Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি
সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি/ছবি: আবু বকর
নূর আহমদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
সিলেট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল ফিতরের  আর ১০ দিন বাকি। সিলেটের দর্জিপাড়ায় যেন সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অর্ডার নেয়া। ফলে শেষ  ‍মুহূর্তে দর্জি বাড়িতে ছুটছেন ফ্যাশন প্রিয়রা। ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে।

সিলেটের বিভিন্ন বিপণিবিতানের গড়ে ওঠা দোকানগুলোতে সেলাই মেশিনের  শব্দে মুখর। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। দর্জি  বাড়ি এখন মহাব্যস্ত। এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। এখন সিলেটের ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা ছুটছেন জিন্দাবাজারের শুকরিয়া, সিটি শপিংসিটি, প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেটের গড়ে ওঠা দর্জির দোকানে। আবার ছেলেদের শার্ট-প্যান্ট তৈরির যোগান দিচ্ছে স্থানীয় নামকরা সব টেইলার্স। সাথে পাঞ্জাবি তৈরির দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে।

সিলেট মধুবন মার্কেটের ন্যাশনাল টেইলার্স এর মালিক ছাব্বির আহমদ জানান, শবে বরাতের পর থেকেই এই সব পোশাক তৈরির অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে। ২০  রমজান থেকে ২২ রমজানের মধ্যে সব ধরনের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558868461306.jpg

তিনি জানান, দর্জি দোকানের কারিগরদের এখন নির্ঘুম রাত কাটছে। রাত জেগে তৈরি করছেন নিত্য নতুন ডিজাইনের সব জামা-কাপড়।

সিলেটের বিভিন্ন পাড়ামহল্লার আনাচে-কানাচে গড়ে উঠা টেইলার্স গুলোতেও ব্যস্ততা। নগরীর হাওয়াপাড়ার রমনী টেইলার্সের সাহিদা বেগম জানান, তার কারিগর কম। মাত্র তিনজন কারিগর দিয়ে ঈদের মৌসুম পার করতে হচ্ছে তাকে। এরজন্য তিনি আর নতুন করে অর্ডার নিচ্ছেন না।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দর্জি দোকানগুলো ঘুরে জানা যায়, প্রতিটি দর্জি কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদের প্রচুর কাজ জমে আছে দোকানগুলোতে। তাই কথা বলার সময়টুকুও নেই তাদের।

দক্ষিণ সুরমার জালালপুর বাজারের ইত্যাদি টেইলার্সের কারিগর সাইফুল জানান, মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও গরমের দাপটও রয়েছে। তাই সুতি কাপড়ের পোশাক তৈরির অর্ডার বেশি হচ্ছে।

সিলেট নগরীর মধুবন সুপার মার্কেট, আলহামরা শপিং সিটি, করিমউল্লাহ মার্কেট, ওয়েস্টওয়ার্ল্ড শপিং সিটি, ব্লুওয়াটার শপিং সিটিসহ সবকটা মার্কেটের সব ছোট বড় দর্জি দোকানগুলোতে কাপড় সেলাইয়ের ধুম পড়েছে।

দর্জি দোকানি রাজন দাস জানান, মেয়েদের পোশাকে এবার তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। ঈদ উপলক্ষে কাজ বাড়লেও তাদের মজুরি এখনও বাড়েনি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন
জঙ্গি শাহীন। ছবি: সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ একটি দল। মঙ্গলবার (২৫ জুন) তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে জানিয়েছে- তারা স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ করত। কলকাতায় তারা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই বাংলার প্রশাসন এখন তৎপর।

কলকাতায় গ্রেফতার চার জঙ্গির মধ্যে তিনজনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে আল-আমিন ওরফে শাহীন (২৩) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ছেলে। শাহীনের বাবা পৌর এলাকার বুজরুক রাজারামপুর গ্রামের রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম।

শাহীন ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগও নেই বলে জানিয়েছেন তার মা।

শাহীনের মা সাহের বানু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গতবছরের (২০১৮ সাল) জুন মাসের দিকে শাহীনকে ধরতে বাড়িতে পুলিশ আসে। কিন্তু আমার ছেলে ওই সময় বাড়িতে ছিল না। পরে তারা শাহীনের মোবাইল নম্বর ও ছবি নিয়ে যায়।’

সাহের বানু বলেন, ‘পুলিশ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আমরা তাকে মোবাইলে যোগাযোগ করেও কোনো খোঁজ পাইনি। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার বন্ধু-বান্ধব বা যাদের সঙ্গে সে মিশত, তারাও কেউ শাহীনের খোঁজ দিতে পারেনি।’

শাহীনের মা জানান, তার ছেলে গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও গোদাগাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। পরে সে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়। নিখোঁজের সময় শাহীন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

শাহীনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৭ সালে রাজারামপুর গ্রামের আমিজুল ইসলাম রনিকে ক্রসফায়ারে দেয় পুলিশ। রনির সঙ্গে আমার ছেলে মিশত। তবে রনি এবং আমার ছেলে কোনো খারাপ কাজে জড়িত ছিল কিনা তা জানি না। রনি মারা যাওয়ার পর শাহীনও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এক বছর হল শাহীনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শাহীনকে গ্রেফতার করতে আমরা তার বাড়ি এবং ওই এলাকায় কয়েক দফা সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছি। তবে সে খুব চতুর। বড় কোনো পর্যায়ে তার যোগাযোগ ছিল। আগে থেকে সে সরে পড়ত।’

ওসি আরও বলেন, ‘গত এক বছর ধরে তার আর কোনো সন্ধান মিলছিল না। মূলত সে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) সে কলকাতায় গ্রেফতার হয় বলে শুনেছি।’

প্রসঙ্গত, ভারতের শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা থেকে মঙ্গলবার জিয়াউর রহমান ওরফে মহসিন এবং মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে আল-আমিন ওরফে শাহীন এবং রবিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য দুই বাংলাদেশি জঙ্গি জিয়াউর রহমানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং মামুনুর রশিদের বাড়ি রংপুরে।

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও
গাছ পরিদর্শনে ফারহানা করিম, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তা২৪.কম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার জেলখানা মোড় এলাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারকে উক্ত এলাকার সরকারি গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা করিম।

সোমবার (২৪ জুন) বার্তা২৪.কমে ‘সরকারি গাছ কাটছে এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশন’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় গাছ কাটার ঘটনা তদন্ত করতে যান। খবর পেয়ে  গাছ কাটার শ্রমিকরা ও করাতকলের মালিক ইজ্জত আলী পালিয়ে যান।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকারি গাছ কাটার অনুমতিপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার বাপ্পীদের ছোট ভাই কোনো ধরনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা করিম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অনুমতি না থাকায় গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র