Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

দিন ভালো যাচ্ছে না জ্যোতিষী রাখাল বাবুদের

দিন ভালো যাচ্ছে না জ্যোতিষী রাখাল বাবুদের
রাখাল বাবু। ছবি: বার্তা২৪.কম
নূর আহমদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সিলেট


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমি জ্যোতিষীর কাছে যাব/ তারে গোপনে সুধাব/ যারে আমার ভালো লাগে/ তারে কী পাব- গো’ এমন সব জনপ্রিয় গানে উঠে এসেছে জ্যোতিষীদের কথা। চাকরি, প্রেম, বিয়ে, পরিবার ও স্বাস্থ্যের মতো ব্যক্তিগত বিষয়েও করেন ভবিষ্যৎ বাণী।

‘সামনে আপনার ভীষণ বিপদ’ অথবা ‘আর কদিন পরেই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে আপনার ভবিষ্যৎ’ এমন সব চমকপদ বাণী দিয়েও বিশ্বাস অর্জন করে নিতে জুড়ি ছিল না তাদের। তবে আজ আর সেই দিন নেই গ্রামীণ জনপদে ‘গণক’ হিসেবে পরিচিত জ্যোতিষীদের।

গ্রামীণ জ্যোতিষীদের কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ আর হাতে ছাতা নিয়ে মেঠো পথ ধরে হেঁটে চলা ছিল চিরাচরিত দৃশ্য। আজ আর সেই দৃশ্য খুব একটা চোখে পড়ে না। জ্যোতিষীদের কথায় যুক্তিবাদীদের বিশ্বাস রাখা কষ্টকর হলেও যেকারো মন দুর্বল হয়ে যাওয়াটা ছিল স্বাভাবিক।

বিশেষ করে সাধারণ নারীরা প্রবল বিশ্বাস থেকে দরজার ওপাশ থেকে মেহেদি রাঙা হাত বাড়িয়ে দিতেন গণকের দিকে। গণকও হাতের রেখা দেখে বিরামহীন বলে যেতেন ভবিষ্যৎ বাণী। বিনিময়ে ভালোই রোজগার হতো তাদের।

জ্যোতিষী রাখাল আচার্য্যের মতে, এখন আর আগের মতো ভালো নেই তারা। নতুন প্রজন্ম খুব একটা গুরুত্ব দেয় না তাদের জ্যোতিষী বিদ্যায়।

রাখাল আচার্য্যের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আকিলপুর গ্রামে। সবার কাছে তিনি ‘রাখাল বাবু’ হিসেবে পরিচিত। মানুষের ভবিষ্যৎ বাণী বলে দেয়ার উদ্দেশে সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের চাতলীবন্দ গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরছিলেন তিনি। এমন সময় বার্তা২৪.কমের এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় রাখাল বাবুর।

রাখাল বাবু জানান, মেট্রিক পাশ করেছিলেন সত্তরের দশকে। এরপর জ্যোতিষী বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে নেমে পড়েন হাতের রেখা গণনায়। ভাগ্য বলে দিয়ে এমন রোজগারে ভালোই চলছিল তার। এরপর পরিচিতি পান রাখাল বাবু নামে। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে রাখাল বাবুর সুনাম। হাতের রেখা দেখে বলে দেয়া ভবিষ্যৎ বাণীর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় অনেকে খুশি হয়ে বাড়তি টাকা পয়সা দিত। আবার কেউ কেউ বাড়ি থেকে খুঁজে নিয়ে আসত তাকে। অবশ্য সেই পণ্ডিত রাখাল বাবু জানান, আগের দিন আর এখন নেই। গ্রাম ছেড়ে এখন শহরমুখী তিনি।

রাখাল বাবু বার্তা২৪.কমকে জানান, বর্তমান প্রজন্মের এখন আর এই বিদ্যায় পাণ্ডিত্য অর্জনে আগ্রহ নেই। এক সময় গ্রামের সাধারণ মানুষ ঘরের মেঝেতে চেয়ার বের করে দিত। এমনকি মুসলিম ঘরের নববধূও দরজার আড়ালে থেকে হাত বের করে দিয়ে বলতেন- দেখেনতো আমার ভাগ্যে কী আছে। এ রকম কতো স্মৃতিই না আছে তার জীবনে।

