Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নান্দাইলে নদী থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

নান্দাইলে নদী থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের নান্দাইলে সুকাইজুড়ি নদী থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ মে) বিকেলে নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের উলুহাটি গ্রামের সুকাইজুড়ি নদী থেকে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করা হয়।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বার্তা২৪.কমকে জানান, বিকেলে নদীতে দু’টি নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ওসি আরও বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শিশু দু’টির জন্ম হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ অবৈধভাবে গর্ভপাত করিয়ে শিশু দু’টিকে নদীতে ফেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

পরোয়ানা জারি হলেই ডিআইজি মিজান গ্রেফতার হবেন

পরোয়ানা জারি হলেই ডিআইজি মিজান গ্রেফতার হবেন
সাংবাদিকদের মুখোমুখি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ছবি: বার্তা২৪.কম

সুনির্দিষ্ট গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেই সদ্য সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশে (কেআইবি) মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া সরকারি উচ্চপদস্থ কোনো কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেই সদ্য সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার করা হবে।'

তিনি বলেন, 'এর আগে যদি তিনি আত্মসমর্পণ করেন। তাহলে ভিন্ন কথা, যদি না করেন তাহলে আইনি প্রক্রিয়াই চলমান থাকবে।'

ডিআইজি মিজান দেশে আছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'তিনি দেশে নাই এরকম কোনো কিছু শুনি নাই। তারতো দেশেই থাকার কথা।'

উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার ১ শতাংশ

উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার ১ শতাংশ
কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

দেশে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার মাত্র এক শতাংশ বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের বেসিক স্যানিটেশন কাভারেজ প্রায় শতভাগ। উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার শতকরা মাত্র একভাগ।

মন্ত্রী আরো বলেন, স্যানিটেশনের সাফল্য পর্যালোচনাপূর্বক এ কথা বলা যায়—পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা।

বুধবার (২৬ জুন) হোটেল সোনারগাঁওয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সানিটেশনের ক্ষেত্রে আমরা যে সাফল্য অর্জন করেছি সেটি ভুলে গেলে চলবে না। স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন পূর্বশর্ত হলেও ল্যাট্রিন ব্যবহার, হাত ধোয়ার অভ্যাসসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যাভ্যাস মানুষের মধ্যে তৈরি হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561535514540.jpg
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আরো বলেন, পরিচ্ছন্ন নির্মল পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা। কিন্তু আবাসন স্যানিটেশনের পাশাপাশি যাতায়াত ব্যবস্থায় স্যানিটেশনে তেমন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। মানসম্মত মধ্যম আয়ের দেশের জন্য আগামীতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা। এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা। এটা দেশের গ্রাম বা মফস্বল শহরগুলোতে খুব বেশি সমস্যা না হলেও বড় বড় শহরকে ভাবিয়ে তুলেছে। আগামীতে এটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে। দেশের গ্রাম ও শহরাঞ্চলে ল্যাট্রিনে মানববর্জ্য পূর্ণ হলে তা উন্মুক্ত স্থান বা জলাশয়ে ফেলা হচ্ছে, এতে সুপেয় পানির উৎসসমূহ দূষিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক এ বিষয়গুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে আরো বেশি তৎপর হওয়া প্রয়োজন। যাতায়াত ব্যবস্থায় স্যানিটেশনের উন্নয়নের জন্য গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বা পাইলট প্রকল্প নেওয়া যেতে পারে, যেখানে আজকের কর্মশালার প্রতিবেদনটি প্ল্যানিং টুলস হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সরকারের পাশাপাশি আগ্রহী উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। এছাড়া, রেলপথ, নৌপথ ও সড়ক পথের কঠিন ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতা করবে মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, মন্ত্রণালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনস্বাস্থ প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র