Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

‘এসডিজির বাস্তবায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়’

‘এসডিজির বাস্তবায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়’
রংপুরে এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পরিচালক ও রংপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন মিঞা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় সরকার পরিচালক ও রংপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন মিঞা বলেছেন, ‘টেকসই উন্নয়ন চাইলে দেশের স্থানীয় পর্যায় থেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে স্থানীয়করণ ও অগ্রাধিকার নির্ণয়ের কোনো বিকল্প নেই।’

সোমবার (১৩ মে) দুপুরে রংপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল আমিন মিঞা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তির কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের লক্ষ্যমাত্রা, রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার এবং চাহিদার আলোকে এসডিজির সূচকের অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়ন করছে। সব দেশ অবশ্যই সব লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশও সেই দিক থেকে দীর্ঘমেয়াদী এই পরিকল্পনা সফলভাবে অর্জন ও এসডিজি বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায় থেকে কৌশলপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।’

রংপুর সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদিয়া সুমি সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি। অনুষ্ঠানে মূল প্রবদ্ধ উপস্থাপন করেন জোনাল সেটেল্টমেন্ট অফিসের চার্জ অফিসার মামুনুর রশিদ।

কর্মশালায় রংপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পেশাজীবী, গণমাধ্যমকর্মী, উন্নয়নকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে চালক-হেলপারের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে জানান, ট্রাকটি সম্ভবত উত্তরাঞ্চল থেকে আসছিলো। লেংরা বাজার এলাকায় আসার পর ময়মনসিংহ শহরগামী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ওসি আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন
জঙ্গি শাহীন। ছবি: সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ একটি দল। মঙ্গলবার (২৫ জুন) তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে জানিয়েছে- তারা স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ করত। কলকাতায় তারা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই বাংলার প্রশাসন এখন তৎপর।

কলকাতায় গ্রেফতার চার জঙ্গির মধ্যে তিনজনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে আল-আমিন ওরফে শাহীন (২৩) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ছেলে। শাহীনের বাবা পৌর এলাকার বুজরুক রাজারামপুর গ্রামের রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম।

শাহীন ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগও নেই বলে জানিয়েছেন তার মা।

শাহীনের মা সাহের বানু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গতবছরের (২০১৮ সাল) জুন মাসের দিকে শাহীনকে ধরতে বাড়িতে পুলিশ আসে। কিন্তু আমার ছেলে ওই সময় বাড়িতে ছিল না। পরে তারা শাহীনের মোবাইল নম্বর ও ছবি নিয়ে যায়।’

সাহের বানু বলেন, ‘পুলিশ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আমরা তাকে মোবাইলে যোগাযোগ করেও কোনো খোঁজ পাইনি। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার বন্ধু-বান্ধব বা যাদের সঙ্গে সে মিশত, তারাও কেউ শাহীনের খোঁজ দিতে পারেনি।’

শাহীনের মা জানান, তার ছেলে গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও গোদাগাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। পরে সে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়। নিখোঁজের সময় শাহীন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

শাহীনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৭ সালে রাজারামপুর গ্রামের আমিজুল ইসলাম রনিকে ক্রসফায়ারে দেয় পুলিশ। রনির সঙ্গে আমার ছেলে মিশত। তবে রনি এবং আমার ছেলে কোনো খারাপ কাজে জড়িত ছিল কিনা তা জানি না। রনি মারা যাওয়ার পর শাহীনও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এক বছর হল শাহীনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শাহীনকে গ্রেফতার করতে আমরা তার বাড়ি এবং ওই এলাকায় কয়েক দফা সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছি। তবে সে খুব চতুর। বড় কোনো পর্যায়ে তার যোগাযোগ ছিল। আগে থেকে সে সরে পড়ত।’

ওসি আরও বলেন, ‘গত এক বছর ধরে তার আর কোনো সন্ধান মিলছিল না। মূলত সে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) সে কলকাতায় গ্রেফতার হয় বলে শুনেছি।’

প্রসঙ্গত, ভারতের শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা থেকে মঙ্গলবার জিয়াউর রহমান ওরফে মহসিন এবং মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে আল-আমিন ওরফে শাহীন এবং রবিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য দুই বাংলাদেশি জঙ্গি জিয়াউর রহমানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং মামুনুর রশিদের বাড়ি রংপুরে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র