Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রিকেটারদের সাক্ষাৎ

গণভবনে  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রিকেটারদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আইসিসি বিশ্বকাপ-২০১৯ ও আয়ারল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ সামনে রেখে ঢাকা ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় ক্রিকেটদল। ক্রিকেটাররা ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)‘র সভাপতি, পরিচালক, কোচিং স্টাফ, মিডিয়া ম্যানেজার, নিরাপত্তা ম্যানেজাররা।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় গণভবনে পৌঁছান তারা। অতিথিদের জন্য গণভবনে মধ্যাহ্ন ভোজেও অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গণভবন সূত্রে জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণভবনে এসে পৌঁছান। এরপর তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রায় দেড়ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রী ঘরোয়া পরিবেশে অতিথিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আলোচনায় ক্রিকেট দলের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন বোর্ড সভাপতি ও দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক।

প্রধানমন্ত্রী আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপে জাতীয় দলের ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করে তাদের শুভকামনা করেন। এসময় খেলাধুলার পরিসর ‍ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে আওয়ামী লীগ সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তিনি তুলে ধরেন। ক্রীড়াঙ্গন ও তথা ক্রিকেটের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ক্রিকেটাররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/30/1556614464657.jpg

উল্লেখ্য, আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে বুধবার (১ মে) ঢাকা ছাড়বেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। আগামী ৫ মে থেকে আয়ারল্যান্ডে শুরু হবে ত্রিদেশীয় সিরিজটি। ১৭ মে ফাইনাল। এরপর টাইগাররা সেখান থেকে বিশ্বকাপ খেলার উদ্দেশে ইংল্যান্ডে উড়াল দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, (ক্যাপ্টেন), সাকিব আল হাসান (ভাইস-ক্যাপ্টেন), লিটন কুমার দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল খান, সৌম্য সরকার, সাইফউদ্দিন, আবু জায়েদ চৌধুরী রাহি, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাব্বির রহমান রোমান, ইয়াসির আলি চৌধুরী, নাঈম হাসান, তাসকিন আহমেদ, ফরহাদ রেজা।

বোর্ড অব ডিরেক্টরস অ্যান্ড অফিসিয়ালসদের মধ্যে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন পরিচালক- মাহবুবুল আনাম, আহমেদ সাজ্জাদুল ইসলাম, নাইমুর রহমান দুর্জয় (এমপি), মনজুর কাদের, এজেএম নাসের উদ্দিন, আকরাম খান, কাজি ইনাম আহমেদ, এসকে সোহেল, সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম, আলমগীর খান, সাইফুল আলম চৌধুরী নাদেল, মোহাম্মদ ইসমাইল হায়দার মল্লিক, মো. এনায়েত হোসেন সিরাজ, সৈয়দ আশফাকুল আলম, মোহাম্মদ জালাল ইউনুস, লোকমান হোসাইন ভূইঁয়া, গাজী গোলাম মুর্তজা, মো. হানিফ ভূইঁয়া, তানজিল চৌধুরী, নাজিব আহমেদ, শওকত আজিজ রাসেল, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী (প্রধান নির্বাহী), তৌহিদ মাহমুদ (পিএস বিসিবি সভাপতি), মোহাম্মদ আলমগীর (পলিটিক্যাল সেক্রেটারি বিসিবি সভাপতি), কাউসার আজম (অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার লজিস্টিক)।

বিসিবি ব্যবস্থাপনা দফতর থেকে ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন (বিশ্বকাপ টিম ম্যানেজার), মিনহাজুল আবেদীন নান্নু (ত্রিদেশীয় সিরিজের টিম ম্যানেজার), স্টিভ রোডস (প্রধান কোচ), কোর্টনি ওয়ালশ (পেস বোলিং কোচ), ম্যাকেঞ্জি (ব্যাটিং পরামর্শক), সুনীল যোশি (স্পিন বোলিং পরামর্শক), রায়ান কুক (ফিল্ডিং পরামর্শক), মারিও সুরেশ ভিলভারায়ান, তিহান চন্দ্রমোহন, শ্রী নিবাস চন্দ্র শেখর, মেজর হুসাইন ইমাম (নিরাপত্তা ম্যানেজার), মেজর আবু হুমায়ুন মোরশেদ (নিরাপত্তা ম্যানেজার), রাবিদ ইমাম (মিডিয়া ম্যানেজার) প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পাস্তুরিত ও খোলা দুধ এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন কার্যকর করতে হবে। তাহলেই খাদ্যে ভেজাল দেওয়া বন্ধ হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এমন মত দেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ‘খাদ্যে ভেজাল, নকল ওষুধ প্রস্তুত ও আমাদের দায়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে চ্যারিটি মানবকল্যাণ সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, 'সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে প্রফেসর আ ব ম ফারুক, তিনি যে ঝুঁকিটা নিলেন, এরপর এই পাস্তুরিত দুধের কারবারিরা বললো- এগুলো (গবেষণা) ঠিক না। পরে রিসার্চে দেখা গেলো- ১৮টি পণ্যের মধ্যে ১১টিতে অতিরিক্ত লেড পাওয়া গেছে। তাহলে কী হলো? ওই ভদ্রলোককে তো হুমকি দেওয়া হয়েছিল।’