এখন আয় কেমন হয় এমন প্রশ্নে রাখাল বাবু জানান, দিনে ৭-৮শ টাকা মিলে। গ্রামে গেলে ১০-২০ টাকার বেশি কেউ দিতে চায় না। আগে অনেক টাকা আয় হতো।

তিনি জানান, তার এক ছেলে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে এবার মাস্টার্স পাশ করেছে। অন্য ছেলে সিলেট এম এ জি ওসমানী নার্সিং কলেজে ডিপ্লোমা করছে।

রাখাল বাবুর মতে, জীবনে চলার পথে কতো কিছুর উপরে মানুষের জানার আগ্রহ থাকে। সেই অদম্য ইচ্ছা জাগ্রত করে এই বিদ্যায় নতুন প্রজন্মকে পারদর্শী হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। অবশ্য তার পরিবারের কেউ আর এই পেশায় নেই বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

শরীরের ১৮০০ স্প্লিন্টার এখনো যন্ত্রণা দেয় মাহবুবাকে

শরীরের ১৮০০ স্প্লিন্টার এখনো যন্ত্রণা দেয় মাহবুবাকে
মাহবুবা পারভীন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গুলিস্থানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আহত হন সাভারের বাসিন্দা মাহবুবা পারভীন। বর্তমানে তার শরীরে ১৮০০ স্প্লিন্টারের বাসা। যখন অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়, তখন তাকে ডাক্তার ও ওষুধের শরণাপন্ন হতে হয়।

জানা গেছে, মাহবুবা পারভীন সেই ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার একজন প্রত্যক্ষদর্শী। সাভার থেকে এসে সেদিন যোগ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে। অথচ শান্তি সমাবেশ থেকে তিনি পেয়েছিলেন নরক যন্ত্রণার অভিজ্ঞতা। সেদিনের গ্রেনেড হামলার বিকট শব্দে হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। পরে তার শরীরের একপাশ অচল হয়ে গিয়েছিল।

মাহবুবা পারভীন জানান, সেদিন তাকে কেউ দাঁড় করাতে পারেনি। পরে ব্যানারে জড়িয়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ২০০৪ সালে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। আর বিরোধীদল ছিল আওয়ামী লীগ। যদিও আওয়ামী লীগকে সে সময় কোণঠাসা করে রেখেছিল তৎকালীন সরকার। এমনকি মিছিল মিটিংয়েরও সুযোগ দিত না।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে মাহবুবা পারভীর বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বিরোধীদের সমাবেশ, হরতাল, অনশন, অবরোধ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। আমরা ট্রাকে মঞ্চ করে একটি সন্ত্রাসবিরোধী জনসভার আয়োজন করেছিলাম। সেই জনসভায় আমি ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। মঞ্চের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘শীর্ষ নেতারা একের পর এক বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সবশেষে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। তিনি যখন বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ বলে উঠলেন, ঠিক তখনই বিকট একটি আওয়াজ হয়। মুহূর্তে এলাকাটি অন্ধকার হয়ে যায়। বিকট শব্দে চারদিক কেঁপে ওঠে।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক এই নেত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির জন্য জীবনের সব সুখ আনন্দ বিসর্জন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেই স্বাধীন দেশের ষড়যন্ত্রকারীদের হাতেই তাকে প্রাণ দিতে হয়। সেই কষ্টের তুলনায় আমার কষ্ট কিছুই না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566360861135.jpg
ডানে গ্রেনেড হামলায় আহত হয়ে পড়ে আছেন মাহবুবা পারভীন।

 

দেশের বাইরে থাকায় পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনকের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যান। আর সেই কারণেই ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট সমাবেশে হামলা করা হয় বলে জানান মাহবুবা। তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্ট যদি ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের দুই আপাকে হত্যা করতে পারত, তাহলে আর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হতো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘২১ আগস্ট হামলাকারীদের টার্গেট ছিল শেখ হাসিনা ও দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। কারণ তাদের হত্যা করতে পারলে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করা যেত। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা সে উদ্দেশ্য সফল হতে দেননি।’

