Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুর সিটি বাস সার্ভিস

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুর সিটি বাস সার্ভিস
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) প্রতিষ্ঠার সাড়ে ছয় বছর পর চালু হতে যাচ্ছে সিটি সার্ভিস বাস। এজন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) অত্যাধুনিক দু’টি দ্বিতল বাস আনা হয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা।

বুধবার (১৫ মে) বিআরটিসির রংপুর ডিপোর ম্যানেজার (অপারেশন) ওমর ফারুক মেহেদী বার্তা২৪.কমকে জানান, 'ভারত থেকে এনে ঢাকার জয়দেবপুরে রাখা বাস দু’টি গত ৬ ও ৭ মে সড়ক পথে রংপুর ডিপোতে আনা হয়েছে। এ দু’টি বাস নগরীর চারলেন সড়কের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করবে।'

রংপুর মহানগরসহ দু’টি রুটে এই বাসগুলো চলাচল করবে। এজন্য রুটও নির্ধারণ করা হয়েছে।

একটি বাস পাগলাপীর থেকে হাজিরহাট, সিও বাজার, মেডিকেল মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, কাচারী বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, শাপলা চত্বর, কারমাইকেল কলেজ রোড, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, তাজহাট, মাহিগঞ্জ সাতমাথ ও কাউনিয়া তিস্তা ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত চলাচল করবে।

অপর বাসটি পাগলাপীর থেকে হাজিরহাট, সিও বাজার, মেডিকেল মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, কাচারী বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, শাপলা চত্তর, কারমাইকেল কলেজ রোড, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, মর্ডাণ মোড়, পায়রাবন্দ ও পীরগঞ্জ পর্যন্ত চলাচল করবে।

এদিকে দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারো সিটি সার্ভিস চালুর উদ্যোগে খুশি নগরবাসী। বাস দুটি চালু করতে খুব শিগগিরই রসিকের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানান বিআরটিসির রংপুর ডিপো কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রংপুর-সৈয়দপুর রুটে দ্বিতল বাস চলাচল করতো। কিন্তু তিন মাস পর স্থানীয় মোটর মালিক ও শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। এর দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারো রংপুরে চালু হতে যাচ্ছে সিটি বাস সার্ভিস।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপসা সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম পেয়েছে দুদক

রূপসা সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম পেয়েছে দুদক
রূপসা সেতুর টোল আদায় নিয়ে দুদকের অভিযান/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

খুলনার রূপসা (খানজাহান আলী) সেতুর টোল আদায় নিয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এই অভিযান চালান।

অভিযানে ট্রাকের টোল আদায়ে অনিয়মের প্রমাণ পান তারা। এ ঘটনায় টোল আদায়কারী কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে দুদক।

দুদক খুলনার উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান জানান, সেতু পারাপারের ক্ষেত্রে বড় ট্রাকের টোল (খাজনা) ২৭৫ টাকা। কিন্তু ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা ২৫০ টাকা নিয়ে মাঝারি ট্রাকের রশিদ কাটতো। মাঝারি ট্রাকের টোল ১৮০ টাকা। বাকি ৭০ টাকা তারা আত্মসাৎ করতো। এভাবে প্রতিদিন ২২০/২৫০টি ট্রাকের টোলের টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতো আদায়কারীরা।

Rupsha Bridge

তিনি বলেন, প্রথমে আমরা সেতুর কাছে দাঁড়িয়ে ট্রাকের রশিদ যাচাই করেছি। কিন্তু কোনো ট্রাকচালকের কাছে রশিদ পাওয়া যায়নি। চালকরা বড় ট্রাকের জন্য কেউ ২৫০ টাকা, কেউ ২৪০ টাকা করে দিয়েছে বলে স্বীকার করেন। অথচ বড় ট্রাকের টোল ২৭৫ টাকা। টাকা কম দেওয়ার কারণে তাদের রশিদ দেওয়া হয় না বলে চালকরা জানান। পরে টোলঘরে অভিযান চালালে দেখা যায়- সেখানে ছোট ট্রাকের টোল কাটা হয়েছে। সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখা যায়- প্রতিটি বড় ট্রাকের টোল মাঝারি ট্রাক হিসেবে আদায় করা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তা জানান, এই অনিয়মের সঙ্গে সবাই জড়িত। আটক করলে সবাইকে করতে হবে, সেতুতে গাড়ি পারাপার বন্ধ হয়ে যাবে। তাই কাউকে আটক করা হয়নি। তবে বিষয়টি লিখিতভাবে সড়ক বিভাগকে জানানো হয়েছে।

জাহালম কাণ্ডে প্রতিবেদন নিয়ে দুদকের সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

জাহালম কাণ্ডে প্রতিবেদন নিয়ে দুদকের সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট
জাহালম

ভুল মামলার আসামি পাটকল শ্রমিক জাহালমের সাড়ে তিনবছর কারাভোগের ঘটনায় আভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে দুদককে এ বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১১ জুলাই জাহালমের কারাভোগের ঘটনা তদন্ত করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। ওই প্রতিবেদনে দুদক কর্মকর্তাদের গাফিলতি, ব্যাংক কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও অর্থআত্মসাতের ঘটনায় একটি চক্রের জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে।

মঙ্গলবার শুনানিতে আদালত বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ব্যাংকের যারা ছিল তারা যাতে টাকা নিয়ে পালিয়ে না যায়। সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন মো. খুরশীদ আলম খান, ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আসাদুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, জাহালমের ঘটনায় দুদকের আভ্যন্তরীন একটি তদন্ত হয়েছিল। দুদকের পরিচালক (আইন) আবুল হাসনাত মো. আব্দুল ওয়াদুদ তদন্ত করে একটা প্রতিবেদন দিয়েছেন। গত ১১ জুলাই রিপোর্টটি আমরা আদালতে দাখিল করেছি। তদন্ত প্রতিবেদনটি আদালতে পড়েছি। আদালত বলেছেন, দুদকের একজন কর্মকর্তা এ ধরনের একটি তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন এটা খুবই সমর্থনযোগ্য।

তিনি বলেন, যেহেতু এটা দুদকের একটি আভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন। কাজেই এ প্রতিবেদন দুদকের সচিবের কাছে গত ৩০ মে তদন্তকারি জমা দিয়েছেন। এখন এ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে। আদালত বলেছেন, যেহেতু কমিশনের কাছে উপস্থাপন হচ্ছে। আমরা দেখতে চাই কমিশন কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত জানতে আগামী ২১ আগস্ট এ মামলার পবরর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন যদি কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তাহলে সেটি ওই দিন আদালতকে জানাতে বলেছেন।

গত ২৭ জুন জাহালমের ঘটনায় দুদকের তদন্ত কমিটিকে ১১ জুলাই আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ১৩ মে জাহালমের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির ৩৩ মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র, সম্পূরক অভিযোগপত্র এবং ব্যাংকের নথি দাখিল করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

জাহালমের কারাবাসের বিষয়টি গত ২৮ জানুয়ারি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত। দৈনিক প্রথম আলোতে ‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন তিনি।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২৬ মামলা থেকে জাহালমকে অব্যাহতি দিয়ে মুক্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ আদেশের পর মুক্তি পায় তিন বছরের বেশি কারাবাস করা জাহালম। বিনা অপরাধে কারাভোগ করায় তাকে কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না এ রুলের শুনানি চলছে হাইকোর্টে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র