Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেরোবিতে ১৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন চায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা 

বেরোবিতে ১৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন চায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা 
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ১৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
রংপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আয়োজন ও উপাচার্যের সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থানসহ ১৭ দফা দাবি তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় ‘সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদ’ ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

এতে পরিষদের আহ্বায়ক রোকন-উজ-জামান রবিউল লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। কারণ ছাত্রসংসদ না থাকার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক গত এক দশকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ছাত্রসংসদ ফি আদায় করেছেন। ছাত্রসংসদ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে ন্যায্য দাবি দাওয়া আদায় করা কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে ১৭টি দাবি তুলে ধরে বলা হয়,  অবিলম্বে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া,  একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে ক্লাসরুম সংকট নিরসন ও বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন, আবাসিক সংকট নিরসনে নতুন হল নির্মাণ, হলের ফি কমানো, হলের খাবারে ভর্তুকি দেয়া, ভর্তি ফরম পূরণ ও সনদ-নম্বরপত্র উত্তোলনের ফি কমানো, ড. ওয়াজেদ রিসার্স ইনস্টিটিউট, শেখ হাসিনা হল,  স্বাধীনতা স্মারক, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় মসজিদ সম্প্রসারণ, অন্যান্য ধর্মানুসারী শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের জন্য উপাসানালয় তৈরি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক নির্মাণ, পরিবহন সংখ্যা বৃদ্ধি করে রুট বাড়ানো, মেডিকেল সেন্টার পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ করে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা, নতুন বিভাগ অন্তর্ভুক্তিকরণ, বিভাগের সেমিনার ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বই সংখ্যা বাড়ানো, লাইব্রেরি প্রতিদিনই সকাল নয়টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা, স্থায়ী ব্যাংক চালু, টিএসসি ও অডিটরিয়াম নির্মাণ, ক্যাম্পাসে মাদকরোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার ঘটাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদের আহ্বায়ক রোকন-উজ-জামান রবিউল বলেন, ‘আমরা যে দাবিগুলো করেছি, সেগুলো বেরোবি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খুব দ্রুত এই যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেবেন। অন্যথায় আমাদের আন্দোলনে নামতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার
গাইবান্ধার উদ্দেশে যাত্রার পূর্বে ডেপুটি স্পিকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা থেকে: 'আমার এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। কারণ সকলের ঘরেই কমবেশি খাবার আছে, কিন্তু রান্না করে খাবার ব্যবস্থা করার উপায় নাই।'

নিজের নির্বাচনী এলাকা গাইবাান্ধায় যাওয়ার সময় আকাশ পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে তেঁজগাও বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার থেকে হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান ডেপুটি স্পিকার।

তার সঙ্গে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

গাইবান্ধার বন্যার্ত মানুষদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, 'গাইবান্ধায় এবারের বন্যা পরিস্থিতি ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জেলা শহর সবসময় সুরক্ষিত থাকলেও এবার সেটাও নাই। কারণ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এমনভাবে ভেঙে গেছে যে, পুরো এলাকাই বন্যায় প্লাবিত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার জেলায় দুর্গত মানুষদের ঘরে ঘরে খাবার আছে। তবে তারা খেতে পারছে না রান্না করার অভাবে। শুকনো খাবারটাই এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন। আমি নিজ উদ্যোগে বগুড়া থেকে চিড়া সংগ্রহ করেছি।’

সংসদের ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে অনুরোধ করেছি, জিআর নগদ অর্থের পরিবর্তে যদি শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া কিনে দেওয়া হয় তাহলে বন্যার্তদের জন্যে কিছুটা হলেও উপকার হবে।'

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
র‌্যালিতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপটা বেশি। এই ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সচেতনতা র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563514435926.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। গেল বছরের আগ পর্যন্ত এটি নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার চিন্তার বিষয় আছে। আর তাই এই এডিস মশা নিধনে সরকারের যে সকল প্রচেষ্টা ছিল। সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে। আমাদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। তাহলেই এই রোগ ও মশা থেকে আমরা মুক্তি পাব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র