Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে

সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে
বক্তব রাখছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী/ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ এখন আর আঞ্চলিক সমস্যা নয় বরং এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। যা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। বিচার ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার কক্ষে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটি আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার শান্তির দর্শন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পৃথিবীর ন্যাক্কারজনক ও বর্বরতম ঘটনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, সম্প্রতি শ্রীলংকায় সংগঠিত সিরিজ বোমা হামলাসহ সব সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে শান্তির ভিত রচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত ছয় স্তম্ভের শান্তির দর্শন মডেলটি গৃহীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শান্তির দর্শন মডেলটি যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তির দর্শন মডেলটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হবে। শান্তির স্বার্থে জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নকে সমন্বয় করতে হবে। সন্ত্রাসীদের দেশ, ধর্ম, বর্ণ নেই উল্লেখ করে তিনি জনগণকে সচেতনতার সঙ্গে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত আলোচক হিসেবে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন এবং বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির নেতৃরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত
প্রতীকী

প্রতি বছর ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসাসেবা দিতে নতুন প্রকল্প চালু করেছে ভারত সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বাংলাদেশের সব জেলা থেকে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই করবে। এ বছরও ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্বাচিত করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞাপন মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.molwa.gov.bd) প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনকারীদের ওয়েবসাইট দেখে নির্ধারিত ফরমে ২২ আগস্ট, ২০১৯ এর মধ্যে নিজ নিজ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল তাজ

সাবেক স্বরাষ্টপ্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছেন, আমার সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে কিছু দেয়নি। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে বেরিয়েছি। দেশে বিদেশে যেখানেই গেছি মানুষ আমাকে ভালোবেসেছে। আমাকে নিয়ে মানুষের চিন্তা আমাকে অভিভূত করে, ঋণী করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাজের নানা সমস্যা সমাধান তুলে ধরতে সোহেল তাজ 'হটলাইন কমান্ডো' নামের একটি অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

সোহেল তাজ বলেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনে 'দিন বদলের সনদ' আমাদের খুব আকর্ষণীয় নির্বাচনী ইশতেহার ছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তখন দিন বদলের সনদকে বুকে ধারণ করে নিজেকে কাজে নিয়োজিত করেছিলাম। পরবর্তীতে যেকোনো কারণেই হোক রাজনীতি থেকে বিরতি গ্রহণ করি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563432593667.jpg

সোহেল তাজ বলেন, আমি ছোটবেলায় আমার বাবাকে কাছে পাইনি। তাই চেয়েছি আমার সন্তানদের যেন এটা না হয়, আমার দুই মেয়ে, এক ছেলে। বিরতির এই সময়টাতে তাদেরকে সময় দিয়েছি।

মা জোহরা তাজউদ্দিনে কথা স্মরণ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার মা সবসময় বলতেন তুই যাই করিস না কেন, মানুষের জন্য কিছু করিস।

সোহেল তাজ বলেন, আমার কোন পোস্ট পজিশন নেই, আমার কোন ধনদৌলত নেই। কীভাবে জনগণের ভালোবাসার এই ঋণশোধ করব! সেটাই সবসময় চিন্তা করেছি। সেই চিন্তা থেকেই ‘হটলাইন কমান্ডো’ অনুষ্ঠানের এই ভাবনা।

দেশের মানুষের নানা সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমাধানের জন্য আমরা নিয়ে আসছি 'হটলাইন কমান্ডো।' এ সময় হটলাইন কমান্ডোর চিন্তাভাবনা, কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রেজন্টেশন দেন সোহেল তাজ।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র