Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মহাসড়কের সঙ্গে বেমানান চান্দাইকোনা!

মহাসড়কের সঙ্গে বেমানান চান্দাইকোনা!
বেহাল দশা ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা অংশের/ছবি: বার্তা২৪.কম
মনি আচার্য্য
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

চান্দাইকোনা (সিরাজগঞ্জ) থেকে: ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের প্রশস্ত সাধারণত ৪০ ফুট। দুয়েকটি জায়গায় রাস্তা প্রশস্ত ৪০ ফুট না হলেও তা ৩৫ ফুট পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা অংশ একেবারেই বেমানান। দখল ছাড়াই রাস্তাটির প্রশস্ত মাত্র ২০ ফুট।

আর বিভিন্ন যানবাহনের অবৈধ স্ট্যান্ড ও বাজারের কারণে যানচলাচলের জন্য বাকি থাকে মাত্র ১৫ ফুট রাস্তা। যা দিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আগত দূরপাল্লার বড় বাস ও ট্রাক চলাচলের গতি স্থবির হয়ে যায়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে চান্দাইকোনা বাজারের এই হাফ কিলোমিটার রাস্তার এ বেহাল দশা। ফলে ঈদ যাত্রা ছাড়াই অনেক সময় সৃষ্টি হয় যানজটের। আর ঈদের যাত্রার মৌসুম হলেও তো কথাই নেই সৃষ্টি ঘণ্টা ব্যাপী যানজটের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559379274598.jpg

শনিবার (১ জুন) ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে চান্দাইকোনা বাজারের রাস্তার এ চিত্র স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ও সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়।

দেখা গেছে, চান্দাইকোনা বাজারে শুরুতেই একটি ব্রিজ রয়েছে যার প্রশস্ত মাত্র ২৪ ফুট। ব্রিজ থেকে সামনের দিকে এগোলে রাস্তা আরও ৪ ফুট সংকোচিত হয়ে ২০ ফুটে নেমে আসে। যা ভারী ও দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য। এছাড়া এই রাস্তা দখল করেই গড়ে উঠেছে অবৈধ্য বাজার ও সিএনজি এবং ব্যাটারি চালিত রিকশার স্ট্যান্ড।

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559380611689.jpg

এই রাস্তাটি দিয়ে এখনো ঈদ যাত্রার গাড়ি পুরোপুরিভাবে আসা শুরুনি। মাত্র অল্প কিছু দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। কিন্তু এতে লেগে যাচ্ছে ১০-১৫ মিনিটের যানজট।

এ বিষয়ে রাস্তাটিতে চলাচলকারী নাদের পরিবহনের একটি বাসের চালক মো.রানা বলেন, রাস্তাটি সংকুচিত হওয়ায় এখান যানজট শুরু হয় যা ঠেকে শেরপুর গিয়ে। ঈদ যাত্রাকে সামনে রেখে কয়েকটি ইট বসানো হয়েছে মাত্র রাস্তাটিতে। এই রাস্তায় ঈদ যাত্রায় অনেক ভোগান্তি হবে। যা সীমা ছাড়িয়ে যাবে। ৪-৫ ঘণ্টা যানজটে বসে থাকতে হতে পারে গাড়ি চাপ যখন বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.ফরজ আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, প্রতি ঈদের যাত্রা ও ফিরতি যাত্রার সময় ব্যাপক জ্যাম হয় চান্দাইকোনাতে। এক হচ্ছে রাস্তাটি ছোট অন্যদিকে সব দিকে খালি দখল আর দখল। এছাড়া জায়গায় রাস্তা ভাঙা থাকায় গাড়ি অনেক ধীরগতিতে চলে। এবারও ঈদ যাত্রার গাড়ির চাপ বাড়ার সঙ্গে ৩-৪ ঘণ্টা ব্যাপী জটলা এই চান্দাইকোনাতে সৃষ্টি হবে। 

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া
শুক্রবার কারওয়ান বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা কেজি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার প্রভাবে রাজধানী ঢাকার কাঁচা বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আর অতিরিক্ত হারে বেড়েছে কাঁচা মারিচের দাম। কাঁচা মরিচ কিনতে এসে চরম বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।

ক্রেতারা বলছেন, কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যার কারণে ঢাকায় কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531518103.gif

মহানগর প্রজেক্টের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের দাম প্রতিদিনই বেড়ে চলছে। এক দুই দিনের ব্যবধানে মরিচের দাম বেড়ে গেল।’

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের তরকারি বিক্রেতা সোলায়মান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে দাম বেশি হবে স্বাভাবিক।’

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পাস্তুরিত ও খোলা দুধ এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন কার্যকর করতে হবে। তাহলেই খাদ্যে ভেজাল দেওয়া বন্ধ হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এমন মত দেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ‘খাদ্যে ভেজাল, নকল ওষুধ প্রস্তুত ও আমাদের দায়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে চ্যারিটি মানবকল্যাণ সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, 'সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে প্রফেসর আ ব ম ফারুক, তিনি যে ঝুঁকিটা নিলেন, এরপর এই পাস্তুরিত দুধের কারবারিরা বললো- এগুলো (গবেষণা) ঠিক না। পরে রিসার্চে দেখা গেলো- ১৮টি পণ্যের মধ্যে ১১টিতে অতিরিক্ত লেড পাওয়া গেছে। তাহলে কী হলো? ওই ভদ্রলোককে তো হুমকি দেওয়া হয়েছিল।’

‘বিএসটিআইয়ের যে কর্মকর্তা আ ব ম ফারুকের রিসার্চকে কটাক্ষ করেছিলেন তাকে শাস্তি দেওয়া উচিৎ। একই সাথে পাস্তুরিত দুধের কোম্পানিগুলো এবং যারা খাদ্যে টেক্সটাইলের রং ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ভেজালের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন আছে, তাহলে সেটা কার্যকর করা হোক। আমি আরও একটু বাড়িয়ে বলব- সেই মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে দেওয়া হোক।'

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিটিউট, বিসিএসআইআর, প্লাজমা প্লাস, ওয়াফেন রিসার্চ, পরমাণু শক্তি কমিশন ও আইসিডিডিআর’বি ল্যাবে পাস্তুরিত দুধ, খোলা দুধ ও গোখাদ্য পরীক্ষা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সে পরীক্ষায় বিএসটিআই অনুমোদিত ১৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১টি পাস্তুরিত দুধে সিসা পাওয়া গেছে। কোম্পানিগুলো হল- মিল্কভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ইগলু, ফার্মফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং ডেইরি, প্রাণ মিল্ক, আয়রন, পিউরা ও সেইফ মিল্ক।

‘১৮ কোটি মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। খাদ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রস্তুতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজেদা হক বলেন, এক সময় এসিড মারা হতো, কিন্তু তখন কঠোরভাবে শাস্তি প্রয়োগ করায় তা নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তেমনি খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। তবেই ভেজাল রোধ করা যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম নুরুদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র