Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভোটার তালিকা হালনাগাদ

নারী ভোটার নিবন্ধনে জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চায় ইসি

নারী ভোটার নিবন্ধনে জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চায় ইসি
ছবি: বার্তা২৪
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে ভোটারযোগ্য নারীদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় কমিটিতে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে নারীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশেষ করে নারী জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা প্রয়োজন। উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্যসহ সাধারণ আসনের বিপরীতে নির্বাচিত মহিলা জনপ্রতিনিধিদের এ কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায় ইসি।

তাই সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় কমিটিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ কাজে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নির্দ্ধিধায় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে তারা প্রচারের কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে মনে করছে কমিশন।

সব জেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে নারী ভোটারদের হালনাগাদ কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাওয়া হয়।

বিগত সময়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে নারী ভোটার কম থাকার কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে ইসি। এরমধ্যে রয়েছে- নির্ধারিত ফি দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ গ্রহণে অনীহা, হিন্দু অবিবাহিত মেয়েদের পিত্রালয়ে নিবন্ধন করতে অনীহা, অবিবাহিতদের অনগ্রসর ও নিরক্ষর মেয়েদের ভোটার হওয়ার আগ্রহ কম, বাবা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়া, রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র দূরবর্তী হওয়া, আবহাওয়া অনূকূলে না থাকা, সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় অজুহাতে ছবি তুলতে অনীহা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের অসচেতন হওয়া অন্যতম।

এসব সমস্যার প্রেক্ষিতে ভোটার তালিকায় নারীদের অন্তর্ভুক্তির হার যেন উল্লেখযোগ্যভাবে কম না হয়, সে লক্ষ্যে হালনাগাদ কার্যক্রমের সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, দফাদার ও গ্রাম পুলিশকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, নারী ভোটারদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চেয়েছি। তথ্য সংগ্রহকারীদেরও ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের মনিটরিং করার জন্য বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগে আমরা চার আঙুলের ছাপ নিতাম। এবার দশ আঙুলের ছাপ নেব। এছাড়া চোখের আইরিশ নেওয়া হবে। আমাদের প্রত্যাশা আছে- যারা নতুন ভোটার হবেন তাদের স্মার্ট কার্ড নেওয়া হবে।

ইসির সহকারী সচিব মোশাররফ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যত্রমে নারীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চেয়েছি। রোববার (২১ এপ্রিল) তাদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কারণ ভোটার নিবন্ধনে তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আর নারী ভোটার নিবন্ধনে বেশ কিছু সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলোও সমাধানের চেষ্টা চলছে।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে জন্ম নেয়া ৮০ লাখ ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ইসি। প্রথমবারের মতো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন হিজড়ারা। আর রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৩২ উপজেলায় তালিকা হালনাগাদে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। তবে নারী ভোটারদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য নারীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করবে কমিশন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত। যাদের বয়স ১৮ হয়নি কিন্তু ১৬ পেরিয়েছে, তাদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। এরপর ২৫ মে থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে নির্ধারিত কেন্দ্রে নাগরিকদের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ ও নিবন্ধনের কাজ। হালনাগাদে নতুন ভোটারের পাশাপাশি মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং ভোটার স্থানান্তরের আবেদনও নেওয়া হবে। সারাদেশে ৫২ হাজার ৫০০ জন তথ্য সংগ্রহকারী, ১০ হাজার ৫০০ সুপারভাইজার এবং ৭০০ সহকারী রেজিস্ট্রেশন অফিসার ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ করবেন।

আরও পড়ুন: ভোটার হালনাগাদে রোহিঙ্গাদের ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি

আপনার মতামত লিখুন :

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি বলেছেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অবশ্যই আমাকে উদ্বিগ্ন করে। কারণ আমিও তো নারী।’

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘আগেও নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। কিন্তু সেগুলো তারা প্রকাশ করত না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নারীদের এতটা ক্ষমতাধর ও ভয়েস রেইজ করেছেন যে তারা নিজেরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসছেন এবং ঘটনাগুলো প্রকাশ করছেন।’

দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেছিলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন তেমনভাবে বাড়েনি বা ক্রাইসিস মোমেন্ট তৈরি হয়নি, বিষয়টি গণমাধ্যমেই বেশি প্রচারণা হচ্ছে।’

