Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

মাদক বিরোধী অভিযান

ছোট চালান বন্ধ, বেড়েছে ইয়াবার বড় চালান!

ছোট চালান বন্ধ, বেড়েছে ইয়াবার বড় চালান!
ছবি: সংগৃহীত
শাহরিয়ার হাসান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে শুরু হওয়া মাদক নির্মূল অভিযানের এক বছর পূর্ণ হয়েছে তিনদিন আগে। এ অভিযানে র‍্যাব- পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি বন্দুকযুদ্ধে ৩৬০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। উদ্ধার হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি পিস ইয়াবা। আত্মসমর্পণ করেছেন ১০২ জন প্রথম সারির মাদক ব্যবসায়ী।

এত কিছুর পরে, রাজধানীসহ সারা দেশে ইয়াবার ছোট ছোট চালানগুলোর হাত বদল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। মাদক বেচাকেনার পয়েন্টগুলোতে আর মিলছে না মাদক।

তবে উদ্বিগ্নের বিষয়, ছোট চালানগুলো বা ব্যবসায়ীদের বন্ধ করা গেলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে ইয়াবার বড় চালান। উদ্ধার হচ্ছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা।

রোববার (১৯ মে) একদিনেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে প্রায় তিন লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাছাড়া গত এপ্রিল মাসেই কক্সবাজারে ১২ লাখ পিস ইয়াবাসহ সারাদেশে ২৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‍্যাব-পুলিশ-বিজিবি-কোস্টগার্ড ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

চলতি এ বছরেই একাধিক বার ৮ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। এর ২-১ দিন পর পর লাখ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার হচ্ছে। যেখানে ১০-১৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা নেই বললেই চলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/20/1558327028513.jpg

সরেজমিনে রাজধানীর একাধিক মাদক স্পট ঘুরে দেখা যায়, সেখানে আর মাদক বিক্রি চলছে না। নিয়মিত যে মাদক বিরোধী অভিযান করছে পুলিশ, সেখানেও বেশি সংখ্যক মাদক কারবারি গ্রেফতার হচ্ছে না।

তবে এর মধ্যে স্থল, জল ও আকাশ পথ দিয়ে আসছে মাদক। সাম্প্রতিক সময়ে তিন দিক দিয়ে আসছে ইয়াবার বড় চালান। বড় এই চালানগুলো ধরা পড়লেও, ধরা পড়ছে না জড়িত মাদক ব্যবসায়ীরা। ফলে লাখ লাখ ইয়াবা চালানের নেপথ্যে জড়িতরা এখনোও অধরা থেকে যাচ্ছে।

এদিকে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের হিসাব বলছে, অভিযান এর শুরুর পর থেকে গত এক বছরে একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার অভিযানে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি পিস ইয়াবা ও ১০-১২ মণ হেরোইন উদ্ধার হয়েছে।

মাদকের ভয়াবহতা রোধে গত বছরের ১৫ মে থেকে অভিযান শুরু হয়ে, রোববার (১৯ মে) পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ৩৬০ জন মাদক ব্যবসায়ী।

তাদের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ১৭০ জন। র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ১০৭ জন। বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ১২ জন। বাকি ৭১ জন মাদক ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। 

এ পর্যন্ত ইয়াবার প্রবেশদ্বার খ্যাত টেকনাফ কক্সবাজার এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ৯৭ জন।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত আর গডফাদারদের আত্মসমর্পণের পরেও কেন টেকনাফ-কক্সবাজার দিয়ে ইয়াবার বড় বড় চালান আসছে জানতে চাইলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তারা বড় মাপের ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও এমন কারবারি রয়েছেন। যাদের আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, ‘এখনও ইয়াবা কারবারিরা আছে। যারা ইয়াবার চোরাচালান টিকিয়ে রেখেছে। তবে এটা সত্য মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আসা এখন অনেক কমে গেছে।’

একই বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মাদক এখন আর সহজলভ্য নয়। সব ব্যবসায়ী যে আইনের আওতায় এসেছে বিষয়টা এমন না। তবে এখন যারা মাদক বেচাকেনা করছে, তারা খুবই গোপনে কাজটি করছে।’

তিনি বলেন, এখনো কিছু বড় ব্যবসায়ীরা রয়েছে। যারা এই বড় চালানগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে মাদক নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর তৎপরতায় তারাও আইনের আওতায় আসবে। তখন মাদক নির্মূল হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

‘আমাকে ফাইন করুন’

‘আমাকে ফাইন করুন’
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও যদি পানি জমে থাকে, মিডিয়াতে যদি নিউজ আসে তাহলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছি, ওই কর্মকর্তাকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছি। আর যদি আমার অপরাধ থাকে আমাকে ফাইন করুন, আমি আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মেয়র। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন, ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার, মহিলা কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজী ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন,  আমরা প্রতিটি বাড়িতে চিরুনি অভিযান শুরু করছি। আমি বলেছি আমি আর আমার অফিস করতে চাই না। আমার গাড়িতেই আমি অফিস করব। এই কয়েক দিন গাড়িতেই অফিস করব।

তিনি বলেন, যেখানে জমা পানি, স্বচ্ছ পানি সেখানেই এডিস মশার জন্ম নেবে। রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা হবেই। তাই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার সিটি করপোরেশনে পানি জমে আছে, আমি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, “যদি আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও পানি জমে থাকে, যদি কোন নিউজ জানতে পারি। সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্বে তাকেই জরিমানা করতে বলেছি। তাকেও জেল দিতে বলেছি। দরকার পরলে মেয়রকেও ফাইন দিবা, জরিমানা দিবা। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই। সিটি করপোরেশনের যদি কোনও কাজের অবহেলা থাকে তাহলে তার দায়িত্ব মেয়রকে নিতে হবে।’’

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার
টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্র‌েফতারকৃত বাবা-ছেলে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় ব্যবসার চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর‌ে নগরীর শেরে বাংলা রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত ১৫ আগস্ট চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাবা ও দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী এম এ মাজেদ সরকার। গ্রেফতার হওয়া দু'জন হলেন মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুর রহমান ও তার বাবা আবদুল কাদের। মামলার অপর আসামি মাহমুদুরের ভাই আরিফুর ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

সিআইডির এসআই মধুসুধন বর্মণ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বাদী ও আসামিরা ২০১০ সাল থেকে অংশীদারি ব্যবসা শুরু করেন। তারা যৌথ হিসেবে লেনদেন করতেন। ৪/৫ মাস আগে আসামিরা ব্যাংক থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে বাদীকে বের করে দেন। এরপরে বাদী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র