Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

কৃষকদের ধানের টাকা দিচ্ছেন না খাদ্য কর্মকর্তা

কৃষকদের ধানের টাকা দিচ্ছেন না খাদ্য কর্মকর্তা
কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ ধান ক্রয় চলছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুমিল্লা


  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারিভােবে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের পরও চেক অথবা টাকা না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাউদ হোসেন চৌধুরীর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

সূত্র জানায়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি মণ ধান এক হাজার ৪০ টাকা দরে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়। গত ২৬ মে উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউপির হাসানপুর গ্রামের সোলাইমানের কাছ থেকে বিআর ৬৭ জাতের ৫০ মণ ধান ক্রয় করে গুদাম কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু এসব ধান গুদামজাত করলেও এখনো মূল্য পরিশোধ করা হয়নি। টাকার জন্য গেলে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

অপরদিকে, জোড্ডা গ্রামের কৃষক মাহবুবুল হকের কাছ থেকে গুদাম কর্তৃপক্ষ গত ২৬ মে হীরা ১২০৩ জাতের ৫০ মণ ধান ক্রয় করে। একই ইউনিয়নের পানকরা গ্রামের কৃষক এস আর শাহাবুদ্দিন ভুঁইয়ার কাছ থেকে গত ২৫ মে খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ ২৮ জাতের ৭৫ মণ ধান ক্রয় করে। তাদেরকে ধানের মূল্য বাবদ বার বার তারিখ দিয়েও চেক অথবা টাকা কোনোটাই দিচ্ছে না।

এ বিষয়ে কৃষক সোলাইমান, মাহবুবুল হক ও এস আর শাহাবুদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তালিকা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রতিজন কৃষকের কাছ থেকে ১২০ কেজি থেকে শুরু করে তিন টন পর্যন্ত ধান ক্রয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ অনুযায়ী সকল নিয়ম মোতাবেক খাদ্য গুদামে গিয়ে ধানগুলো দেওয়ার পর গুদাম কর্তৃপক্ষ উৎকোচের জন্য ধান বিক্রয়ের চেক দিচ্ছে না।

নাঙ্গলকোট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিয়াজী নিষেধ করাতে তাদেরকে ধান ক্রয়ের চেক দেওয়া হচ্ছে না।’

ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিয়াজির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমার ইউনিয়ন থেকে ২০ জন কৃষক থেকে ২০ টন ধান ক্রয় করা হবে। প্রতি জন থেকে এক টন করে ধান ক্রয় করার জন্য গুদাম কর্তৃপক্ষকে বলেছি।’

এদিকে এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দাউদ হোসেন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা
খুলনায় নারী নেত্রীদের মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা। খুলনার নারী নেত্রীরা বলেছেন, স্বামী, সন্তান, সংসার, চাকরি সামলে নারীদের কাজ করতে হয়। তারপরও তারা এগিয়ে চলছে। তাই কোটা নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই নারীরা এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক দলের কমিটিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এক মঞ্চে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তৃনমূলের নারী নেত্রীরা এসব কথা বলেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএমএ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. ফরিদ আহমেদ, নিমাই মন্ডল, জুবায়ের আহমেদ জবা, বিএনপি নেতা বিএম কামরুজ্জামান টুক, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, হোসনে আরা চম্পা, মহিলা দলের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিমা খাতুন ছন্দা, নারী নেত্রী শোভা রাণী হালদার প্রমুখ।

এতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নারী সংগঠনের অর্ধ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন শামসু মল্লিক (৭৫) নামের এক আসামি মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। শামসু মল্লিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার আসামি ছিলেন। সে রূপসার কাশেম মল্লিকের ছেলে।

ওই আসামি গত কয়েকদিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানান খুলনার জেলার মো. জান্নাত উল ফরহাদ।

তিনি বলেন, 'জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ আগস্ট থেকে তিনি জেলা কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।'

খুলনা জেলার রূপসা থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন। রূপসা থানার মামলা নং-১০ (৬) ১৯ জিআর -১৮৮/১৯।

উক্ত ব্যক্তির মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র