Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাদকাসক্ত চালকদের হাতে গাড়ি তুলে দেবেন না: ডিএমপি কমিশনার

মাদকাসক্ত চালকদের হাতে গাড়ি তুলে দেবেন না: ডিএমপি কমিশনার
বক্তব্য রাখছেন ডিএমপি কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মালিকদের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘মাদকাসক্ত কোনো চালক বা হ্যালপারের হাতে গাড়ি তুলে দেবেন না। কোনো চালক বা হ্যালপারকে দেখার পর যদি আপনাদের মনে হয় সে মাদকাসক্ত তাহলে তার ডোপ টেস্ট করান। এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা আমরা করব।’

শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘মাদকাসক্ত কোনো লোক গাড়ির হ্যালপার বা চালক হতে পারবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে মাদক আমাদের জাতীর শত্রু। মাদকের কারণে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে পরিবহন মালিক শ্রমিককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558770090917.jpg
বক্তব্য রাখার একটি মুহূর্ত, ছবি: বার্তা২৪

 

নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের কাছে থেকে বেশি নেওয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে ভাড়া নির্ধারিত এর বেশি ভাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। কেউ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এ সময় তিনি টার্মিনালগুলোতে অজ্ঞান পার্টির সক্রিয়তা নিয়ে বলেন, ‘গত ১৯ দিনে রাজধানীতে কোনো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। আমরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি এ বিষয়ে। মানুষ নিরাপত্তার সঙ্গে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদ কেনাকাটা করে নিরাপদে বাড়ি ফিরছে। কারণ আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে বিভিন্ন টার্মিনালে হকারের বেশে অজ্ঞান পার্টির লোকজন ঢুকতে পারে। তাদের বিষয়ে আমরাও সতর্ক থাকব। যাত্রী এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক থাকতে হবে। এই মহানগরে আমরা অজ্ঞান পার্টি দেখতে চাই না।’

এসময় ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি কমাতে ঢাকায় ঢোকার এবং বাহির হওয়ার মুখগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঈদ যাত্রার সময় রাজধানীর যেসব পয়েন্টে গাড়ি বের হয় এবং প্রবেশ করে সেগুলো ফাঁকা ও যানজটমুক্ত রাখতে হবে। তাহলে গাড়ি খুব দ্রুত যাত্রী নিয়ে প্রবেশও করতে পারবে সঙ্গে বেরও হতে পারবে। এতে করে ঈদ যাত্রার ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত
প্রতীকী

প্রতি বছর ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসাসেবা দিতে নতুন প্রকল্প চালু করেছে ভারত সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বাংলাদেশের সব জেলা থেকে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই করবে। এ বছরও ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্বাচিত করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞাপন মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.molwa.gov.bd) প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনকারীদের ওয়েবসাইট দেখে নির্ধারিত ফরমে ২২ আগস্ট, ২০১৯ এর মধ্যে নিজ নিজ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল তাজ

সাবেক স্বরাষ্টপ্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছেন, আমার সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে কিছু দেয়নি। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে বেরিয়েছি। দেশে বিদেশে যেখানেই গেছি মানুষ আমাকে ভালোবেসেছে। আমাকে নিয়ে মানুষের চিন্তা আমাকে অভিভূত করে, ঋণী করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাজের নানা সমস্যা সমাধান তুলে ধরতে সোহেল তাজ 'হটলাইন কমান্ডো' নামের একটি অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

সোহেল তাজ বলেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনে 'দিন বদলের সনদ' আমাদের খুব আকর্ষণীয় নির্বাচনী ইশতেহার ছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তখন দিন বদলের সনদকে বুকে ধারণ করে নিজেকে কাজে নিয়োজিত করেছিলাম। পরবর্তীতে যেকোনো কারণেই হোক রাজনীতি থেকে বিরতি গ্রহণ করি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563432593667.jpg

সোহেল তাজ বলেন, আমি ছোটবেলায় আমার বাবাকে কাছে পাইনি। তাই চেয়েছি আমার সন্তানদের যেন এটা না হয়, আমার দুই মেয়ে, এক ছেলে। বিরতির এই সময়টাতে তাদেরকে সময় দিয়েছি।

মা জোহরা তাজউদ্দিনে কথা স্মরণ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার মা সবসময় বলতেন তুই যাই করিস না কেন, মানুষের জন্য কিছু করিস।

সোহেল তাজ বলেন, আমার কোন পোস্ট পজিশন নেই, আমার কোন ধনদৌলত নেই। কীভাবে জনগণের ভালোবাসার এই ঋণশোধ করব! সেটাই সবসময় চিন্তা করেছি। সেই চিন্তা থেকেই ‘হটলাইন কমান্ডো’ অনুষ্ঠানের এই ভাবনা।

দেশের মানুষের নানা সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমাধানের জন্য আমরা নিয়ে আসছি 'হটলাইন কমান্ডো।' এ সময় হটলাইন কমান্ডোর চিন্তাভাবনা, কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রেজন্টেশন দেন সোহেল তাজ।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র