Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

রেললাইনের পাশ থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার

রেললাইনের পাশ থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
এহসান ইবনে রেজা ফাগুন, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

জামালপুরে রেললাইনের পাশ থেকে এহসান ইবনে রেজা ফাগুন (২০) নামে এক সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। নিহত ফাগুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রিয়.কমে সাব এডিটর হিসেবে কাজ করতেন।

এছাড়াও তিনি এনটিভির শেরপুর প্রতিনিধি কাকন রেজার ছেলে ও তিতুমীর কলেজে টুরিজম এন্ড হোটেল ম্যানেজমেন্টে ১ম বর্ষের ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে জামালপুর-নান্দিনা রেলস্টেশনের মাঝামাঝি কালিবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২২ মে) বিকেলে নিহতের ছবি দেখে মরদেহ সনাক্ত করেন তার বাবা কাকন রেজা।

জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাপস চন্দ্র পন্ডিত জানান, মঙ্গলবার রাতে মধ্যপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তবে পরিচয় না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম কর্তৃপক্ষ মরদেহের কফিন তৈরি করে জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরই মধ্যে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহটি সম্পর্কে জানতে চাইলে জিআরপি পুলিশের পক্ষ থেকে নিহতের বাবা কাকন রেজার কাছে ছবি পাঠানো হয়। ওই ছবি দেখে কাকন রেজা মরদেহটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন। পরে অজ্ঞাত পরিচয়ে ফাগুনের মরদেহ দাফন স্থগিত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহতের বাবা কাকন রেজা বলেন, ‘এহসান ইবনে রেজা ফাগুন মঙ্গলবার ঢাকা থেকে শেরপুর বাড়িতে ফিরছিল। ময়মনসিংহ আসার আগেও তার সাথে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু রাতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় ছেলের খোঁজ করছিলাম। সকালে তার খোঁজে ময়মনসিংহে যাই। এক পর্যায়ে জামালপুর রেলওয়ে থানার পুলিশ আমার কাছে ছবি পাঠালে তা দেখে নিশ্চিত হই যে এটি আমার ছেলে ফাগুনেরই মরদেহ।’

আপনার মতামত লিখুন :

ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: প্রতীকী

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে সোহেল রানা (৩০) নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের জামিরা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল জামিরা গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহত ওই কৃষকের বাবা আনাসার আলী বাদী হয়ে সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে বেলপুকুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাজশাহীর বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, রোববার সন্ধ্যায় ধানের বীজ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাইফুল ইসলামের সঙ্গে সোহেল রানার কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরেই ওইদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে সোহেল রানাকে একা পেয়ে সাইফুল ইসলাম ও তার লোকজন মিলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।

পরে সোহেল রানার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের ফারুক হোসেন ও রাজিউল ইসলাম নামে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদেরকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

থাই পেয়ারার সঙ্গে মিশ্র ফল চাষে লাভবান আব্দুল লতিফ

থাই পেয়ারার সঙ্গে মিশ্র ফল চাষে লাভবান আব্দুল লতিফ
নিজের তৈরি পেয়ারার বাগানে আব্দুল লতিফ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম গ্রাম। সেই গ্রামের হতদরিদ্র আব্দুল লতিফ চাষাবাদের মাধ্যমে ভাগ্যকে জয় করে নিয়েছেন। প্রথমে থাই পেয়ারা দিয়ে শুরু করলেও এখন রয়েছে তার মাল্টা, কমলা, থাই কুল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের বাগান। আব্দুল লতিফকে দেখে তার গ্রামের অনেকেই গড়ে তুলছেন থাই পেয়ারার সাথে মিশ্র ফলের বাগান।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে সঙ্গে কথা হয় তার জীবন পাল্টে ফেলার গল্প নিয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566201147908.jpg

লতিফ জানান, তিন বছর আগে ৪০০ থাই পেয়ারার চারা রংপুরের হর্টিকালচার নার্সারি থেকে ১২ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এনে তার নিজের বসতভিটার ৬০ শতক জমিতে বাগান করেন। প্রথম বছরে গাছ বড় হতে সময় লাগায় পেয়ারা ধরেনি। পরের বছর ২০১৮ সালে গাছে পেয়ারা ধরে। সে বছর ১১০ মণ পেয়ারা এক লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। চলতি বছর ২০১৯ সালে ২২০ মণ পেয়ারা ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

লতিফ এখন পেয়ারা বাগানের পাশাপাশি গড়ে তুলছেন মাল্টা, কমলা, থাই কুল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের মিশ্র বাগান। তাকে অনুসরণ করে ঐ এলাকার অনেকেই এগিয়ে আসছেন ফল চাষে।

পেয়ারা চাষি আব্দুল লতিফ আরও জানান, তার বাগানে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে নিজের তৈরি ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করেন। তাই ফলন যেমন ভালো হয় তেমনি সুস্বাদু হওয়ায় তার বাগানে উৎপাদিত পেয়ারার বেশ চাহিদা বাজারে রয়েছে বলে তিনি জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566201169008.jpg

তিনি আরও জানান, আমি পেয়ারা চাষে সফলতা পেয়েছি। যদি কোনও কৃষক পেয়ারা চাষে উৎসাহিত হয়ে আমার কাছে আসে তাহলে আমি তাকে সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করব।

আব্দুল লতিফকে অনুসরণকারী কে এম রমজান আলী ও রফিকুল ইসলাম জানান, সবজি জাতীয় ফসলের চেয়ে কম খরচে থাই পেয়ারা চাষ করা যায়। এতে বেশি লাভ হওয়ায় পেয়ারার বাগান আমরাও তৈরি করছি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, কুড়িগ্রামের মাটি থাই পেয়ারাসহ মিশ্র ফল চাষের উপযোগী হওয়ায় কৃষি বিভাগ থাই পেয়ারার পাশাপাশি মিশ্র ফল বাগান তৈরি করতে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র