Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রেস কাউন্সিলকে গতিশীল ও কার্যকর করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রেস কাউন্সিলকে গতিশীল ও কার্যকর করা হবে: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

অপেশাদার ও ভুঁইফোড় গণমাধ্যমের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় প্রেস কাউন্সিলকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেছেন, বর্তমান বাস্তবতায় টেলিভিশন এবং অনলাইন গণমাধ্যমের ব্যাপকতা অপরিসীম। কিন্তু অনেকেই সাংবাদিক কার্ড দিয়ে এ পেশার অমর্যাদা করছেন। প্রায় অনুষ্ঠানেই সাংবাদিকরা এ বিষয়ে মনোযোগ আর্কষণ করেন। এদের দৌরাত্ম্য কমাতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে কাজ করতে হবে। একইসাথে প্রেস কাউন্সিল যাতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত 'সাংবাদিকতার নীতিমালা, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও তথ্য অধিকার আইন অবহিতকরণ' শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, সংবাদ তৈরির মধ্য দিয়ে সমাজের তৃতীয় নয়ন উন্মোচনে কাজ করতে হবে। সরকারের ধারাবাহিতকায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের অবদান অনস্বীকার্য। আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন বিশ্বের অনেক উন্নত রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ। এ বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি নাগরিককে এক হয়ে কাজ করতে হবে। একজন সাংবাদিকের এ দায়িত্বের মাত্রা আরও বেশি। শুধু বস্তুগত উন্নয়ন নয়, রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে নিয়োজিত হতে হবে।

কর্মশালার শেষে সাংবাদিকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন তথ্যমন্ত্রী। প্রেস কাউন্সিলের বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. শাহ আলম সঞ্চালনা করেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামাল হোসেন কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে প্রেস কাউন্সিলের সদস্য মনজুরুল আহসান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

'ঠিকাদারদের চলমান সকল প্রজেক্টের হিসেব দিতে হবে'

'ঠিকাদারদের চলমান সকল প্রজেক্টের হিসেব দিতে হবে'
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম এ মান্নান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, 'যেসব ঠিকাদার সরকারি বিভিন্ন প্রজেক্ট পান বা নেন, তাদের প্রান্তিক পর্যায়ে সকল শ্রেণির নাগরিককে প্রজেক্টের সকল হিসেব দিতে হবে'।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় বিষয়ক পাবলিক-প্রাইভেট স্টেকহোল্ডারস কমিটির (পিপিএসসি) ১৩ তম সভায় এ কথা বলেন মন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সরকারের নীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী চান, জনগণের কল্যাণে জনগণের অর্থ যেন মানুষের ও দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হয়। সরকারি ক্রয় বিষয়ক পাবলিক-প্রাইভেট স্টেকহোল্ডার কমিটির মূল কাজগুলো হলো- সরকারি প্রজেক্টে ঠিকাদারদের কাজের কোথাও কোন গ্যাপ আছে কিনা সেসব দেখা এবং কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট আকারে প্রতিবেদন দেওয়া।'

তিনি আরও বলেন, 'যদি এই সংগঠনটি সরকারি ক্রয় মনিটরিং যথাযথভাবে করতে পারে। তাহলে সরকারি প্রজেক্ট পাওয়া ঠিকাদাররা কাজে খারাপ জিনিস ব্যবহার করতে পারবে না এবং জনগণের কাছে সকল ধরনের হিসেব দিতে বাধ্য হবে। তখন কোনো প্রজেক্টের কাজই নিম্নমানের হবে না। তাহলে আর পত্রিকায় আসবে না রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ব্ল্যাকলিস্টেড যেসব ঠিকাদার আছে তারা যেন নতুন কোনো প্রজেক্ট না পাই সে ব্যাপারেও আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।'

পিপিএসসির উন্মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, 'প্রান্তিক পর্যায়ে সরকারি যেসব কাজ চলছে সেগুলোর কোয়ালিটি দেখার জন্য সরকারিভাবে কমিটি করে দিলে তারা সেটা মনিটর করতে পারে এবং মানসম্মত কাজ পাওয়া যায়।'

তাছাড়া, অনেক জায়গা আছে যেখানে ইন্টারনেট না থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারে না ফলে সেখানকার মানুষজন অভিযোগ জানাতে পারেন না। তাই একটা হট লাইন নাম্বারের ব্যবস্থা করা হলে সব শ্রেণির মানুষ যেকোনো প্রজেক্টর অনিয়মের কথা জানাতে পারবেন।

সরকারি ক্রয় বিষয়ক পাবলিক-প্রাইভেট স্টেকহোন্ডার কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন- এই কমিটির সভাপতি সিপিটিইডর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলী নূর, আইএমই বিভাগের সচিব আবুল মনসুর মো ফয়জুল্লাহ প্রমুখ। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী 
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্র্যান্ড নিউ তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’/ছবি: সংগৃহীত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্র্যান্ড নিউ তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উড়োজাহাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট)।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বেলা ১১টার দিকে উড়োজাহাজটির উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বের দরবারে বিমানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পরিচিতি পাবে। তিনি এ সময় আমদানি-রফতানি বাড়াতে দুটি কার্গো উড়োজাহাজ কেনার কথা জানান।

গত ২৫ জুলাই বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত গাঙচিল দেশে আসে। এ উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমানের বহরে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫টি। সর্বশেষ (চতুর্থ) ড্রিমলাইনারটি বিমান বহরে যুক্ত হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে।

গাঙচিল-এ আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড সুবিধা এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরমদায়কভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে ভ্রমণ করতে পারবেন। উড়োজাহাজটিতে যাত্রীরা অন্যান্য আধুনিক সুবিধাসহ ইন্টারনেট ও ফোন কল করার সুবিধাও পাবেন। 

২০০৮ সালে বিমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি ব্র্যান্ড নিউ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি করে। ইতোমধ্যে চারটি নতুন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দুটি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও দুটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হয়েছে।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র