Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাজারে দ্রব্যমূল্য সহনীয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজারে দ্রব্যমূল্য সহনীয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিত্যপণ্যের বাজারে দ্রব্যমূল্য সহনীয় অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেছেন, বিগত ২০১৭ আর ২০১৮ সালে রমজানের সময় যে দাম ছিল তার চেয়ে এখন দাম অনেকটাই কমেছে। কিছু জায়গায় দাম বেড়েছে, কিন্তু সব জায়গায় না।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে 'জাতীয় ভোক্তা দিবস-২০১৯' উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাজারমূল্য নিয়ে সার্বিকভাবে আমরা সন্তুষ্ট। এবার মানুষের উপর চাপ পড়বে না। চালের দাম কমেছে, তাই কৃষকদের কাছ থেকে চাপ আসছে। রোজাকে সামনে রেখে আমরা যথেষ্ট সচেতন আছি। অনিয়ম হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাচ্ছে, জরিমানা করছে। চিনির দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তবে দেশের বাজারে বৃহত্তর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপ তেলের দাম দুই টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

টিপু মুনশি বলেন, ‘রোজাকে সামনে রেখে ছোলার দাম বাড়ার সুযোগ নেই। ছোলা বিভিন্ন ধরন রয়েছে, কোন ছোলা ৬০ টাকা আবার কোন ছোলা একশ টাকা। ছোলা যা দরকার তার চেয়েও বেশি মজুদ রয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, সেটি আমরা দেখছি। চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।’

বাজারে মাংসের দাম বেড়ে গেছে জানিয়েছে মন্ত্রী বলেন, ‘সবার সাথে বসে মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে সেটি ঠিক রাখা যায়, সেটি আমরা দেখব। মাংস আগে বাইরে থেকে আসত, এখন তা বন্ধ আছে। যারা পশু পালন করে তারা সেজন্য উৎসাহিত হয়েছে। শহরেই মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে, গ্রামে বাড়েনি। আমরা সিটি করপোরেশনের মেয়রদের সাথে বিষয়টি নিয়ে বসব।'

উৎসবকে কেন্দ্র করে পথে পথে চাঁদাবাজি হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশ ও প্রশাসনকে বলেছি রাস্তার চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। নইলে তা পণ্যের উপর প্রভাব পড়ে। এখনও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাইনি। আমরা শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি। এবারই প্রথম পুলিশকে এটি নিয়ে চিঠি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রমজানে প্রতিদিন মন্ত্রণালয়ের চারটি ও ভোক্তা অধিকারের চারটি দল অভিযান পরিচালনা করবে। এই অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট না হলেও হয়। তারা জরিমানা করতে পারে।’

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত 'জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর' ১৭ হাজার ১৯০টি বাজারে অভিযানের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৬৭৩ প্রতিষ্ঠানকে ৪৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৬৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এরমধ্যে ৪ হাজার ৮১৫ অভিযোগকারীকে ৮১ লাখ ৩০ হাজার ৩০২ টাকা প্রদান করে অবশিষ্ট ৪৫ কোটি ৯৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৮টাকা সরকারি কোষাগারে জমা রাখা হয়।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে আগামী ২মে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্বভোক্তা দিবস উদযাপিত হবে। দিবসটিতে তিন হাজার লোকের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও পহেলা মে থেকে ৩মে ঢাকায় ব্যাপক প্রচারণার স্বার্থে বাউল প্রচার সংস্থা কর্তৃক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর উপর গান প্রচার করা হবে।’

আরও পড়ুন: 'রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমবে'

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র