Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের ভোটার করা হবে জুনে, পাবেন স্মার্ট কার্ড

সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের ভোটার করা হবে জুনে, পাবেন স্মার্ট কার্ড
স্মার্ট কার্ড / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিঙ্গাপুরের প্রবাসীদের ভোটার করার মধ্য দিয়ে আগামি মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে প্রত্যেক প্রবাসীকেই স্মার্ট কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের।

প্রবাসে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা দেওয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সিঙ্গাপুরে শুধু এক হাজার জন বাংলাদেশির তথ্য নিবন্ধনের পরীক্ষামূলক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ দূতাবাস নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ ইসি সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে কমিশনে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুনের মাঝামাঝি সময়ে এ কাজের জন্য বাসাভাড়া নিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে জনবল, যন্ত্রপাতিসহ একটি কারিগরি টিম পাঠানো হবে। সব ঠিক থাকলে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাই প্রথম এ সুযোগ পাবেন।

সিঙ্গাপুরের পাইলট প্রকল্প সফল হলে এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ গত বুধবার (৮ মে) নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘সিঙ্গাপুরে প্রবাসীদের প্রথমে ভোটার করার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঈদের পরেই সেখানে একটি কারিগরি টিম পাঠানো হচ্ছে। শুরুতে সিঙ্গাপুরে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দূতাবাসে ১ হাজার জনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তী সময়ে তথ্য যাচাই করে তাদের ভোটার করা হবে।’

সেটি সফল হলে পরে সিঙ্গাপুরের সব প্রবাসীকে ভোটার করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে দূতাবাসে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের তথ্য নিবন্ধনের জন্যে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতিসহ ঈদের পরপরই টিম যাবে। কিন্তু প্রয়োজনীয় লোকবলের জন্য বাসাভাড়া পাওয়াও দুষ্কর। সব বিষয় বিবেচনা করে কাজ এগোবে। সেক্ষেত্রে পদ্ধতি চূড়ান্ত করে সার্বিক বিষয়ের সফলতার ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করছে।’

এ বিষয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি উইং) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের প্রবাসীদের ভোটার করার মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করব তাদের সবাইকে স্মার্টকার্ড দেওয়ার। সেখানে যে সংখ্যক প্রবাসী রয়েছে, তাদের সংখ্যা খুব বেশি না। আমরাদের প্রতি মাসে স্মার্ট কার্ড তৈরি হয় গড়ে ৪০ লাখ। ফলে সিঙ্গাপুরে যেই সংখ্যক প্রবাসী আছে তাদের কার্ড তৈরিতে একদিন সময় লাগবে। তবে এ বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলে আমরা ব্যবস্থা নেবে।

কেএম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের এপ্রিলে ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগ’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভার আয়োজন করে। সভায় প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভোটার করা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের সুপারিশ আসে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সপ্তদশ সভায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর পর তখনকার দুই নির্বাচন কমিশনার প্রবাসীদের ভোটার করার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বিদেশ সফর করেন। ২০১০ সালে ভোটার তালিকা আইন সংশোধন করা হয়, যেন বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি সুযোগ তৈরি হয়। এরপরও আট বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন। আর সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১ কোটি।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার
গাইবান্ধার উদ্দেশে যাত্রার পূর্বে ডেপুটি স্পিকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা থেকে- বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর একান্ত সাক্ষাৎকারে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

'আমার এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। কারণ সকলের ঘরেই কমবেশি খাবার আছে, কিন্তু রান্না করে খাবার ব্যবস্থা করার উপায় নাই।'

নিজের নির্বাচনী এলাকাসহ গোটা গাইবান্ধার বন্যা পরিস্থিতির বর্ণনা করতে গিয়ে গাইবান্ধায় যাওয়ার সময় আকাশ পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে তেঁজগাও বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার থেকে হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান ডেপুটি স্পিকার।

তার সঙ্গে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

গাইবান্ধার বন্যার্ত মানুষদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, 'গাইবান্ধার এবারের বন্যা পরিস্থিতি ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জেলা শহর সবসময় সুরক্ষিত থাকলেও এবার সেটাও নাই। কারণ পারি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এমনভাবে ভেঙে গেছে যার ফলে পুরো এলাকাটিই বন্যায় প্লাবিত।'

তিনি বলেন, 'আমার জেলায় দুর্গত মানুষদের ঘরে ঘরে খাবার আছে। তবে তারা খেতে পারছে না, রান্না করার অভাবে। শুকনো খাবারটাই এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন। আমি নিজ উদ্যোগে বগুড়া থেকে চিড়া সংগ্রহ করেছি।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে অনুরোধ করেছি, জিআর নগদ অর্থের পরিবর্তে ওই অর্থ দিয়ে যদি শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া কিনে দেয়া হয় তাহলে বন্যার্তদের জন্যে কিছুটা হলেও উপকার হবে।'

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
র‌্যালিতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপটা বেশি। এই ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সচেতনতা র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563514435926.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। গেল বছরের আগ পর্যন্ত এটি নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার চিন্তার বিষয় আছে। আর তাই এই এডিস মশা নিধনে সরকারের যে সকল প্রচেষ্টা ছিল। সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে। আমাদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। তাহলেই এই রোগ ও মশা থেকে আমরা মুক্তি পাব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র