Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে ভুল টার্গেটে খুন হন রিকশা চালক রাজু

চট্টগ্রামে ভুল টার্গেটে খুন হন রিকশা চালক রাজু
সংবাদ সম্মেলন করে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

নগরীতে ১০ সদস্যের একটি গ্যাংয়ের ভুল টার্গেটে খুন হয়েছেন রাজু আহমেদ নামে এক রিকশা চালক।

বৃহস্প্রতিবার (১৬ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার ভোরে গ্যাংটির সদস্যরা মফিজ নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করতে গিয়ে ভুল করে রাজুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। নগরের ডাবলমুরিং থানার হাজীপাড়ার ওমর আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও জানান, ১০ সদস্যের কিশোর গ্যাংটির বড় ভাই হচ্ছেন অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী ছগির হোসেন। গত ২৭ এপ্রিল একটি বন্দুক, দু’টি কার্তুজ ও ৫১০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হাতে গ্রেফতার হন তিনি। মুফিজ নামে এক ব্যক্তি তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে বলে গ্যাংয়ের সদস্যদের জানানো হয় এবং এর প্রতিশোধ নিতে বলা হয়। ফলে গ্যাংয়ের সদস্যরা মফিজ মনে করে রাজুকে হত্যা করেন। ওই গ্যাংয়ের ১০ সদস্যের মধ্যে আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা জিজ্ঞাসাবাদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

CTG
অপরাধী গ্যাংটির সাত সদস্য, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন-শিমুল দাস (২০), তানভির হোসেন সিফাত (১৮), সুজন (১৮), রাকিব (১৮), নুর নবী (১৮), মেহেদী হাসান রুবেল (১৮), ওসমান হায়দার কিরণ (১৮), গ্যাংয়ের প্রধান ছগিরের স্ত্রী সেলিনা আক্তার সেলিনা (৩০)।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র