Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সমৃদ্ধ ময়মনসিংহ গড়তে মেয়র টিটুর মহাপরিকল্পনা

সমৃদ্ধ ময়মনসিংহ গড়তে মেয়র টিটুর মহাপরিকল্পনা
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন মসিকের প্রথম মেয়র ইকরামুল হক টিটু, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহকে সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে। বুধবার (২৯ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে স্থানীয় গণমাধ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম অফিস করেন তিনি। এর অংশ হিসেবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মেয়র বলেন, আমরা সবাই এই নগরের নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা- ময়মনসিংহকে একটি সমৃদ্ধ নগর হিসেবে গড়ে তোলা। সে লক্ষ্যে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নগরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে চাই। দল মত নির্বিশেষে সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদেরও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।

নতুন ওয়ার্ডগুলোর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে মসিকের প্রথম এই নগরপিতা বলেন, আমাদের নবগঠিত যে ১২টি ওয়ার্ড রয়েছে, সেখানে অবকাঠামোগত কোনো সুবিধা নেই। সেই ওয়ার্ডগুলোতে নতুনভাবে পরিকল্পনা করে রাস্তা করতে হবে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নিরাপদ চলাচলের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে। সুপেয় পানি ও বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেখানে আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।

ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ময়মনসিংহ, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ অনেক পুরনো শহর হওয়ায়ি স্বাভাবিকভাবেই পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যেটি আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। যারা নতুন ভবন নির্মাণ করছেন, তারা অনেক সময় বিল্ডিং কোড মানছেন না। এটিও আমাদের বড় অন্তরায়। এগুলো আমাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

Mymensig Myor

ইকরামুল হক টিটু বলেন, সিটি করপোরেশনের আরেকটি সমস্যা বর্জ্য। এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা যেন নগরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি, দূষণমুক্ত করতে পারি, স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়তে পারি; এটিও আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

মেয়র বলেন, আমার বিগত কর্মকালীন সময়ে যে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করেছি, এগুলোর স্থায়ী সমাধান করতে চাই। বিশেষ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। এতে অনেকাংশে সফল হয়েছি, আবার অনেকাংশে সফল হতে পারিনি। একদিকে যেমন ছিল লোকবলের অভাব, পাশাপশি নাগরিকদেরও কিছু ক্ষেত্রে অবহেলা ছিল। আমাদের অসচেতনার কারণে কাজগুলো পরিপূর্ণভাবে সফল করতে পারিনি। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নগরবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ইকরামুল হক টিটু বলেন, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবাসমূহ অর্থ্যাৎ ঘরে বসে যেন আমরা নাগরিকদের সেই সেবাটুকু দিতে পারি, সেই বিষয়ে আমাদের কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুটান থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ নারায়ণগঞ্জে পৌঁছেছে

ভুটান থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ নারায়ণগঞ্জে পৌঁছেছে
ভারত হয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ

প্রথমবারের মত পাথরবাহী ভারতীয় জাহাজ ভুটান থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। গত ১২ জুলাই আসামের ধুবরি বন্দর থেকে রওনা দেয় পাথরবাহী জাহাজ এমভি এআই। ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে ১৬ জুলাই নারায়ণগঞ্জে এসে পৌঁছায় জাহাজটি। 

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নারায়ণগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালানটি গ্রহণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ, ভুটানের  রাষ্ট্রদূত সোনম টি. রাবগি।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব জানিয়েছে।

ভারতের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ১২ জুলাই ডিজিটালভাবে এমভি এএআই নামের ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের এই জাহাজটির যাত্রা সূচনা করেন। এরপর জাহাজটি আসামের ধুবরি থেকে যাত্রা করে এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর দিয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছায়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ধুবরিকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়। এই প্রথমবারের মতো ভারতীয় নৌপথ ও ভারতকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।

আসামের ধুবরি বন্দর থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভুটানের ফুয়েন্টশোলিং থেকে ট্রাকে করে পাথর আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভুটান স্থলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পাথর রফতানি করে আসছে। জাহাজটি এক হাজার মেট্রিক টন পাথর পরিবহন করছে, যা স্থলপথে পরিবহন করতে ৫০টিরও বেশিট্রাক প্রয়োজন হতো।

নৌপরিবহন মন্ত্রী মাণ্ডব্য বলেন, এই উন্নয়ন ঐতিহাসিক যার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে লক্ষ্য তা পূরণে হয়েছে। এই উদ্যোগের  মাধ্যমে ভারত, ভুটান এবং বাংলাদেশ উপকৃত হবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, এই রুটের মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহনের ফলে ৮ থেকে ১০ দিন সময় সাশ্রয় হবে, পরিবহন খরচ কমবে ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য খরচও কমবে। শ্রী মাণ্ডব্য আরও বলেন, এটি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যের জন্য একটি বিকল্প পথ উন্মুক্ত করবে, যার মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অংশ থেকে এই স্থানে পণ্য পৌঁছানো সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, ন্যাভিগেশন চ্যানেলে নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ড্রেজিং করা হয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রেজিং করা হবে। এছাড়াও ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথ ব্যবহার বৃদ্ধি করে পণ্য পরিবহনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ভারত-বাংলাদেশে ফেয়ারওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে আশুগঞ্জ-জকিগঞ্জ রুটের ড্রেজিং কাজও চলমান রয়েছে।

ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি, প্রতিরোধে ১২ সুপারিশ দুদকের

ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি, প্রতিরোধে ১২ সুপারিশ দুদকের
এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম কাছে প্রতিবেদন জমা দেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান

ওয়াসার ১১টি খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে ১২টি প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) তাজুল ইসলাম কাছে প্রতিবেদন জমা দেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। ওই প্রতিবেদনে এসব দুর্নীতি ও সুপারিশ করা হয়েছে।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে আমাদের প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো অবশ্যই দেখব। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না, সেটি এই সরকারের অঙ্গীকার। সব জায়গায় দুর্নীতি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। দুর্নীতির কারণে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সবাই অঙ্গীকারাবদ্ধ।

তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা দুদকের পাওয়া অভিযোগগুলো আমলে নিয়েছি। আমরা এগুলো তদন্ত করব। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেবে।

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। এক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকেন।

তিনি বলেন, ওয়াসার সরবরাহ করা পানি এখনও পানযোগ্য নয়। ওয়াসার ১১টি দুর্নীতি আমরা পেয়েছি; এজন্য ১২টি সুপারিশ করেছি। বিভিন্ন প্রকল্পে অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, প্রকল্পের খরচ বেড়ে গেছে। কালক্ষেপণের কারণে এমন হয়েছে। এছাড়া ঠিকাদারদের তাদের কাজের চেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে। এতে কাজ তুলে নিতে পারছে না। তাই কাজের মান ও পরিমাণ বিবেচনা করে টাকা ছাড় করলে ভালো ফল পাওয়া যেতো। তাই বলা যায়, স্পষ্টতই এখানে ওয়াসার সংশ্লিষ্টতা আছে।

দুদক কর্মকর্তা বলেন, এসব বন্ধে টেকনিক্যাল লোকজনদের নিয়ে সারভেইলেন্স টিম গঠন করা যেতে পারে। প্রাক্কলন পর্যায়ে পেশাদারিত্ব বাড়াতে হবে। ওয়াসার অনেক কাজই অসমাপ্ত। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প ও পদ্মা-যশোদিয়া প্রকল্পেরও অগ্রগতি নেই। মনিটরিং না বাড়ালে এভাবেই পড়ে থাকবে এসব।

তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোতে বিদেশি অর্থায়নও থাকে, সরকারি অর্থও থাকে; উভয় স্বার্থ যেন রক্ষা পায়। সরকারের স্বার্থ তথা জনগণের স্বার্থ রক্ষা পাচ্ছে কম। এজন্য নিরীক্ষা জোরদার করতে হবে।

WASA

ওয়াসার দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ১২ সুপারিশ-

১. ঢাকা ওয়াসার চলমান প্রকল্প বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ অপচয় রোধে বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থা কর্তৃক অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর সমন্বয়ে যৌথ পরিমাণ টিম ও মনিটরিং টিম গঠন করা যেতে পারে। এসব টিম গঠন করা হলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারগণ প্রকল্পকাজ যথাসময়ে যথাযথভাবে সম্পাদনের বিষয়ে মনোযোগী হবেন এবং এতে সময়-অর্থ অপচয় ও দুর্নীতি অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

২. প্রকল্পের প্রক্কালন তৈরির সময় কাজের যথার্থতা ও উপযোগিতা আছে কি-না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৩. বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় যাতে অহেতুক না বাড়ানো হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।

৪. দরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মিনিটরিং বাড়াতে মন্ত্রণালেয়ের শক্তিশালী টিম গঠন করতে হবে।
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫. ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের পূর্বে সুনিশ্চিত হতে হবে- শর্তানুযায়ী প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছে কি-না।

৬. ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মিটার রিডিংয়ের ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৭. অবৈধ ওভারটাইম বিল রোধকল্পে ঢাকা ওয়াসার কর্মচারীদের জনবল কাঠামো সুনিদিষ্ট করে ও বিধিমালা প্রণয়ন করা।

৮. প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন, সওজ, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা।

৯. ওয়াসার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে গনমাধ্যম দুদক, অডিট ডিপার্টমেন্টসজ নজরদারী বাড়াতে হবে।

১০. দুর্নীতি প্রতিরোধে সেবা গ্রহীতাদের নিয়ে ওয়াসার গনশুনানির আয়োজন কনতে হবে৷

১১. ওয়াসার মেগা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন অবস্থায় বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ টিমের আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

১২. টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বুয়েটসহ অন্যান্য পেশাদার সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র