Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার
ককটেল বিস্ফোরণের পুলিশের তদন্ত, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর গুলিস্তানে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে যে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে তার দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটস (আইএস)।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ বিষয়ে বলেছেন, আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেলে কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও দেখা হচ্ছে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আইএস বা অন্য কেউ প্রতারণামূলক এ ধরনের পোস্ট দিয়েছে কি না, আমাদের কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অ্যান্টিটেররিজম বিশেষজ্ঞরা তা পরীক্ষা করে দেখছেন।’

অন্যদিকে, বিস্ফোরিত ককটেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরিত ককটেল অনেক শক্তিশালী ছিল। ককটেলটি সাধারণ ককটেল থেকে ভিন্ন রকম। কাউন্টার টেররিজম বিস্ফোরণের ধরন, আহত হওয়ার ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে। ঘটনাটি জঙ্গি–সংশ্লিষ্ট কি না, নাকি সাধারণ অপরাধীরা এটি করেছে সেটি আমরা বোঝার চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন: বসিলায় জঙ্গি বিরোধী অভিযানের ঘটনায় মামলা

আরও পড়ুন: গুলিস্তানে ককটেল বিস্ফোরণ, ট্রাফিক পুলিশসহ আহত ৪

আপনার মতামত লিখুন :

হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় বন্যার্ত ৮০০ পরিবারকে ত্রাণ প্রদান

হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় বন্যার্ত ৮০০ পরিবারকে ত্রাণ প্রদান
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বন্যায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার অন্তত ৩০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। পানিতে ভেসে গেছে পুকুর, তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে এই দুই উপজেলার পানিবন্দী ৮০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

Mymensing

হালুয়াঘাটের ধারা ইউনিয়ন পরিষদ ও ধোবাউড়া থানা প্রাঙ্গণে অসহায় এসব মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন জেলা পুনাকের সভানেত্রী সুরাইয়া সুলতানা ও জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন। এসময় সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রাণ হিসেবে প্রত্যেক সদস্যকে এক কেজি চিড়া, ৫০০ গ্রাম গুড়, দুই কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম ডাল, ৫০০ গ্রাম তেল ও এক কেজি আলু দেওয়া হয়।

ত্রাণ বিতরণেও গ্রাম্য রাজনীতি!

ত্রাণ বিতরণেও গ্রাম্য রাজনীতি!
গাইবান্ধার দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) থেকে: সমান্তরালে দুটি ছবি। একটি প্রাপ্তি। অন্যটি বঞ্চনার। এমন দৃশ্যের সাক্ষী হলো গাইবান্ধার ফুলছড়ির উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খাটিয়া বাড়ি।

চারপাশে থৈ থৈ বন্যার পানি। গুচ্ছগ্রামের জন্যে নির্মিত সামান্য উঁচু জায়গায় ঠাঁই মিলেছে কয়েক'শ পরিবারের। প্রচন্ড ভ্যাপসা গরম। এই স্থানটি বন্যায় ডোবে নি। এখানেই এক হাজার বানভাসি মানুষকে সরকারের তরফে দেয়া হয় ত্রাণ সহায়তা।

এই মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান। তিনি গাইবান্ধা সদরের আঘট নিউ ব্রিজ ঘাট থেকে স্প্রীডবোটে করে নৌপথে ঘণ্টাব্যাপী দূরত্বের পথ পাড়ি দিয়ে পশ্চিম খাটিয়া বাড়িতে যান।

এ সময় সঙ্গে ছিলেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো: শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বর্তন কর্মকর্তারা।

এখানে পাশের গ্রামগুলো থেকে ত্রাণ নিতে এসেছেন হাজারো নারী- পুরুষ। সকলের হাতে ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফের দেয়া স্লিপ। সবাই পাবেন শুকনো খাবার। এদের মধ্যে দু'শো জন পাবেন নগদ টাকাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563533728693.gif

এদের প্রতিক্রিয়া আনন্দের। হাওয়া বিবি জানান, এতদূরে তাদের কাছে মন্ত্রী এসেছেন। ত্রাণ দিচ্ছেন। যে কারণে তার মতো হাজারো বানভাসি মানুষের কয়েকটা দিন অন্তত কষ্ট লাঘব হবে।

আবার মঞ্চের পেছনে ভিন্নচিত্র। বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েকশ নারী পুরুষ। তাদের চোখ ঝাপসা। হতশায় কণ্ঠে তাদের ক্ষোভ। অভিযোগের তীর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে।

আব্দুল কুদ্দুস, রুস্তম আলী, মরিচা বেগমসহ বেশ কিছু আশ্রিত বানভাসির অভিযোগ তাদের স্লিপ দেয়া হয়নি।

যেখানে এই ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে, সেখানেই আশ্রয় তাদের। আগের চেয়ারম্যান থাকলে আমরা স্লিপ পেতাম। রহিমা বেগমের এমন বক্তব্যেই উঠে আসে স্থানীয় রাজনীতির গন্ধ।

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563533848926.gif

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফ জানান, কোন বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি নয়, আক্রান্তদের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই স্লিপ দেয়া হয়েছে। কোন অনিয়ম হয়নি।

স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম টলষ্টয় জানান, ত্রাণ বিতরণ নিয়ে ভিলেজ পলিটিক্সের কোনো সুযোগ নেই। এমন অভিযোগ এলে খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, এই উপজেলায় ৭৯ টি গ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি দুটিসহ ৫৯ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে ৭ হাজার ৫১৫ টি পরিবারের ১৫ হাজার ২৬ জন। আমাদের চাহিদা ৩০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে ১৪৫ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং এক হাজার ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার।

আশা করি, চাহিদা মোতাবেক ত্রাণ পেলে সবাই পাবেন-যোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম টলষ্টয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র