Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

`শীঘ্রই আসছে' আইএস'র গান, নাকি হামলা?

`শীঘ্রই আসছে' আইএস'র গান, নাকি হামলা?
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাংলা ভাষায় একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে। যেখানে বাংলা বর্ণে লেখা হয়েছে- ‘শীঘ্রই আসছে, ইনশাল্লাহ।’

আইএস-এর এই পোস্টার বিশ্লেষণ করে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রকাশ করা সংবাদের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে।

তবে আলোচিত এই সংবাদ প্রকাশের প্রায় ঘণ্টা পাঁচেক পর শোনা যাচ্ছে, আইএস সমর্থিত ‘টেলিগ্রাম’ চ্যানেলটির লেখা পোস্টারটির ভুল ব্যাখা দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও ঐ পোস্টারে দেখা যায়, আইএস সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো পোস্টারে বলা হয়েছে, ‘শীঘ্রই আসছে.. ইনশাআল্লাহ।’ পোস্টারটিতে আল মুরসালাত (Al Mursalat) নামে একটি গ্রুপের লোগো রয়েছে।

আইএস-এর পোস্টারটির নিজের মত ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করা টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদক। প্রতিবেদনে তিনি ব্যাখ্যা দেন, টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টটি আইএস সংশ্লিষ্ট, সেটি থেকে ছড়ানো হচ্ছে, ‘শীঘ্রই আসছি.. ইনশাআল্লাহ।’ তার মানে, তারা ‘হামলা করার জন্যই আসছে’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/28/1556405003668.jpg

প্রতিবেদকের মতে, পোস্টারটি যেহেতু বাংলায় লেখা হয়েছে, তাহলে বাংলাদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষী মানুষকে বুঝানো হয়েছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে, আইএস পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশে হামলার জন্যই ‘শীঘ্রই আসছে’।

আইএস -এর পোস্টার প্রকাশের পরে বাংলাদেশের জঙ্গি দমন নিয়ে কাজ করা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইএস যদি হামলার কথা বলেও থাকে, এটা নতুন কিছু না। এর আগেও এ ধরণের হামলার কথা বলেছেন। তবে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি হামলার হুমকি নেই।

পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে আইএস-এর পোস্টারের বিষয় নিয়ে কথা বলেন কাউন্টার টেরোরিজমের এক পুলিশ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা জানতে পেয়েছি। আইএসের হামলার বিষয়টি মিথ্যা। শিগগিরই আসছে বলতে বোঝানো হয়েছে- বাংলায় অনূদিত আইএস -এর একটি নাশিদ (ইসলামী সংগীত) শীঘ্রই আসছে। এটির অনুবাদে কাজ করেছে ‘আল মুরসালাত মিডিয়া’। এটি আইএসের অনুবাদ শাখা।

তিনি জানান, তুর্কি ভাষায় আইএস -এর একটি সংগীত আমাদের কালো পতাকা (Our Black Flag), এটিকেই বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে এবং সেটি শিগগিরই প্রকাশিত হবে- এমনটা বোঝানো হয়েছে। হয়তো সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় হামলার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই বিষয়টিকে ভুল ব্যাখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া
শুক্রবার কারওয়ান বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা কেজি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার প্রভাবে রাজধানী ঢাকার কাঁচা বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আর অতিরিক্ত হারে বেড়েছে কাঁচা মারিচের দাম। কাঁচা মরিচ কিনতে এসে চরম বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।

ক্রেতারা বলছেন, কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যার কারণে ঢাকায় কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531518103.gif

মহানগর প্রজেক্টের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের দাম প্রতিদিনই বেড়ে চলছে। এক দুই দিনের ব্যবধানে মরিচের দাম বেড়ে গেল।’

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের তরকারি বিক্রেতা সোলায়মান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে দাম বেশি হবে স্বাভাবিক।’

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি

খাদ্যে ভেজাল রোধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পাস্তুরিত ও খোলা দুধ এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন কার্যকর করতে হবে। তাহলেই খাদ্যে ভেজাল দেওয়া বন্ধ হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এমন মত দেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ‘খাদ্যে ভেজাল, নকল ওষুধ প্রস্তুত ও আমাদের দায়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে চ্যারিটি মানবকল্যাণ সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, 'সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে প্রফেসর আ ব ম ফারুক, তিনি যে ঝুঁকিটা নিলেন, এরপর এই পাস্তুরিত দুধের কারবারিরা বললো- এগুলো (গবেষণা) ঠিক না। পরে রিসার্চে দেখা গেলো- ১৮টি পণ্যের মধ্যে ১১টিতে অতিরিক্ত লেড পাওয়া গেছে। তাহলে কী হলো? ওই ভদ্রলোককে তো হুমকি দেওয়া হয়েছিল।’

‘বিএসটিআইয়ের যে কর্মকর্তা আ ব ম ফারুকের রিসার্চকে কটাক্ষ করেছিলেন তাকে শাস্তি দেওয়া উচিৎ। একই সাথে পাস্তুরিত দুধের কোম্পানিগুলো এবং যারা খাদ্যে টেক্সটাইলের রং ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ভেজালের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন আছে, তাহলে সেটা কার্যকর করা হোক। আমি আরও একটু বাড়িয়ে বলব- সেই মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে দেওয়া হোক।'

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিটিউট, বিসিএসআইআর, প্লাজমা প্লাস, ওয়াফেন রিসার্চ, পরমাণু শক্তি কমিশন ও আইসিডিডিআর’বি ল্যাবে পাস্তুরিত দুধ, খোলা দুধ ও গোখাদ্য পরীক্ষা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সে পরীক্ষায় বিএসটিআই অনুমোদিত ১৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১টি পাস্তুরিত দুধে সিসা পাওয়া গেছে। কোম্পানিগুলো হল- মিল্কভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ইগলু, ফার্মফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং ডেইরি, প্রাণ মিল্ক, আয়রন, পিউরা ও সেইফ মিল্ক।

‘১৮ কোটি মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। খাদ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রস্তুতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজেদা হক বলেন, এক সময় এসিড মারা হতো, কিন্তু তখন কঠোরভাবে শাস্তি প্রয়োগ করায় তা নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তেমনি খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। তবেই ভেজাল রোধ করা যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম নুরুদ্দিন খান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র