Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

চট্টগ্রামে সবজির দাম কমেছে, গরুর মাংস চড়া

চট্টগ্রামে সবজির দাম কমেছে, গরুর মাংস চড়া
চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেইটের কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রি করছেন বিক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে সবজির দাম কমে আসায় স্বস্তি বিরাজ করছে চট্টগ্রাম নগরীর ক্রেতাদের মাঝে। তবে বেঁধে দেওয়া দামের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত দামে গরুর মাংস বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (১৭ মে) সকালে চট্টগ্রামের অভিজাত কাজীর দেউড়ি, চকবাজার ও দুই নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে দামের এমন চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, একদিনের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা কমে এসেছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, করলা ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558091871906.jpg

পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, কাঁচা কলা ২৫ টাকা, লেবুর হালির ২০, কচুর লতি ৪০ টাকায়। শাকের মধ্যে পুঁইশাক প্রতি আঁটি ২৫ টাকা, ডাটা শাক ২০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম স্বাভাবিক থাকায় খুশি ক্রেতারা। মোহাম্মদ নাজির হোসেন নামের এক ক্রেতা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত সবজির দাম আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মাঝে রয়েছে। মাছ আর মাংসের দাম ক্রমেই বাড়ছে, এখানে কিছুটা তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।’

এদিকে সরকারিভাবে বেঁধে দেওয়া দামের থেকে বেশি দামে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি গরু মাংস ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অথচ মূল্য তালিকায় গরুর মাংসের দাম ৫২৫ থেকে ৫৫০ টাকা। অপরদিকে খাসির মাংস ৮৫০, ব্রয়লার মুরগি ১৫০, সোনালি ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558091900858.jpg

জানতে চাইলে দুই নম্বর গেইটের কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আব্দুর রহিম বার্তা২৪.কম-কে জানান, ‘নির্ধারিত দামে গরুর মাংস বিক্রি করা সম্ভব না, এতে অনেক লোকসান গুণতে হবে। এজন্য বাড়তি দামেই গরু মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।’

আর মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা, বোয়াল, মাগুর ৬০০ টাকা, শিং ৮০০ টাকা, ইলিশ ১২০০ টাকা, দেশি কই ৩৫০ টাকা, চাষের ২৫০ টাকা, পোয়া ৬০০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: প্রতীকী

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ধানের বীজ কেনাবেচা নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে সোহেল রানা (৩০) নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের জামিরা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল জামিরা গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহত ওই কৃষকের বাবা আনাসার আলী বাদী হয়ে সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে বেলপুকুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাজশাহীর বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, রোববার সন্ধ্যায় ধানের বীজ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাইফুল ইসলামের সঙ্গে সোহেল রানার কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরেই ওইদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে সোহেল রানাকে একা পেয়ে সাইফুল ইসলাম ও তার লোকজন মিলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।

পরে সোহেল রানার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের ফারুক হোসেন ও রাজিউল ইসলাম নামে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদেরকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

থাই পেয়ারার সঙ্গে মিশ্র ফল চাষে লাভবান আব্দুল লতিফ

থাই পেয়ারার সঙ্গে মিশ্র ফল চাষে লাভবান আব্দুল লতিফ
নিজের তৈরি পেয়ারার বাগানে আব্দুল লতিফ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম গ্রাম। সেই গ্রামের হতদরিদ্র আব্দুল লতিফ চাষাবাদের মাধ্যমে ভাগ্যকে জয় করে নিয়েছেন। প্রথমে থাই পেয়ারা দিয়ে শুরু করলেও এখন রয়েছে তার মাল্টা, কমলা, থাই কুল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের বাগান। আব্দুল লতিফকে দেখে তার গ্রামের অনেকেই গড়ে তুলছেন থাই পেয়ারার সাথে মিশ্র ফলের বাগান।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে সঙ্গে কথা হয় তার জীবন পাল্টে ফেলার গল্প নিয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566201147908.jpg

লতিফ জানান, তিন বছর আগে ৪০০ থাই পেয়ারার চারা রংপুরের হর্টিকালচার নার্সারি থেকে ১২ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এনে তার নিজের বসতভিটার ৬০ শতক জমিতে বাগান করেন। প্রথম বছরে গাছ বড় হতে সময় লাগায় পেয়ারা ধরেনি। পরের বছর ২০১৮ সালে গাছে পেয়ারা ধরে। সে বছর ১১০ মণ পেয়ারা এক লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। চলতি বছর ২০১৯ সালে ২২০ মণ পেয়ারা ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

লতিফ এখন পেয়ারা বাগানের পাশাপাশি গড়ে তুলছেন মাল্টা, কমলা, থাই কুল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের মিশ্র বাগান। তাকে অনুসরণ করে ঐ এলাকার অনেকেই এগিয়ে আসছেন ফল চাষে।

পেয়ারা চাষি আব্দুল লতিফ আরও জানান, তার বাগানে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে নিজের তৈরি ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করেন। তাই ফলন যেমন ভালো হয় তেমনি সুস্বাদু হওয়ায় তার বাগানে উৎপাদিত পেয়ারার বেশ চাহিদা বাজারে রয়েছে বলে তিনি জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566201169008.jpg

তিনি আরও জানান, আমি পেয়ারা চাষে সফলতা পেয়েছি। যদি কোনও কৃষক পেয়ারা চাষে উৎসাহিত হয়ে আমার কাছে আসে তাহলে আমি তাকে সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করব।

আব্দুল লতিফকে অনুসরণকারী কে এম রমজান আলী ও রফিকুল ইসলাম জানান, সবজি জাতীয় ফসলের চেয়ে কম খরচে থাই পেয়ারা চাষ করা যায়। এতে বেশি লাভ হওয়ায় পেয়ারার বাগান আমরাও তৈরি করছি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, কুড়িগ্রামের মাটি থাই পেয়ারাসহ মিশ্র ফল চাষের উপযোগী হওয়ায় কৃষি বিভাগ থাই পেয়ারার পাশাপাশি মিশ্র ফল বাগান তৈরি করতে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র