Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরা ১১ শ্রমিক কাউন্টার টেরোরিজমের হেফাজতে

শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরা ১১ শ্রমিক কাউন্টার টেরোরিজমের হেফাজতে
ফেরত পাঠানো হয়েছে ১১ বাংলাদেশি শ্রমিককে, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শ্রীলঙ্কায় আত্মঘাতী সিরিজ বোমা হামলার পর ওই দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১১ বাংলাদেশি শ্রমিককে। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ওই শ্রমিকদেরকে পুলিশের বিশেষ ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজম তাদের হেফাজতে নেয়।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিমানবন্দরে কর্তব্যরত একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা।

তারা জানান, আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীলঙ্কা থেকে আগত ১১জন বাংলাদেশি শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) হেফাজতে নিয়েছে।

এর আগে দুপুর ১২ টায় মালিন্দ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (ওডি ১৬৪) এই শ্রমিকরা ঢাকায় আসেন।

এদিকে এ ঘটনায় কাউন্টার টেররিজমের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, শ্রীলংকা ফেরত এই শ্রমিকরা আত্মঘাতী এক বোমা হামলাকারীর প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। যার কারণে দুপুরে বাংলাদেশে ফেরত আসার পর থেকেই তাদের ইমিগ্রেশন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য গোয়েন্দা সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

সূত্রটি আরও জানায়, কলম্বোর উপশহর এলাকায় ইনসাফ ইব্রাহীম নামে এক ব্যক্তির তামা কারখানায় কাজ করতেন তারা। পুলিশের বরাত দিয়ে শ্রীলঙ্কান গণমাধ্যম বলছে, আত্মঘাতী হামলায় ব্যবহৃত বোমাগুলো ইনসাফ ইব্রাহীমের ওই তামার কারখানাতেই তৈরি হয়েছিল।

হামলার পর কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সেখানে কাজ করা বিদেশি শ্রমিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো
মিয়া সেপ্পো, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন।

জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের (ইউএনআরসি) এক কর্মকর্তা জানান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। তার জ্বর হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তার ডেঙ্গু হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, চিকিৎসকের পরামর্শে মিয়া সেপ্পো এখন পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। তিনি অফিস করছেন না। তার সুস্থ হতে কতদিন লাগবে তা জানাতে পারেননি চিকিৎসক।

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা
ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, 'নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে এডিস মশার প্রজনন স্থল অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক বেশি। তাই যেসব নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকার ফলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে সেসব ভবনের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে'।

সোমবার( ২২ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি মেয়র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782288014.jpg

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, 'নির্মাণাধীন ভবন মালিক এবং কর্তৃপক্ষকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কাজ চলার সময় কোনভাবেই ভবনে পানি না জমে এবং এডিস মশার লার্ভা বংশ বিস্তার করতে না পারে। আমরা চিহ্নিত করছি যেসব ভবন মালিকরা নগর কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমে সাড়া দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে প্রয়োজনীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে নগর কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। আজ থেকে এসব মোবাইল কোর্ট চলবে যতদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়'।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782302675.jpg

মেয়র আরও বলেন, 'আমাদের ৫৭ টি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা যাচ্ছেন।যে বাসায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তা ধ্বংস করে পরিষ্কার করে দিয়ে আসছেন এবং ভবিষ্যতের এডিস মশার লার্ভা যেন জন্মাতে না পারে সে জন্য বাসিন্দাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে'।

মেয়র বলেন, ’আমাদের টার্গেট আছে ১৫ দিনের মধ্যে ২৫ হাজার বাসা এডিস মশার লার্ভা মুক্ত করব। আমাদের ৬৮ টি মেডিকেল টিম পাড়া-মহল্লায় কাজ করছে। ইতিমধ্যে ২৫ হাজারের ঊর্ধ্বে ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে'।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র