Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিরতির পর আবারো বিদেশে ঠোঁট রাঙাচ্ছে খুলনার পান

বিরতির পর আবারো বিদেশে ঠোঁট রাঙাচ্ছে খুলনার পান
খুলনায় পানের বরজে কাজ করছেন এক পানচাষি/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

অনুষ্ঠানের আতিথেয়তায় পানের জুড়ি নেই। অনেকেই আবার নিয়মিত পানের স্বাদ নেওয়ার অভ্যাসও গড়ে তুলেছেন। দেশের সীমানা পেরিয়ে অনেক আগে থেকেই বিদেশে ঠোঁট রাঙাচ্ছে খুলনার পান। তবে খুলনার পানে ব্যাকটেরিয়া পাওয়ার কারণে গত প্রায় এক বছর এ অঞ্চল থেকে পান রফতানি বন্ধ ছিল। এক বছর বিরতির পরে আবারো খুলনাঞ্চল থেকে পান রফতানি হচ্ছে।

সূত্রমতে, ঝাল মিষ্টির পানের কারণে খুলনা অঞ্চলের পানের বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। খুলনায় বিভিন্ন ফসল চাষের পাশাপাশি অর্থকরী ফসল হিসেবে পান চাষ অনেকটাই জনপ্রিয় ও লাভজনক হয়ে উঠেছে। তবে গত বছর এ অঞ্চলের পানে ক্ষতিকর ‘সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া’ পাওয়ার পর থেকে পান রফতানিপ্তানি বন্ধ ছিলো। সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া মূলত পান ধোয়ার পানি থেকে পানের সাথে মেশে। পানের বরজ থেকে পান সংগ্রহের পর তা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয়, তাতেই সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557913217168.jpg

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলনার রূপসা, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, ফুলতলা, দাকোপসহ আরও বেশ কিছু অঞ্চলে পান চাষ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে এ অঞ্চলে বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে পান চাষ হচ্ছে। খুলনায় যেসব পান চাষ করা হয় সেগুলো হলো, ঝাল পান, বেনারসী পান, ছাচি পান, মিষ্টি পান, হাইব্রিড পান, মন্টু পান, বাবনা পান ও গেছো পান। তবে ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে জানেন না খুলনার পান চাষিরা।

দিঘলিয়ার বারাকপুরের পান চাষি মুরাদ শেখ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা বরজ থেকে পান সংগ্রহ করে তা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে রাখি। পরে শহরে পাইকারদের কাছে পান পৌঁছে দেই। পাইকাররা আবার এজেন্ট মারফত এয়ারপোর্টে পান পাঠান। এজেন্টরা এয়ারপোর্টে কোল্ড স্টোরে পান সংরক্ষণ করে। পরে সেখান থেকে পান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যায়। কিন্তু ভাইরাসের কথা জানি না।‘

তিনি বলেন, ‘একেক সিজনে আমি দুই বিঘার বরজ থেকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করি। পান চাষে লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে পান চাষির সংখ্যা বাড়ছে। কৃষি অফিস থেকে কখনো সাহায্য পাই না, কোনো ট্রেনিং পাইনি। মাঝে মাঝে লোক আসে, কী নিয়ে সার্ভে করে চলে যায়।’

পানচাষি কৃষ্ণপদ দে বলেন, ‘খুলনা থেকে দুবাই, সৌদি আরব, কুয়েতসহ আরও অনেক দেশে পান যায়।  কিন্তু সরকারি সহযোগিতা পেলে আরও ভালো পানের পান তৈরি করতে পারতাম।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557913246558.jpg

কৃষি অধিদফতরের তথ্য মতে, খুলনায় ৭৯০ দশমিক ৩৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়। এ অঞ্চলে পান চাষির সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৬৩ জন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খুলনার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পঙ্কজ কান্তি মজুমদার বলেন, ‘আমরা অঞ্চল ভিত্তিক পানচাষিদের সতর্কতামূলক ট্রেনিং দিচ্ছি। পান ধোয়ার পানি থেকে যাতে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া পানের সাথে না মিশতে পারে, এজন্য আমরা সতর্ক করছি।’

উল্লেখ্য, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে খুলনার পান সরবরাহ করা হচ্ছে দেশে-বিদেশে। দুবাই, সৌদি আরব, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেই খুলনার পান বেশ জনপ্রিয়। পান চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষিরা। খুলনার বেশ কিছু অঞ্চলে পান চাষের কারণে বেকারত্ব দূর হচ্ছে। তবে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পান চাষে আরও বেশি আগ্রহী হবেন চাষিরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এএসআই’র মৃত্যু

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এএসআই’র মৃত্যু
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা, ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাই মারা গেছেন। সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় কর্মরত ছিলেন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এএসআই আব্দুল হাই বিকেলে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে হালুয়াঘাট থেকে ময়মনসিংহ শহরে আসছিলেন। এসময় তারাকান্দা থানার রুপচন্দ্রপুর নামক স্থানে একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে স্ত্রীসহ এএসআই আব্দুল হাই গুরুতর আহত হন।

পরে তাদের দু’জনকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, নিহত এএসআই কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার টেওরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ঠাকুরের ছেলে। তিনি ২০০১ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। প্রথমে কনস্টেবল ও পরে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী উপ-পরিদর্শক হিসেবে নেত্রকোনার কেন্দুয়া থাকায় দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় যোগদান করেছিলেন।

বিমানবন্দর এলাকা থেকে নারীকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার!

বিমানবন্দর এলাকা থেকে নারীকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার!
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক নারীকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক মুক্তারুজ্জামান জানান, সোমবার (২২ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে পদ্মা ওয়েলের সামনে থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তার বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

তিনি বলেন, ঢামেকে ওই নারীর চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র