Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিলুপ্তিপ্রায় বনজ সম্পদ সংরক্ষণের তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর

বিলুপ্তিপ্রায় বনজ সম্পদ সংরক্ষণের তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর
বাংলাদেশ বন ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরএই) মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বনাঞ্চল রক্ষায় সরকার নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে  পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন দেশের বিভিন্ন সময়ে বিলুপ্তিপ্রায় বনসম্পদ সংরক্ষণ ও গবেষণা জন্য উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের তাগিদ দিয়েছেন।  বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া উদ্ভিদ রক্ষায় গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রোববার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ বন ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরএই) মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে ও অপ্রয়োজনে আমরা বৃক্ষ নিধন, পাহাড়, টিলা কেটেই যাচ্ছি। আমরা মনে করছি, পাহাড় কাটলে রাস্তা সম্প্রসারণ করা যায়। এটা ভুল ধারণা। বনজ শিল্প, গবেষণা এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর যে কোনো কার্যক্রম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চাই।

মতবিনিময় সভার পূর্বে মন্ত্রী চট্টগ্রাম বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে তিনি ঔষধি উদ্ভিদের জার্মপ্লাজম সেন্টার, নার্সারি ল্যাবরেটরি, প্রযুক্তি পার্ক, ব্যাম্বুসেটাম ঘুরে দেখেন এবং একটি চারা রোপন করেন।

সভায় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিএফআরএই) এর পরিচালক ড. খুরশীদ আকতার লোকবলের অভাবে পরিবেশ বন গবেষণা ইনিস্টিটিউটের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান। তিনি এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, শত সীমাবদ্ধতার মাঝেও আপনারা গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন দেখে অবাক হয়েছি। আমরা আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছি আপনাদের জনবল নিয়োগের যাবতীয় বিষয় পূরণ করা হবে।

এসময় দিন দিন সুন্দরবন দখল হয়ে যাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। বন রক্ষায় তিনি গবেষক এবং পরিবেশ অধিদফতরে কর্মকর্তাদের নতুন নতুন গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী বলেন, সপ্তম সংশোধনীর মধ্যে দিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগবিধি বন্ধ করা হয়েছিল। সরকার এ বিষয়ে নতুন করে পরিকল্পনা নিয়েছে, শ্রীঘ্রই আইনমন্ত্রণালয় থেকে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরএই) এর পরিচালক ড. খুরশীদ আকতার সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি সভার শুরুতে ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম তুলে ধরেন। এরপর বিএফআরআই এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা স্বাগত বক্তব্য রাখেন। 

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র