Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি
সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি/ছবি: আবু বকর
নূর আহমদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
সিলেট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল ফিতরের  আর ১০ দিন বাকি। সিলেটের দর্জিপাড়ায় যেন সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অর্ডার নেয়া। ফলে শেষ  ‍মুহূর্তে দর্জি বাড়িতে ছুটছেন ফ্যাশন প্রিয়রা। ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে।

সিলেটের বিভিন্ন বিপণিবিতানের গড়ে ওঠা দোকানগুলোতে সেলাই মেশিনের  শব্দে মুখর। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। দর্জি  বাড়ি এখন মহাব্যস্ত। এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। এখন সিলেটের ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা ছুটছেন জিন্দাবাজারের শুকরিয়া, সিটি শপিংসিটি, প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেটের গড়ে ওঠা দর্জির দোকানে। আবার ছেলেদের শার্ট-প্যান্ট তৈরির যোগান দিচ্ছে স্থানীয় নামকরা সব টেইলার্স। সাথে পাঞ্জাবি তৈরির দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে।

সিলেট মধুবন মার্কেটের ন্যাশনাল টেইলার্স এর মালিক ছাব্বির আহমদ জানান, শবে বরাতের পর থেকেই এই সব পোশাক তৈরির অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে। ২০  রমজান থেকে ২২ রমজানের মধ্যে সব ধরনের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558868461306.jpg

তিনি জানান, দর্জি দোকানের কারিগরদের এখন নির্ঘুম রাত কাটছে। রাত জেগে তৈরি করছেন নিত্য নতুন ডিজাইনের সব জামা-কাপড়।

সিলেটের বিভিন্ন পাড়ামহল্লার আনাচে-কানাচে গড়ে উঠা টেইলার্স গুলোতেও ব্যস্ততা। নগরীর হাওয়াপাড়ার রমনী টেইলার্সের সাহিদা বেগম জানান, তার কারিগর কম। মাত্র তিনজন কারিগর দিয়ে ঈদের মৌসুম পার করতে হচ্ছে তাকে। এরজন্য তিনি আর নতুন করে অর্ডার নিচ্ছেন না।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দর্জি দোকানগুলো ঘুরে জানা যায়, প্রতিটি দর্জি কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদের প্রচুর কাজ জমে আছে দোকানগুলোতে। তাই কথা বলার সময়টুকুও নেই তাদের।

দক্ষিণ সুরমার জালালপুর বাজারের ইত্যাদি টেইলার্সের কারিগর সাইফুল জানান, মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও গরমের দাপটও রয়েছে। তাই সুতি কাপড়ের পোশাক তৈরির অর্ডার বেশি হচ্ছে।

সিলেট নগরীর মধুবন সুপার মার্কেট, আলহামরা শপিং সিটি, করিমউল্লাহ মার্কেট, ওয়েস্টওয়ার্ল্ড শপিং সিটি, ব্লুওয়াটার শপিং সিটিসহ সবকটা মার্কেটের সব ছোট বড় দর্জি দোকানগুলোতে কাপড় সেলাইয়ের ধুম পড়েছে।

দর্জি দোকানি রাজন দাস জানান, মেয়েদের পোশাকে এবার তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। ঈদ উপলক্ষে কাজ বাড়লেও তাদের মজুরি এখনও বাড়েনি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গাদের ফেরত না যাওয়ার উস্কানি দিচ্ছে এনজিও: তথ্যমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের ফেরত না যাওয়ার উস্কানি দিচ্ছে এনজিও: তথ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ/ ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনারত কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত না যাওয়ার উস্কানি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেছেন, 'দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও ও তাদের কর্মকর্তারা রোহিঙ্গারা যাতে তাদের দেশে ফেরত না যায়, সেজন্য উস্কানি দিচ্ছেন এবং প্ররোচিত করছেন। কারণ রোহিঙ্গারা এখানে থাকলে তাদের ফান্ড আসে। সেই ফান্ড পেয়ে এনজিওগুলো হৃষ্টপুষ্ট হয়।'

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টায় চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ জেএমসেন হলে শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত ধর্ম মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, '২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত ঘোষণার কিছু আগে এনজিওদের একটি অ্যালায়েন্স বিবৃতি দিয়েছে, মিয়ানমারে নাকি সেই পরিবেশ নেই। তারা এক্ষেত্রে আগেও রোহিঙ্গাদের প্ররোচনা দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থার সংকট আছে, এটা সঠিক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি রোহিঙ্গাদের অনেকে উস্কানি দিচ্ছেন, যাতে তারা ফেরত না যান।'

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। ১১ লাখ রোহিঙ্গা তখন বাংলাদেশে আসলেও এখন তা বেড়ে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ধ্বংস হয়েছে। উখিয়া টেকনাফের স্থানীয় জনগণ এখন সংখ্যালঘু।’

‘স্থানীয়রা প্রথমে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে নানাভাবে সহায়তা করেছিল। কিন্তু এখন রোহিঙ্গারা নানা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়েছে। ইয়াবাসহ নানা ধরণের পাচারের সাথে যুক্ত হয়েছে। সেখানকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এজন্য স্থানীয় বাসিন্দারাও নানাভাবে বিরক্ত।'

চীন ও ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সহায়তা করছে। তাদের সহায়তা ও উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার কারণেই কিন্তু রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। কিছু এনজিও তাদের উস্কানি দিচ্ছে, যাতে তারা ফিরে না যায়।'

সহসাই আবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, 'রোহিঙ্গারা যাতে ফিরে যায়, সরকারের পক্ষ থেকে কুটনৈতিক তৎপরতা সহ নানা উদ্যোগ চলমান আছে। একই সাথে যারা উস্কানি দিচ্ছেন তাদের চিহ্নিত করতে সরকার কাজ করছে।'

জাতীয় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বাবুন ঘোষ বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাউজান পৌরসভার মেয়র শ্রী দেবাশীষ পালিত, জন্মাষ্টমী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. চন্দন তালুকদার প্রমুখ।

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শোক

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শোক
অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, ছবি: সংগৃহীত

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, ন্যাপ (মোজাফফর) এর সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এক শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।’

শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, উপমহাদেশে বাম রাজনীতির অন্যতম পুরোধা, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাম প্রগতিশীল আন্দোলনের পথিকৃৎ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০মিনিটে এ মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর হয়েছিল ৯৭ বছর। দীর্ঘদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন তিনি।

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের ছয়জন উপদেষ্টার মধ্যে একজন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র