মাহবুবা পারভীন বলেন, ‘যখন যন্ত্রণা শুরু হয় তখন বঙ্গবন্ধু ও তার হত্যার কথা স্মরণ করি। তাছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনার দুই কানের পর্দা ফেটে ঝরঝর করে রক্ত ঝরেছিল। পরে তিনি নিজের চিকিৎসা বন্ধ রেখে আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। যন্ত্রণার সময় সেই কথাও স্মরণ করি। তবে মাঝে মাঝে যন্ত্রণার সময় আর বাঁচতে ইচ্ছে করে না। শুধুমাত্র নেত্রীর ভালোবাসায় বেঁচে আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৪ সাল থেকে প্রতিটি ঈদ আমার কাঁদতে কাঁদতে কেটেছে। কিন্তু যেদিন নেত্রী ডেকে বুকে জড়িয়ে ধরেন, সেই দিনটিই আমার কাছে ঈদ ঈদ মনে হয়।’

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হামলার পর তদন্তকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করে বিএনপি-জামায়াত সরকার। আর সেটিরও নেতৃত্ব দেন বর্তমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যিনি বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করেছেন। পরবর্তীতে আসামিদের স্বীকারোক্তিতে হামলায় তারেক রহমানের সমর্থন থাকার প্রমাণ মেলে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হাওয়ায় গত বছর ১৯ জনকে ফাঁসি, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত। আসামিদের মধ্যে ১৮ জন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এখনো পলাতক।

২১ আগস্টের দণ্ডিতরা কে কোথায়?

২১ আগস্টের দণ্ডিতরা কে কোথায়?
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা। ছবি: সংগৃহীত

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার দু’মামলায় ১৯ আসামিকে ফাঁসির দণ্ড ও ১৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। মোট ৫২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় রায়ের আগেই এ মামলা থেকে ৩ আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার-১ নম্বর ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান মোট ৩৮ আসামি। আসামিদের মধ্যে রায় ঘোষণার দিন ২৪ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ১৪ আসামি ছিলেন পলাতক।

দণ্ডিতরা কে কোথায়?

১) তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া:

গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও হত্যা দুই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে লন্ডন চলে যান। গত ১১ বছর যাবৎ সেখানে আছেন তিনি। এ দুটি মামলা ছাড়াও অর্থপাচার ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলারও সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান।

২) লুৎফুজ্জামান বাবর:

বিএনপি সরকারের ২০০১-২০০৬ মেয়াদে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালে গ্রেফতার হন তিনি। সেই থেকে ১২ বছর যাবৎ কারাগারে আটক আছেন। গ্রেনেড হামলার দুটি মামলায় তাকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায়ও দণ্ডিত করা হয় বাবরকে।

৩) হারিছ চৌধুরী:

বিএনপি আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন হারিছ চৌধুরী। সে সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় এলে দেশ ছাড়েন তিনি। গ্রেনেড হামলার দুটি মামলায়ই তাকে পলাতক দেখিয়ে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শেষ হয়েছে। দুই মামলায়ই তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একক কোনো দেশে তার অবস্থানের খবর পাওয়া যায়নি। দণ্ড মাথায় নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে আসা-যাওয়ার মধ্যে আছেন।

৪) আব্দুস সালাম পিন্টু:

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি আব্দুস সালাম পিন্টু। বিএনপি সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি এ মামলায় গ্রেফতার হন। ১১ বছর ধরে কারাগারে আটক আছেন। গ্রেনেড হামলার দু’মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পিন্টু গ্রেনেড হামলা মামলার আরেক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা তাজউদ্দিনের ভাই।

৫) শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ:

কুমিল্লার বিএনপি দলীয় এমপি ছিলেন শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। মামলার শুরু থেকে শেষ অবধি পলাতক ছিলেন। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে পালিয়ে রয়েছেন মর্মে শোনা যায়।

৬) মাওলানা তাজউদ্দিন:

মাওলানা তাজউদ্দিন বিএনপি সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ছোট ভাই। তিনি ছিলেন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নেতা। হামলার পর বিএনপি সরকারের আমলেই বাদল নামে ভুয়া পাসপোর্ট করে প্রথমে পাকিস্তান পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা চলে চান। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী তিনি। পাকিস্তান থেকে গ্রেনেড এনে তা সরবরাহ করেন মাওলানা তাজউদ্দিন। এ মামলায় তাকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

৭) মেজর জেনারেল (অব) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী:

ঘটনার সময় ডিজিএফআইয়ের প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল (অব) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী। আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে গ্রেফতার হন তিনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায়ও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

৮) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) আব্দুর রহিম:

গ্রেনেড হামলার ঘটনার সময় এনএসআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) আব্দুর রহিম। তাকেও এ মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলারও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনি। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র