Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চট্টগ্রামের পোর্ট কানেক্টিং রোড হবে বঙ্গবন্ধুর নামে

চট্টগ্রামের পোর্ট কানেক্টিং রোড হবে বঙ্গবন্ধুর নামে
সভায় অংশ নেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে খ্যাত পোর্ট কানেক্টিং রোডের নাম হবে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। আর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড হবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামে।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মিলনায়তনে চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদ এর ৪৬তম সাধারণ সভায় সবার সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

সভা সূত্র জানায়, চসিক সাধারণ সভায় নিমতলা থেকে অলংকার মোড় পর্যন্ত মোট ৫ দশমিক ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এবং ১২০ ফুট প্রস্থের পোর্ট কানেক্টিং (সংক্ষেপে-পিসি) সড়কের নাম হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সড়ক। আর বাদামতলী থেকে বড়পুল পর্যন্ত ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১২০ ফুট প্রস্থের আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের নাম দেওয়া হবে এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামে। এছাড়া পিসি রোড বড়পুল জংশনে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, পোর্ট কানেকটিং রোড বন্দরের সঙ্গে সারা দেশকে যুক্ত করেছে। এই সড়ক বন্দরের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। আর চট্টগ্রাম বন্দর হল দেশের অর্থনীতির প্রাণ। তাই সড়কটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে করার উদ্যোগ নিয়েছে চসিক। অপরদিকে, আগ্রাবাদ এক্সেস রোডটির নাম প্রয়াত জননেতা চসিকের তিন তিন বারের সফল মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামে করা হচ্ছে।

সিটি মেয়র বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রাম নগরী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অনেক অবদান। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি চট্টল প্রেমিক মানুষ। তিনি চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষকে মনে প্রাণে ভালোবাসতেন। এই প্রয়াত নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং চট্টগ্রামবাসীর জন্য সব সময় নিজেকে উজাড় করে দিয়ে গেছেন। প্রয়াত এই জননেতার স্মৃতি রক্ষায় কিছু করতে পারলে আমি মেয়র হিসেবে নিজেকে ধন্য মনে করব।

চসিক সচিব আবু সাহেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় চসিক প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ছাড়াও সব কাউন্সিলর এবং নগরীর সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র