Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে বাজার মনিটরিং, শহরে আছে গ্রামে নেই

চট্টগ্রামে বাজার মনিটরিং, শহরে আছে গ্রামে নেই
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভেজাল প্রতিরোধে রমজান শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে জেলা প্রশাসনের দল প্রতিদিনই বের হচ্ছেন বাজার মনিটরিং করতে। তবে নগরীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হলেও উপজেলা পর্যায়ে নেই কোনো অভিযান।

বাজার দর নিয়ন্ত্রণ ও ভেজালমুক্ত খাদ্যদ্রব্য বাজারজাতকরণ, বিপণনের ক্ষেত্রে শহরের মতো গ্রামেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চান স্থানীয়রা।

জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ১৫টি উপজেলা। নগরীতে অভিযান চললেও উপজেলা পর্যায়ে কোনো অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। ব্যতিক্রম শুধু চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা। এ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন। তিনি নকলপণ্য, ভেজাল ঘি, জিলাপি বানানোর রং, কলার মূল্য বৃদ্ধির জন্য জরিমানা আদায় ও সাজা দিয়েছেন।

এদিকে উত্তর চট্টগ্রামের চট্টগ্রামের মিরসরাই, ফটিকছড়ি, সন্দীপ, সীতাকুন্ড, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালি, পটিয়া, সাতকানিয়া, লোহাগড়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়নি।

এ উপজেলাগুলো সরকারি হিসেবে বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হলেও বাড়তি দাম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এছাড়া ভেজাল পণ্য বিক্রি হচ্ছে অহরহ।

রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল বার্তা২৪কে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনা হচ্ছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা। অন্য উপজেলার কথা আমি বলতে পারবো না। কিন্তু রাউজান উপজেলায় প্রত্যেক বাজারে মূল তালিকা  টাঙানো আছে। কেউ এদিক ওদিক করতে পারবে না। সব নিয়মের মধ্যে চলছে। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের প্রয়োজন হচ্ছে না।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বার্তা২৪কে বলেন, আমি গিয়ে খোজঁখবর নিয়েছি। ফটিকছড়ি ছোলা, কলা এবং মাছ মাংসের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যেই  বিক্রি হচ্ছে।

তিনি বলেন, উপজেলা অনেক হাটবাজারে রমজান মাসের ১৫দিন আগে গিয়ে মনিটরিং করেছি। যাতে রমজানে বাজার দাম বৃদ্ধি করতে না পারে।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু আসলাম বার্তা২৪কে বলেন, আমরা প্রায় প্রতিদিন বাজার মনিটরিংয়ে বের হই।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন বার্তা২৪কে বলেন, প্রত্যেকটি উপজেলায় প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে বাজার দরের তালিকাও পাঠানো হয়। আমরা বাজার দরের ঊর্ধ্বগতি  ঠেকাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, অনেক উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হলেও হয়ত মিডিয়া কাভারেজ কম পায় তাই প্রচার তেমন হচ্ছে না।

ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ক্ষেত্রে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুবই অ্যাকটিভ। তাঁর মতো আরও পাঁচজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পেলে আমি আরও বেশী কাজ করতে পারতাম।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র