Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদের আগেই সচল হবে এক্সেস ও পোর্ট কানেকটিং রোড

ঈদের আগেই সচল হবে এক্সেস ও পোর্ট কানেকটিং রোড
কার্পেটিং কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের আগেই যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস ও পোর্ট কানেকটিং রোড।

বুধবার (২২ মে) দুপুরে দুই সড়কের প্রথম ধাপের কার্পেটিং শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে পোর্ট কানেকটিং রোডের নিমতলা মোড় থেকে শুরু হওয়া কার্পেটিং কাজ উদ্বোধন করে এ আশ্বাস দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

কাজের অগ্রগতির লক্ষ্যে বড় পোল মোড় থেকে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের কার্পেটিংও শুরু হয়েছে। সড়ক দু’টি নির্মাণে অর্থায়ন করেছে জাইকা।

কার্পেটিং কাজের উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত সড়ক দু’টিতে প্রতিদিন প্রায় আট থেকে বারো হাজার গাড়ি চলাচল করে। গুণগত মান উন্নত রেখেই ব্যস্ততম এ দুই সড়কের কার্পেটিং কাজ করা হচ্ছে। জাইকা বিশেষজ্ঞ দল সরাসরি এ কাজ মনিটরিং করছে। সড়ক দু’টিতে তিনটি ধাপে প্রায় সাড়ে নয় ইঞ্চি পুরু কার্পেটিং করা হবে। ঈদের আগে যাতে এ দুই সড়কের একপাশের সম্পূর্ণ কার্পেটিং শেষ হয় সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করি, সেপ্টেম্বরের আগেই সড়ক দু’টির উভয় পাশের কার্পেটিং শেষ হবে।

nasir

তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পের কাজের এক ধাপ সম্পন্ন হলে জাইকা গুণগত মান পরীক্ষা করে। পরীক্ষার পর তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ধাপের কাজ শুরু করা হয়। সড়ক দু’টির নালা নির্মাণ থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। সড়কের জায়গা বিভিন্ন সেবা সংস্থা ও ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের দখলে ছিল। অনেক জায়গা অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করতে হয়েছে। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে এসব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে আসতে হয়েছে।

উদ্বোধনকালে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব, ঝুলন দাশ, অসীম বড়ুয়া, সুদীপ বসাক ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পাঠ্য বইয়ে থাকবে ‘উৎপাদনশীলতার ধারণা’

পাঠ্য বইয়ে থাকবে ‘উৎপাদনশীলতার ধারণা’
জাতীয় উৎপাদনশীলতা কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

এসএসসি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে ‘উৎপাদনশীলতার ধারণা’ শীর্ষক অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

উৎপাদনশীলতার উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের জাতীয় শিক্ষা কারিক্যুলামে এ অধ্যায় সংযোজন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় উৎপাদনশীলতা কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এ লক্ষ্যে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) প্রণীত খসড়া কনটেন্ট ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম, বিএসইসির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বিএসএফআইসি’র চেয়ারম্যান অজিত কুমার পাল এফসিএ, এনপিও পরিচালক এস.এম আশরাফুজ্জামান, বিসিআইসি, নাসিব, বিইএফ, বিজেএমসি, এমসিসিআই, এফবিসিসিআইসহ কমিটি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ট্রেডবডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় তৃণমূল পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রয়াস জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানায় শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, জেলা পর্যায়ে স্থাপিত বিসিক শিল্পনগরীতে উৎপাদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, ট্রেডবডিগুলোর সাথে এনপিও’র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় আলোচনায় স্থান পায়।

সভায় ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড এর আওতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। একই প্রতিষ্ঠান যাতে বার বার এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত না হয়, সে লক্ষ্যে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের এর জন্য আবেদনে আগ্রহী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে এনপিওকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবেদনের ফরম সরলীকরণের ব্যবস্থা নিতেও এনপিও’র দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোর অপচয় ও অদক্ষতা দূরীকরণে উৎপাদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ জোরদারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সঙ্গে চিনিকলগুলোর রিকভারির হার বাড়াতে উন্নত ইক্ষুজাত উদ্ভাবন এবং মাঠ পর্যায়ে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন ট্রেড বডির সাথে এনপিও’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। খুব শিগগিরই বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস্ অ্যান্ড ফুট ওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এর আলোকে এনপিও থেকে সংশ্লিষ্ট ট্রেড বডির সদস্যদের নিজ নিজ শিল্প কারখানায় উৎপাদনশীলতা বাড়াতে স্বল্প খরচে আন্তর্জাতিকমানের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সার্ভিস দেওয়া হবে।

সভায় শিল্পসচিব বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো দীর্ঘদিন ধরে লোকসান গুণলেও এগুলোকে লাভজনক করার সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে লোকসানি হওয়ার পেছনে কারণগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। এর আলোকে আসন্ন মাড়াই মওসুমের জন্য কার্যকর কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আসন্ন মাড়াই মওসুমেই চিনি শিল্পের ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাবে।

চিনিকলগুলোর পাশাপাশি বিসিআইসি এবং বিএসইসিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কারখানাগুলোতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও লিকেজ দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন শিল্পসচিব।

সহপাঠীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক

সহপাঠীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
প্রতীকী

সহপাঠী রাহাত চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ড. মোমেন শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকবার্তায় ড. মোমেন বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি যেন মরহুমের পরিবার, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজনেরা এই শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি পান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র