Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নুসরাত হত্যা: অধ্যক্ষ সিরাজের ২ দিনের রিমান্ড

নুসরাত হত্যা: অধ্যক্ষ সিরাজের ২ দিনের রিমান্ড
অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও নুসরাত জাহান রাফি, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের মামলায় আসামি সিরাজ উদ দৌলাকে ফের দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২২ মে) ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুনিরুজ্জামান বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, 'যৌন নিপীড়ন অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে (সিরাজ উদ দৌলাকে) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।'

আরও পড়ুন: নুসরাত হত্যা: রিমান্ড শেষে তিন আসামি কারাগারে

আরও পড়ুন: জেল থেকেই নুসরাতকে হত্যার নির্দেশ দেয় সিরাজ

এর আগে হত্যা মামলায় আসামিদের রিমান্ড দেওয়া হলেও গত ২৭ মার্চ নুসরাত মা সহ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় তাকে রিমান্ড দেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ কক্ষে ডেকে নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানি করেন অধ্যক্ষ। এই ঘটনায় নুসরাতের মা থানায় মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে মামলা তুলে নিতে নুসরাতকে হুমকি দেয় হুজুরের অনুসারীরা। এতে রাজি না হলে গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হল থেকে মাদরাসা একটি ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে আগুন দেয় বোরকা পরা কয়েকজন।

আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আপনার মতামত লিখুন :

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত
আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা এলাকায় আদালতের রায়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে জমির মালিক আব্দুল বারীকে এ জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে নগরীর চরছত্তরপুর মৌজায় ০.১৯৫ (দশমিক এক নয় পাঁচ) একর জমি নিয়ে আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি।

এ মামলায় র্দীঘ শুনানি শেষে ২০১৪ সালে আদালত বিবাদী আব্দুল বারীর পক্ষে ডিক্রি ঘোষণা করেন।

এরপর চলতি বছর বারীর পক্ষে আদালত ফের চূড়ান্ত ডিক্রি ঘোষণা করেন। বুধবার দুপুরে ঐ ডিক্রির প্রেক্ষিতে আদালত কর্তপক্ষ সরেজমিনে ঐ জমিতে গিয়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির মালিককে দখল বুঝিয়ে দেন।

এ সময় জেলা জজ আদালতের নাজির আ: হালিম, জারীকারক মো: রমজান আলী, অ্যাড. কমিশনার আতিকুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪

রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ জুন) বিকেলে রংপুর জেলা পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনেন।

তাদের দাবি, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়রের সাথে কোটি টাকার লেনদেন করে ওরিয়েন্টাল সিনেমা হল নিয়ে চলমান মামলা পরিচালনায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন চেয়ারম্যান। এতে জেলা পরিষদ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত হতে পারে। এছাড়াও পরিষদের বিভিন্ন উপজেলার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্য মোহসিনা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান ছাফিয়া খানম গত দুই অর্থবছরে অসহায় দরিদ্রদের চিকিৎসা ও শিক্ষা অনুদান দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করেছে। সড়কের দু'পাশ থেকে গাছ অপসারণের নামে সদস্যদের না জানিয়ে রাতারাতি গাছ কেটে তার মেয়ের জামাইকে দিয়ে বিক্রি করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে রাজস্ব খাত থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হেরফের করেছেন। গত দুই অর্থবছরে এডিপি ৪০% কাজ বাস্তবায়িত করতে পারেননি। বরং প্রকল্পের টাকা ব্যাংকে জমা রেখে চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করার পাশাপাশি মাসিক লভ্যাংশ নিচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজে পরিষদ সদস্যদের সম্পৃক্ত থাকার বিধান আছে, কিন্তু চেয়ারম্যান তা মানেন না। সাতটি স্থায়ী কমিটি থাকার পরও তিনি কারো সুপারিশ বা পরামর্শ গ্রাহ্য করেন না। নিয়মিত মাসিক সভা না করেই নিজের মন মত করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ সম্মলনে পরিষদের সদস্য সিরাজুল হক প্রামানিক, পারভীন আকতার, সৈয়দ দিলনাহার, রিয়াজুল, রফিকুল ইসলাম, সেলিনা খাতুন, রফিকুর রহমান, ফিরোজ হোসেন, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিষদ সদস্যরা বলেন, আমরা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় পরিষদ আজ অকার্যকর।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র