Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

৩৮ বছর ভোটযুদ্ধ করে অবশেষে জয়লাভ

৩৮ বছর ভোটযুদ্ধ করে অবশেষে জয়লাভ
মসিকের ৯নং ওয়ার্ডে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর শীতল সরকার, ছবি: বার্তা২৪
উবায়দুল হক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোটভাগ্য বরাবরই সহায় হয়নি তার। টানা ছয়বার কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সহায়-সম্বল হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। একমাত্র সন্তানকে নিয়ে স্ত্রীও ছেড়ে চলে গেছেন প্রায় দেড় যুগ আগে। কিন্তু নাছোড়বান্দা তিনি। জীবনের শেষ দিনে হলেও নির্বাচনে জিতিয়ে দেখাবেন, এমন পণ ছিল তার।

এভাবেই কেটে গেছে ৬৩টি বসন্ত। জীবনের গোধূলি সময়ে ভোটভাগ্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ভোটাররা তার পক্ষেই রায় দিয়েছেন। তিনি শীতল সরকার। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

৩৮ বছরের অমোঘ সাধনা শেষে বিজয়ের হাসিতে ফেটে পড়েন শীতল সরকার। নগরবাসীর মুখে মুখে কাউন্সিলর শীতল সরকারের নাম। দূর দূরান্ত থেকেও বহু লোক আসছেন তার সঙ্গে হাত মেলাতে। শুভ কামনায় ভরে উঠছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সব জায়গাতেই অভিনন্দন আর প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/07/1557208918696.jpg

শীতল সরকার ভোটের রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন ১৯৮১ সালে। ময়মনসিংহ পৌরসভার কমিশনার পদে সেসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছিলেন। একইভাবে পরাজিত হন পৌরসভার পরের পাঁচটি নির্বাচনেও। কিন্তু জেতার জেদ যার মন-মননে, কার সাধ্য আছে তাকে ঠেকিয়ে রাখার? পারেননি স্ত্রী লক্ষ্মী সরকারও।

বারবার নির্বাচন থেকে স্বামীকে দূরে রাখতে ব্যর্থ হয়ে লক্ষ্মী সরকারও নিজের পথ ধরেছিলেন। ১৮ থেকে ১৯ বছর যাবৎ বাস করছেন জামালপুরে, বাবার বাড়িতে। শীতল সরকার মাঝে মাঝে শ্বশুরবাড় যান, খোঁজ নেন একমাত্র সন্তান হিমেল সরকারের। হিমেল পড়ছে জামালপুরের একটি কলেজে।

শীতল সরকারকে ছেড়ে যাওয়ার সময় স্ত্রী লক্ষ্মী সরকার বলেছিলেন, কোনোদিন ভোটে জিতলে তাকে যেন তার বাপের বাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শীতল সরকার বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মান অভিমান থাকবেই। স্ত্রী ওই সময় হয়তো এটি বলেছিলেন। কিন্তু আমার নির্বাচনের সব খোঁজ-খবরও রেখেছেন। ক’দিন পরই শ্বশুরালয়ে যাব। স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসব।’

প্রতিপক্ষ আল মাসুদকে ৬০২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শীতল সরকার। ওয়ার্ডের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে মনোনিবেশ করতে চান তিনি। উন্নয়ন উপহার দিয়ে নিজেকে গেঁথে নিতে চান ওয়ার্ডবাসীর মনে।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার
গাইবান্ধার উদ্দেশে যাত্রার পূর্বে ডেপুটি স্পিকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা থেকে: 'আমার এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। কারণ সকলের ঘরেই কমবেশি খাবার আছে, কিন্তু রান্না করে খাবার ব্যবস্থা করার উপায় নাই।'

নিজের নির্বাচনী এলাকা গাইবাান্ধায় যাওয়ার সময় আকাশ পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে তেঁজগাও বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার থেকে হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান ডেপুটি স্পিকার।

তার সঙ্গে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

গাইবান্ধার বন্যার্ত মানুষদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, 'গাইবান্ধায় এবারের বন্যা পরিস্থিতি ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জেলা শহর সবসময় সুরক্ষিত থাকলেও এবার সেটাও নাই। কারণ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এমনভাবে ভেঙে গেছে যে, পুরো এলাকাই বন্যায় প্লাবিত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার জেলায় দুর্গত মানুষদের ঘরে ঘরে খাবার আছে। তবে তারা খেতে পারছে না রান্না করার অভাবে। শুকনো খাবারটাই এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন। আমি নিজ উদ্যোগে বগুড়া থেকে চিড়া সংগ্রহ করেছি।’

সংসদের ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে অনুরোধ করেছি, জিআর নগদ অর্থের পরিবর্তে যদি শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া কিনে দেওয়া হয় তাহলে বন্যার্তদের জন্যে কিছুটা হলেও উপকার হবে।'

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
র‌্যালিতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপটা বেশি। এই ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সচেতনতা র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563514435926.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। গেল বছরের আগ পর্যন্ত এটি নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার চিন্তার বিষয় আছে। আর তাই এই এডিস মশা নিধনে সরকারের যে সকল প্রচেষ্টা ছিল। সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে। আমাদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। তাহলেই এই রোগ ও মশা থেকে আমরা মুক্তি পাব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র