পূর্বের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংখ্যা যেটা বলছেন, সেটা আর ক্রাইসিস নিয়ে কথা বলেছি। এখনো আমি সেটাই বলব। সেটা হচ্ছে আপনারা যে বলেন অনেক বেড়েছে, আমি আপনাদের থেকে পাল্টা জানতে চাই যে, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে কি কোনো বেজ লাইন সার্ভের ডাটা আছে? যার সাথে তুলনা করে বলছেন যে, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন বেড়েছে?’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংগঠন বলে, তাদেরই বা কি.. তারা যে গবেষণার মাধ্যমে বলে আমি জানতে চাই যে, তাদের ম্যাথডোলজি কী? তাদের স্যাম্পল সাইজ কী? তাদের ম্যাথড অব ডাটা কালেকশন কী? কী ইনস্ট্রুমেন্ট তারা ইউজ করেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563359134078.gif

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘যে প্রসঙ্গে আমি বলেছি সেটা হচ্ছে যে, আগেও কিন্তু নারী নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনাগুলি ঘটেছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা আমরা জানি না। কারণ এখন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া অগণিত। সেজন্য এখন জানতে পারছি যে, ওখানে এতজন নারী নির্যাতন বা শিশু নির্যাতন হয়েছে।’

আপনি কি বলছেন এ সংখ্যাটা বাড়েনি- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাড়েনি সেটাও বলিনি, কমেছে সেটাও বলিনি। আমি বলছি যে, যদি বলি বেড়েছে তাহলে একটা তুলনা করে বলতে হয়। কিন্তু আমরা তুলনা করতে পারি না। কারণ আমাদের কাছে বেজ লাইন ডাটা নেই।’

এ বিষয়ে সরকারের কাছেও কি কোনো ডাটা নেই জানতে চাইলে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমিতো বলছি বেজলাইন ডাটা কোথাও নেই। এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ডিসিদের এ বিষয়ে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। উনারা যাতে তাদের মনিটরিং, কো-অপারেশন বাড়ান, এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা
সাংবাদিকদের মুখোমুখি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বেশি সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করলে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের পঞ্চম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ভূমি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে বলেছি, প্রত্যেকে উদ্যোগী হয়ে সরকারি জমি আরও কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য। যে যত বেশি জমি উদ্ধার করতে পারবে তাদেরকে আমি রিওয়ার্ড (পুরস্কার) দেব বলেছি।'

ভূমি ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে তিনি বলেন, 'ভূমি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজের পরিধি বেশি। সুতরাং এখানে আমরা জনগণকে সেবা দিতে চাচ্ছি। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় সমস্যা হয়। যাদের জমি অধিগ্রহণ হয় তাদের টাকা দেওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে। সাত আট ধারার নোটিশ হয়ে যাবে তাদের লেজিটেমেট ক্লেইম থাকলে সেটা যাতে দিয়ে দেওয়া হয়, সেই অনুশাসন আরও ক্লিয়ার করে দিয়েছি। মামলা হলে সেটা পরে দেখা যাবে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।'

তিনি বলেন, 'মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের পর্যবেক্ষণে যাওয়া ও ওয়ার্কশপ করার জন্য বলেছি। তারাও রেকর্ড রুমসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে যে এসিল্যান্ড সেখানে আমরা নতুন ভবন করছি, সেখানে কিন্তু রেকর্ড রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের কাজ কিন্তু চলছে।'

ল্যান্ড জোনিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, 'এটা ভূমি ডিজিটালাইজেশনের একটি অংশ। যত্রতত্র তিন ফসলা জমি, এখানে ওখানে করে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ল্যান্ড জোনিং এনফোর্স করছি। ইতোমধ্যে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এবং এটি প্রায় শেষ পর্যায়ে।'

তিনি আরও বলেন, 'আগের ব্রিটিশ কিছু আইন যেগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন, সেগুলোতে আমরা হাত দিয়েছি। ডিসিদের সে বিষয়গুলো আমি নজরে দিয়েছি। তাদের বলেছি, যাতে প্যানিক না হয়, মন্ত্রণালয় থেকে র‍্যানডম বেসিসে কিছু কিছু কাজ করব। স্বচ্ছতা রাখার জন্য কাজ করব। মন্ত্রণালয় সব কাজ মনিটরিং করছে এবং করবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র