Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

খুলনাগামী স্পেশাল ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলছে

খুলনাগামী স্পেশাল ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলছে
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অগ্রিম টিকিট কিনতে যাত্রীদের ভিড়/ ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘরমুখো মানুষের চাপ সামাল দিতে খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে একটি স্পেশাল ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হচ্ছে রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে। খুলনাগামী এই স্পেশাল ট্রেনটি কমলাপুর থেকে আগামী ৪ জুন খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

রোববার কমলাপুর রেল স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক এই তথ্য জানান। শুধু একদিনের জন্যই এই স্পেশাল ট্রেনটি চলবে।

মোহাম্মদ আমিনুল হক জানান, ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে আট জোড়া স্পেশাল সার্ভিস চালু করবে। ইতোমধ্যে খুলনাসহ দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল, চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল দুই জোড়া, ঈশ্বরদী ঈদ স্পেশাল, লালমনি ঈদ স্পেশাল- সবগুলোর অগ্রিম টিকিট দেওয়া শুরু হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558842976071.jpg

খুলনাগামী স্পেশাল ট্রেনের অগ্রিম টিকিটসহ রোববার মোট ২৮ হাজার ২২৪টি অগ্রিম টিকিট দেওয়া চচ্ছে। যার অর্ধেক অ্যাপস এর মাধ্যমে ও অর্ধেক কাউন্টারে পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ঈদের দিন কমলাপুর থেকে দুটি স্পেশাল সার্ভিস চলবে শোলাকিয়া স্পেশাল ১: ভৈরব- কিশোরগঞ্জ- ভৈরববাজার, শোলাকিয়া স্পেশাল ২: ময়মনসিংহ -কিশোরগঞ্জ -ময়মনসিংহ।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে দেওয়া হয়েছে ৩১ মে’র টিকিট, ২৩ মে দেওয়া হয়েছে ১ জুনের টিকিট, ২৪ মে দেওয়া হয়েছে ২ জুনের টিকিট, ২৫ মে দেওয়া হয়েছে ৩ জুনের টিকিট এবং ২৬ মে শেষ দিনের মতো দেওয়া হচ্ছে ৪ জুনের অগ্রিম টিকিট।

আপনার মতামত লিখুন :

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত
আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা এলাকায় আদালতের রায়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে জমির মালিক আব্দুল বারীকে এ জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে নগরীর চরছত্তরপুর মৌজায় ০.১৯৫ (দশমিক এক নয় পাঁচ) একর জমি নিয়ে আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি।

এ মামলায় র্দীঘ শুনানি শেষে ২০১৪ সালে আদালত বিবাদী আব্দুল বারীর পক্ষে ডিক্রি ঘোষণা করেন।

এরপর চলতি বছর বারীর পক্ষে আদালত ফের চূড়ান্ত ডিক্রি ঘোষণা করেন। বুধবার দুপুরে ঐ ডিক্রির প্রেক্ষিতে আদালত কর্তপক্ষ সরেজমিনে ঐ জমিতে গিয়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির মালিককে দখল বুঝিয়ে দেন।

এ সময় জেলা জজ আদালতের নাজির আ: হালিম, জারীকারক মো: রমজান আলী, অ্যাড. কমিশনার আতিকুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪

রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ জুন) বিকেলে রংপুর জেলা পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনেন।

তাদের দাবি, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়রের সাথে কোটি টাকার লেনদেন করে ওরিয়েন্টাল সিনেমা হল নিয়ে চলমান মামলা পরিচালনায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন চেয়ারম্যান। এতে জেলা পরিষদ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত হতে পারে। এছাড়াও পরিষদের বিভিন্ন উপজেলার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্য মোহসিনা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান ছাফিয়া খানম গত দুই অর্থবছরে অসহায় দরিদ্রদের চিকিৎসা ও শিক্ষা অনুদান দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করেছে। সড়কের দু'পাশ থেকে গাছ অপসারণের নামে সদস্যদের না জানিয়ে রাতারাতি গাছ কেটে তার মেয়ের জামাইকে দিয়ে বিক্রি করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে রাজস্ব খাত থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হেরফের করেছেন। গত দুই অর্থবছরে এডিপি ৪০% কাজ বাস্তবায়িত করতে পারেননি। বরং প্রকল্পের টাকা ব্যাংকে জমা রেখে চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করার পাশাপাশি মাসিক লভ্যাংশ নিচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজে পরিষদ সদস্যদের সম্পৃক্ত থাকার বিধান আছে, কিন্তু চেয়ারম্যান তা মানেন না। সাতটি স্থায়ী কমিটি থাকার পরও তিনি কারো সুপারিশ বা পরামর্শ গ্রাহ্য করেন না। নিয়মিত মাসিক সভা না করেই নিজের মন মত করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ সম্মলনে পরিষদের সদস্য সিরাজুল হক প্রামানিক, পারভীন আকতার, সৈয়দ দিলনাহার, রিয়াজুল, রফিকুল ইসলাম, সেলিনা খাতুন, রফিকুর রহমান, ফিরোজ হোসেন, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিষদ সদস্যরা বলেন, আমরা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় পরিষদ আজ অকার্যকর।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র