‘বিএসটিআইয়ের যে কর্মকর্তা আ ব ম ফারুকের রিসার্চকে কটাক্ষ করেছিলেন তাকে শাস্তি দেওয়া উচিৎ। একই সাথে পাস্তুরিত দুধের কোম্পানিগুলো এবং যারা খাদ্যে টেক্সটাইলের রং ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ভেজালের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন আছে, তাহলে সেটা কার্যকর করা হোক। আমি আরও একটু বাড়িয়ে বলব- সেই মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে দেওয়া হোক।'

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিটিউট, বিসিএসআইআর, প্লাজমা প্লাস, ওয়াফেন রিসার্চ, পরমাণু শক্তি কমিশন ও আইসিডিডিআর’বি ল্যাবে পাস্তুরিত দুধ, খোলা দুধ ও গোখাদ্য পরীক্ষা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সে পরীক্ষায় বিএসটিআই অনুমোদিত ১৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১টি পাস্তুরিত দুধে সিসা পাওয়া গেছে। কোম্পানিগুলো হল- মিল্কভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ইগলু, ফার্মফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং ডেইরি, প্রাণ মিল্ক, আয়রন, পিউরা ও সেইফ মিল্ক।

‘১৮ কোটি মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। খাদ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রস্তুতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজেদা হক বলেন, এক সময় এসিড মারা হতো, কিন্তু তখন কঠোরভাবে শাস্তি প্রয়োগ করায় তা নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তেমনি খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। তবেই ভেজাল রোধ করা যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম নুরুদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

তানোরে মিটার না দেখে ঘরে বসে বিল তৈরি করে রিডাররা!

তানোরে মিটার না দেখে ঘরে বসে বিল তৈরি করে রিডাররা!
তানোরে নেসকো কার্যালয়

 

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বিদ্যুতের বিল প্রস্তুতকারীরা (মিটার রিডার) মিটার না দেখে নিজের বাড়িতে বসে বিল তৈরি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিটার রিডারদের ফাঁকিবাজির কারণে ভৌতিক বিল গুণতে হচ্ছে গ্রাহকদের। মাসের পর মাস গ্রাহকেরা হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

গ্রাহকদের কাছে সরবরাহকৃত বিলের সঙ্গে মিটার ওঠা ইউনিটের সামঞ্জস্যতা না থাকায় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) বারবার অভিযোগ দিয়েও সুরাহা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। গ্রাহকদের ওপর বাড়তি বিল চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে তানোরের নেসকো কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভৌতিক বিল আসায় বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা ভিড় করে আছেন। তারা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সুরাহা না পেয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে লিপ্ত হচ্ছেন। প্রায় প্রত্যেকের হাতে বাড়তি বিলের কপি।

পৌর শহরের চাপড়াবাজার এলাকার মোসলেম উদ্দীন নামে এক গ্রাহক জানান, জুন মাসে যে বিলের কপি তিনি পেয়েছেন তাতে তার বাড়ির মিটারের ওঠা ইউনিটের চেয়ে ১০৫ ইউনিট বেশি লেখা হয়েছে। তাঁদের এলাকায় বিল প্রস্তুতকারী পারভেজ গ্রাহকদের বাসায় যান না। নিজ বাসায় বসেই আগের কয়েক মাসের বিলের গড় দেখে বিল তৈরি করে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

থানা সদরের গ্রাহক ও থানা মোড় বণিক সমিতির সভাপতি হামিদুর চৌধুরী বলেন, আমার বাড়িতে কেউ মিটার রিড করতে যায় না। মাস শেষে যে বিলের কাগজ সরবরাহ করা হয়, তাতে প্রায়ই অসমঞ্জস্যতা দেখি। তবে এবার তা বেশি দেখা গেছে। ১১৬ ইউনিট বেশি লেখা হয়েছে। বিল প্রস্তুতকারী শান্টু মিটারের কাছে না এসে বাসায় বসে সেই পুরোনো মিটারের গড় বিল ইউনিট করেই বিল তৈরি করে বলে শুনেছি।

নেসকো সূত্র জানায়, তানোর উপজেলার আবাসিক ও অনাবাসিক গ্রাহকের মিটারে ব্যবহৃত বিল বিতরণের জন্য দৈনিক ভাতার ভিত্তিতে ৬ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। তাদের দায়িত্ব প্রত্যেকটি মিটারের কাছে গিয়ে ইউনিট হিসেব করে বিল তৈরি করা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই জন মিটার রিডার বলেন, প্রত্যেক মাসে এক হাজার মিটার থেকে তাদের রিডিং নেওয়ার কথা। সেইগুলোর বিল তৈরি তাদের দায়িত্ব। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তাদেরকে অতিরিক্ত মিটার রিডিংয়ের দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়। ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে ঘরে বসে বিগত কয়েক মাসের গড় দেখে বিল তৈরি করে থাকেন।

জানতে চাইলে তানোর নেসকো কার্যালয়ের আবাসিক প্রকৌশলী আবু সাঈদ হেলালী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত মিটার রিডারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যেসব গ্রাহক বাড়তি বিল জমা দিয়েছেন সেগুলো ফেরত দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে পরবর্তী মাস থেকে বিল কমিয়ে বা বাড়িয়ে প্রকৃত মিটার ইউনিট সমন্বয় করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র