Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বসিলায় জঙ্গি বিরোধী অভিযানের ঘটনায় মামলা

বসিলায় জঙ্গি বিরোধী অভিযানের ঘটনায় মামলা
সোমবার জঙ্গিবিরোধী অভিযান, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‍্যাবের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামি করে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, 'মামলায় নিহত দুই ব্যক্তিসহ অজ্ঞাত আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মোট অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামি করে সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯ আইনে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।'

এর আগে গতকাল মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‌্যাবের অভিযান চলাকালে শক্তিশালী বিস্ফোরণে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। একটি টিনশেড বাড়ি ঘিরে ১৩ ঘণ্টা জঙ্গিবিরোধী এ অভিযান চালায় র‍্যাব।

অভিযানকালে বাড়ির একটি কক্ষে থাকা দুই জঙ্গি শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব। পরে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ভেতরে ঢুকে দুজনের ছিন্নভিন্ন লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া
শুক্রবার কারওয়ান বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা কেজি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার প্রভাবে রাজধানী ঢাকার কাঁচা বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আর অতিরিক্ত হারে বেড়েছে কাঁচা মারিচের দাম। কাঁচা মরিচ কিনতে এসে চরম বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।

ক্রেতারা বলছেন, কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যার কারণে ঢাকায় কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531518103.gif

মহানগর প্রজেক্টের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের দাম প্রতিদিনই বেড়ে চলছে। এক দুই দিনের ব্যবধানে মরিচের দাম বেড়ে গেল।’

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের তরকারি বিক্রেতা সোলায়মান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে দাম বেশি হবে স্বাভাবিক।’

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পাস্তুরিত ও খোলা দুধ এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন কার্যকর করতে হবে। তাহলেই খাদ্যে ভেজাল দেওয়া বন্ধ হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এমন মত দেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ‘খাদ্যে ভেজাল, নকল ওষুধ প্রস্তুত ও আমাদের দায়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে চ্যারিটি মানবকল্যাণ সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, 'সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে প্রফেসর আ ব ম ফারুক, তিনি যে ঝুঁকিটা নিলেন, এরপর এই পাস্তুরিত দুধের কারবারিরা বললো- এগুলো (গবেষণা) ঠিক না। পরে রিসার্চে দেখা গেলো- ১৮টি পণ্যের মধ্যে ১১টিতে অতিরিক্ত লেড পাওয়া গেছে। তাহলে কী হলো? ওই ভদ্রলোককে তো হুমকি দেওয়া হয়েছিল।’

‘বিএসটিআইয়ের যে কর্মকর্তা আ ব ম ফারুকের রিসার্চকে কটাক্ষ করেছিলেন তাকে শাস্তি দেওয়া উচিৎ। একই সাথে পাস্তুরিত দুধের কোম্পানিগুলো এবং যারা খাদ্যে টেক্সটাইলের রং ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ভেজালের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন আছে, তাহলে সেটা কার্যকর করা হোক। আমি আরও একটু বাড়িয়ে বলব- সেই মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে দেওয়া হোক।'

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিটিউট, বিসিএসআইআর, প্লাজমা প্লাস, ওয়াফেন রিসার্চ, পরমাণু শক্তি কমিশন ও আইসিডিডিআর’বি ল্যাবে পাস্তুরিত দুধ, খোলা দুধ ও গোখাদ্য পরীক্ষা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সে পরীক্ষায় বিএসটিআই অনুমোদিত ১৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১টি পাস্তুরিত দুধে সিসা পাওয়া গেছে। কোম্পানিগুলো হল- মিল্কভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ইগলু, ফার্মফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং ডেইরি, প্রাণ মিল্ক, আয়রন, পিউরা ও সেইফ মিল্ক।

‘১৮ কোটি মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। খাদ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রস্তুতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজেদা হক বলেন, এক সময় এসিড মারা হতো, কিন্তু তখন কঠোরভাবে শাস্তি প্রয়োগ করায় তা নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তেমনি খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। তবেই ভেজাল রোধ করা যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম নুরুদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র