Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জাপান-বাংলাদেশ ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি

জাপান-বাংলাদেশ ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: পিআইডি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য জাপানের সঙ্গে আড়াইশ’ কোটি ডলারের উন্নয়ন সহায়তা চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বুধবার (২৮ মে) টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের উপস্থিতিতে এই চুক্তি হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি ও ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ চুক্তিতে সই করেন।

পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প হলো:

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১), সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ সহায়ক প্রকল্প (২), মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প (১), জ্বালানি দক্ষতা ও সুরক্ষা সহায়ক প্রকল্প (পর্যায়-২) ও মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প (৫)।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। কার্যালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজে আবের সঙ্গে দ্বীপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

এসডিজি বাস্তবায়নে প্রয়োজন শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব

এসডিজি বাস্তবায়নে প্রয়োজন শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব
বক্তব্য রাখছেন পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ছবি: সংগৃহীত

পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে এসডিজির পূর্ণ বাস্তবায়নে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজন শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব; যা এখন সময়ের দাবি।’

মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (এইচএলপিএফ) গুরুত্বপূর্ণ অংশ কান্ট্রি স্টেটমেন্টে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন অংশীদার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে, যাতে টেকসই অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকে। আমরা সামগ্রিকভাবে এবং সমাজের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি, যাতে প্রতিটি নাগরিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে এবং উন্নয়নের সুফল থেকে কেউ বাদ না যায়।’

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র হিসাব মতে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বের দ্রুত
বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশের একটি। বৈশ্বিক নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির হার সত্ত্বেও বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে সাত ভাগের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশের রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ এর প্রত্যাশার কথা এ ফোরামে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে দুই অঙ্ক বিশিষ্ট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং আয় বৈষম্য কমাতে সর্বোচ্চ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। টেকসই উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে আমরা মানসম্মত শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছি। নারী শিক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি, যাতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে লিঙ্গসমতা অর্জিত হয়।’

জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের শিকার বিশ্বের অন্যতম একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’সহ যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো বৈদেশিক রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করছে এবং গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ ১৬.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে।

এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, তথ্য-প্রযুক্তির বিস্তার ও যুবকেন্দ্রিক উন্নয়ন ভাবনার কথাও তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

বৃষ্টি কমেছে, বেড়েছে তাপমাত্রা

বৃষ্টি কমেছে, বেড়েছে তাপমাত্রা
ছবি: শাদরুল আবেদীন

বাংলাদেশের উপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অনেকটাই কমেছে। এটি এখন উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ফলে সারাদেশে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে উন্নতি ঘটছে।

মাঝে মাঝে অবশ্য আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তবে দেশের দু-এক জায়গা ছাড়া তেমন কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ফলে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

গরমে জনজীবন কিছুটা অতিষ্ঠ হলেও বন্যায় কবলিত পানিবন্দিদের মাঝে স্বস্তি ফিরবে। তারা নিজ ভিটায় ফিরে যেতে পারবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা নিজেদের আবারও গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারানো মানুষদের আর্তনাদ থেকেই যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563389450967.jpg

আবহাওয়া অফিস বলছে, 'মৌসুমী বায়ু অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। এতে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা কমে গেছে। ক্রমান্বয়ে বাড়বে তাপমাত্রা। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি ছিল তবে এখন তা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বিরাজ করতে পারে।'

বুধবার ১৭ জুলাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মংলায় ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কুমারখালীতে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সকালে রাজধানীতে আকাশ মেঘলা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের প্রখরতাও বাড়তে থাকে। এতে গরমের তীব্রতাও বাড়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563389436185.jpg

রোদ থেকে বাঁচতে অনেকেই ছাতা ব্যবহার করেছেন। আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'গতকাল থেকেই বৃষ্টির প্রভাব কমেছে। তাপমাত্রা বেড়েছে তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় তিন থেকে চারদিন পর আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। আরও এক থেকে দেড় মাস এভাবেই চলবে।'

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বাকি বিভাগগুলোতে দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, রাজশাহী সাতক্ষীরা চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের উপর দিয়ে বেড়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র