, সারাবছর চাকরি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়। পরিবারকে সময় দেওয়া হয়ে উঠে না। মেয়ের আবদার রাখতেই এখানে আসা।

বিনোদন প্রিয়দের কাছে পরিচিত ফয়স লেকে বাড়তি চাপ সামলাতে চিড়িয়াখানার গেইট দর্শনার্থীদের জন্য নয়টায় খোলা রাখছে কর্তৃপক্ষ। বিনোদন স্পটের এক কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বার্তা২৪.কমকে জানান, ঈদের দিন বিকেল থেকে দর্শনার্থীদের চাপ বেশি। অনেকে ভিড় করছেন এখানকার ওয়াটার পার্কেও।

অপরদিকে, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতেও দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। সমুদ্রপারের দোকানগুলোতে ঈদ উপলক্ষে রয়েছে বিশেষ আয়োজন। ক্রেতাদের মন জয় করে শামুক ও ঝিনুকের তৈরি মালা ও শোপিসের পসরা নিয়ে দোকানিরা করছেন লাভজনক ব্যবসা। আগে গড়ে দুই থেকে তিনশো টাকার শোপিস বিক্রি হলেও এখন প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে হাজার টাকার শোপিস। পতেঙ্গা সৈকতের অদূরে নেভাল একাডেমীর আশপাশেও বসেছে মানুষের মিলনমেলা।

গাড়ি নিয়ে দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন বিভিন্ন বয়সী নারী ও পুরুষ। একই এলাকায় বাটারফ্লাই পার্কেও চলছে ঈদ-উৎসব। সেখানেও দেখা গেছে, শিশুদের নিয়ে তাদের বাবা-মা ভিড় করেছেন। নানা রঙের, নানা প্রজাতির অসংখ্য প্রজাপতির ভিড়ে পার্কজুড়েই ছোটাছুটি করছে শিশুরা। পিছিয়ে নেই বড়রাও।

বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সুযোগ সুবিধার পাশাপাশি প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলেন অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও
গাছ পরিদর্শনে ফারহানা করিম, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তা২৪.কম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার জেলখানা মোড় এলাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারকে উক্ত এলাকার সরকারি গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা করিম।

সোমবার (২৪ জুন) বার্তা২৪.কমে ‘সরকারি গাছ কাটছে এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশন’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় গাছ কাটার ঘটনা তদন্ত করতে যান। খবর পেয়ে  গাছ কাটার শ্রমিকরা ও করাতকলের মালিক ইজ্জত আলী পালিয়ে যান।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকারি গাছ কাটার অনুমতিপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার বাপ্পীদের ছোট ভাই কোনো ধরনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা করিম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অনুমতি না থাকায় গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ 

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার
বাগান ঘুরে আম দেখছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

একদিনের সফরে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজশাহীতে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর। সকালে পূর্বনির্ধারিত কাজ শেষে বিকেলে বের হয়েছিলেন রাজশাহীর আম বাগান পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য বাগানে বসে গাছপাকা আম খাওয়া।

বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর জিন্নাহনগরের একটি আম বাগানে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন গাছের আমের স্বাদ নেন তিনি। রাজশাহী অ্যাগো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হকের বাগানের ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজভোগ আম খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান কানবার হোসেন বর।

বাগান ঘুরে গাছ থেকে নিজে আম পেড়ে সঙ্গে নিয়েও গেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের দায়িত্বে থাকা কানবার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561484344215.jpg

যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘অসাধারণ আম! গাছ পাকা এমন স্বাদের আম আমি আগে কখনও খাই নি। বাংলাদেশে যতদিন আছি, আমের মৌসুমে বারবার এখানে আসতে মন চাইবে নিশ্চয়। চেষ্টা থাকবে প্রতিবছর রাজশাহীতে এসে তৃপ্তি সহকারে আম খাওয়ার।’

অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাসাইটির চেয়্যারম্যান আনোয়ারুল হক জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর মঙ্গলবার বিকেলে আমার বাগানে আম দেখতে এবং খেতে এসেছিলেন।

তিনি গাছ থেকে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজাভোগ আম পেড়ে খেয়েছেন। রাজশাহীর আমের প্রেমে পড়ে গেছেন বলে আবার আসার কথা জানিয়ে গেছেন হাইকমিশনার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র