Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাজশাহীতে আম পাড়ার উৎসব শুরু

রাজশাহীতে আম পাড়ার উৎসব শুরু
জ্যৈষ্ঠ মাসের ১ তারিখ থেকে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় রাজশাহীর আম। কেবল দেশেই নয়, বহির্বিশ্বেও রফতানি হয় এ অঞ্চলের বিখ্যাত আম। ফলে স্বাদ নিতে রসনাবিলাসীরা যেকোনো মাধ্যমে সরাসরি পেতে চান রাজশাহীর আম।

জ্যৈষ্ঠ মাসের ১ তারিখ বুধবার (১৫ মে)। দেশে ফলের মৌসুম (মধুমাস) শুরু হয় এ মাসেই। মৌসুমের শুরুর দিনে রাজশাহীতে বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে আম পাড়ার উৎসব। আগামী দুই মাস এই অঞ্চলের চাষিরা মেতে থাকবেন এই উৎসব আমেজে।

এদিকে, রাজশাহীর রাসায়নিকমুক্ত আম খাওয়ার সুযোগ করে দিতে গত তিন বছর ধরে গাছ থেকে আম পাড়ার সময়সীমা বেঁধে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। গত ১২ মে এবারও বিভিন্ন জাতের আম পাড়ার সময় ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

রাজশাহীতে আম পাড়ার উৎসব শুরু

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- ১৫ মে থেকে বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে বাগানের আম পাড়তে শুরু করছেন মালিক ও ব্যবসায়ীরা। তবে সেটি দেশি জাতের গুটি আম। আগামী ২০ মে থেকে গোপালভোগ আম গাছ থেকে নামাতে পারবেন চাষিরা। এছাড়া হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত ২৮ মে, লক্ষ্মণভোগ ২৫ মে, ল্যাংড়া ৬ জুন, আম্রপালি ১৬ জুন, ফজলি ও সুরমা ফজলি ১৬ জুন এবং আশ্বিনা আম পাড়া যাবে ১ জুলাই থেকে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, চলতি বছর রাজশাহীতে ১৭ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। দুই লাখ ১৩ হাজার ৪২৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ১৩ মে রাতে হঠাৎ ঝড়ে জেলার বাঘা, চারঘাট, মোহনপুর, বানেশ্বর ও পুঠিয়ায় ব্যাপক হারে আম ঝরে পড়েছে। এতে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে চাষিদের।

রাজশাহীতে আম পাড়ার উৎসব শুরু

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে এবার গাছে মুকুল আসা শুরু হয়। মাঘের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মুকুল ফুটতে দেখা যায়। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গাছে বেশি মুকুল চোখে পড়েছে। তবে কয়েক দফা শিলাবৃষ্টি আর ঝড়ে কিছুটা ক্ষতি হলেও ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে আমের বাড়-বাড়ন্তও ভালো হয়েছে। তাই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তেমন কোনো সংশয় নেই।

তবে সংশয় কাটেনি আমচাষিদের মনে। তারা বলছেন, গাছে ভালো আম আছে, পরিপক্বও হয়েছে। দুই দিন আগের ঝড়ে কিছু আম পড়ে গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি শঙ্কা বাজারে ভালো দাম পাওয়া নিয়ে। সময় বেঁধে দেওয়ায় একসঙ্গে সব বাগান মালিক আম পাড়ায় বাজারে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যায়। এতে আমের বাজারদর নিম্নমুখী হয়।

রাজশাহীতে আম পাড়ার উৎসব শুরু

বাঘা উপজেলার মণিগ্রামের আমচাষি ও ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, জ্যৈষ্ঠ মাস পড়লে রাজশাহীতে ধীরে ধীরে আম পাকতে শুরু করে। কোনো আম আগে পেকে যায়, কোনোটা আবার পরে। তাই বিভিন্ন জাত ও নামের আম পর্যায়ক্রমে নামতে থাকে বাজারে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা মেনে নামানোয় গতবছর বাজারে প্রায় এক সঙ্গেই হাজির হয়েছিল সব জাতের আম। তবে এবার তেমনটি হবে না বলে আশা করি।

পুঠিয়া এলাকার আমচাষি জসিম উদ্দিন বলেন, গাছে পরিপক্ব করে আম নামালে আর কেমিক্যাল দিয়ে আম পাকাতে হয় না। প্রশাসনের নজরদারি থাকায় সবাই (আমচাষি) এখন গাছ থেকে পুষ্ট আম পাড়েন। তবে ঈদের আগে খুব বেশি আম পাড়বেন না চাষিরা।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র