Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

ক্র‌েতা সেজে সুপারশপে অভিযান, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

ক্র‌েতা সেজে সুপারশপে অভিযান, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা
ক্র‌েতা সেজে সুপারশপে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনায় ক্রেতা সেজে সুপারশপে অভিযান চালিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানে সেফ এন সেভকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

শনিবার (১১ মে) দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা নগরীর সুপারশপ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান ও রাশেদুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ক্রেতার বেশে সুপারশপ বাজারে প্রবেশ করেন। পরে বিভিন্ন পন্যের দাম ও মান পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় নগরীর নিউ মার্কেটের পাশে সেফ এন সেভে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, পন্যের মূল্য বেশি, মাংসের দাম বেশি রাখা, মূল্য তালিকা না থাকা ও পণ্যের মান ঠিক না থাকায় তাৎক্ষণিক ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557590085412.jpg

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের আওতায় সেফ এন সেভে অভিযান চালানো হয়েছে। ক্রেতার বেশে এ সুপারশপে গিয়ে আমরা দেখতে পাই, কসমেটিকস ও বিভিন্ন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, পণ্যের মূল্য বেশি রাখা হচ্ছে, সরকারি নিয়মের বাইরে মাংসের দাম ৭০০টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, কোনো পণ্যের মূল্য তালিকার নেই। তাছাড়া এ সুপারশপের তৃতীয় তলায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মিষ্টি তৈরি করা হয়। এসব কারণে সেফ এন সেভকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাদেরকে সতর্কও করা হয়েছে। পুনরায় একই অপরাধ করলে ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সঠিকভাবে নিয়ম মেনে ব্যবসা না করলে ব্যবসায়ীদের আরও কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। সাধারণ ক্রেতাদেরকেও এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

এ মোবাইল কোর্টের অভিযান পুরো রমজান মাস জুড়ে চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অভিযান চলাকালে খুলনা আর্মড পুলিশের একটি দল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সহযোগিতা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

‘দেশের মানুষ ভালো থাকলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে’

‘দেশের মানুষ ভালো থাকলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে’
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ছবি: বার্তা২৪

দেশের মানুষ ভালো থাকলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। আমরা আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। আর দেশের মানুষ ভালো থাকলে তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।’

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ভবনের অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বুভুক্ষু ও দরিদ্র মানুষের জন্য আন্দোলন করেছেন। জেল, জুলুম ও নির্যাতন উপেক্ষা করে জাতিকে সংগঠিত করেছেন। মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করেছেন। বৈশ্বিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে ইতিহাস থেকে তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তা সফল হয়নি বরং ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মো. কামাল উদ্দিন তালুকদার।

এছাড়াও সভায় আরও বক্তব্য দেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ.খান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুর রহমান প্রমুখ।

প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, নিরুৎসাহী করছেন রোহিঙ্গা নেতারা

প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, নিরুৎসাহী করছেন রোহিঙ্গা নেতারা
সংগৃহীত ছবি

রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়ই ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। তবে কিছু রোহিঙ্গা নেতা ও এনজিও তাদের ফিরে যেতে নিরুৎসাহিত করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, আমরা শুনেছি কিছু রোহিঙ্গা নেতা সেখানে উদয় হয়েছেন। তারা কোনও রোহিঙ্গা (তাদের জন্মভূমিতে) ফেরত যাক সেটা চান না। তারা প্রত্যাবর্তনকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন। কিছু আন্তর্জাতিক এনজিও তাদের (রোহিঙ্গা) উস্কানি দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাখাইন রাজ্যে ফিরিয়ে দেবে। বৃহস্পতিবার থেকে দুই দেশই স্বল্প পরিসরে প্রত্যাবাসন পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করছে। আমরা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং তাদের নিজস্ব অঞ্চলে স্বাধীন চলাচলের অধিকার চাই। মিয়ানমার এ বিষয়ে একমত হয়েছে। অনেক রোহিঙ্গাই ফিরে যেতে ইচ্ছুক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা মূলত নাগরিকত্ব চাইছে। তাদের দাবি অনুযায়ী নাগরিকত্ব না দেওয়া পর্যন্ত তারা যাবে না। কিন্তু মিয়ানমার বলছে এটি একটি প্রক্রিয়া। রোহিঙ্গারা ফিরে গেলে পরে কার্ড পাবে এবং তারপরে তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আগামী বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে যাচ্ছে। ওই দিন ৩ হাজার ৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে স্থল ও নৌ পথে মিয়ানমার সরকার প্রস্তুতি নিয়েছে।

গত জুলাই মাসে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ মিন্ট থু’র নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের ডেলিগেশন টিমের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে প্রত্যাবাসনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র