Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গুঁড়িয়ে দেয়ার পরও চলছে ভবন নির্মাণ!

গুঁড়িয়ে দেয়ার পরও চলছে ভবন নির্মাণ!
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে ভবনটি ভেঙে ফেলার এক বছরের মাথায় চলছে নির্মাণ কাজ, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
সিলেট
বার্তা২৪.কম:


  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটে উচ্ছেদ অভিযানে ভবন ভেঙে ফেলার এক বছরের মাথায় পুনরায় শুরু হয়েছে ভবন নির্মাণ কাজ। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নাকের ডগায় এই কাজ চললেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। গত বছরের ২৩ জানুয়ারি ভবনটি মোবাইল কোর্টের উপস্থিতিতে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।

সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের প্রধান গেইটের সামনে বড়শালায় সওজের জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্থাপনা। এসব দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় নীরব স্থানীয় প্রশাসন।
ফলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ঢাকার একটি শক্তিশালী টিম সিলেটে এসে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। তখন গুঁড়িয়ে দেয়া হয় এয়ারপোর্ট বাইপাস থেকে প্রধান গেইট পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের সকল স্থাপনা।

এরমধ্যে থ্রিস্টার মানের হোটেল গ্রীণল্যান্ড অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট নামের একটি চার তলা ভবনও ছিল। চারদিন ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান। অন্যদিকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হওয়ায় প্রভাবশালী দখলদাররা কথা বলতে চাইলেও খুব একটা পাত্তা পাননি। তবে পরবর্তীতে সাংবাদিক সম্মেলন করে কেউ কেউ সওজের উচ্ছেদ অভিযান উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও অবৈধ বলে দাবি করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/23/1556037510456.jpg

হোটেল ভবনটির মালিক নগরীর তাঁতীপাড়ার বাসিন্দা প্রবাসী খন্দকার রাহান উদ্দিন দাবি করেন, তাদের কাছে মালিকানার কাগজপত্র রয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, সম্প্রতি গুড়িয়ে দেয়া ভবনটি পুননির্মাণ শুরু হয়েছে। খুব কৌশলে প্রথমে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর ভবনের বিভিন্ন তলার দেয়াল নির্মাণ কাজ চলছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী ঋতেষ বড়ুয়া জানান, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার
গাইবান্ধার উদ্দেশে যাত্রার পূর্বে ডেপুটি স্পিকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা থেকে: 'আমার এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। কারণ সকলের ঘরেই কমবেশি খাবার আছে, কিন্তু রান্না করে খাবার ব্যবস্থা করার উপায় নাই।'

নিজের নির্বাচনী এলাকা গাইবাান্ধায় যাওয়ার সময় আকাশ পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে তেঁজগাও বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার থেকে হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান ডেপুটি স্পিকার।

তার সঙ্গে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

গাইবান্ধার বন্যার্ত মানুষদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, 'গাইবান্ধায় এবারের বন্যা পরিস্থিতি ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জেলা শহর সবসময় সুরক্ষিত থাকলেও এবার সেটাও নাই। কারণ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এমনভাবে ভেঙে গেছে যে, পুরো এলাকাই বন্যায় প্লাবিত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার জেলায় দুর্গত মানুষদের ঘরে ঘরে খাবার আছে। তবে তারা খেতে পারছে না রান্না করার অভাবে। শুকনো খাবারটাই এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন। আমি নিজ উদ্যোগে বগুড়া থেকে চিড়া সংগ্রহ করেছি।’

সংসদের ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে অনুরোধ করেছি, জিআর নগদ অর্থের পরিবর্তে যদি শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া কিনে দেওয়া হয় তাহলে বন্যার্তদের জন্যে কিছুটা হলেও উপকার হবে।'

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
র‌্যালিতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপটা বেশি। এই ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সচেতনতা র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563514435926.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। গেল বছরের আগ পর্যন্ত এটি নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার চিন্তার বিষয় আছে। আর তাই এই এডিস মশা নিধনে সরকারের যে সকল প্রচেষ্টা ছিল। সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে। আমাদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। তাহলেই এই রোগ ও মশা থেকে আমরা মুক্তি পাব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র