Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিলেটে রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুন, পানি নেই আশপাশে

সিলেটে রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুন, পানি নেই আশপাশে
ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
সিলেট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট নগরীর পূর্ব মিয়াবাজারে আমানিয়া নামে একটি নির্মাণাধীন চায়নিজ রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুন লেগেছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেটের অ্যাডভোকেট নওশাদ আহমেদ ওই রেস্টুরেন্টের মালিক। খড়-ছন দিয়ে ওই চায়নিজ রেস্টুরেন্টটি নির্মাণের কাজ চলছিল।

এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তবে পার্শ্ববর্তী কোথাও পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সমস্যা হচ্ছে।

সিলেট ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার জানান, ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শোক

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শোক
অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ, ছবি: সংগৃহীত

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, ন্যাপ (মোজাফফর) এর সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এক শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।’

শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, উপমহাদেশে বাম রাজনীতির অন্যতম পুরোধা, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাম প্রগতিশীল আন্দোলনের পথিকৃৎ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ এ মারা যান। মৃত্যুকালে তার হয়েছিল ৯৭ বছর। দীর্ঘদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের ছয়জন উপদেষ্টার মধ্যে একজন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

আগস্টের নৃশংসতার কথা শুনলেন বিদেশি কূটনীতিকরা

আগস্টের নৃশংসতার কথা শুনলেন বিদেশি কূটনীতিকরা
'বাংলাদেশের ওপর ১৫ আগস্টের প্রভাব' শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা/ ছবি: সংগৃহীত

দেশের ইতিহাসে কলঙ্ক হয়ে থাকা ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের নৃশংসতার কথা ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেছে আওয়ামী লীগ। এ সময় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয় উপ-কমিটি আয়োজিত 'বাংলাদেশের ওপর ১৫ আগস্টের প্রভাব' শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।

সেমিনারে কূটনীতিকদের সামনে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই ভয়াবহ ঘটনার বর্ণনা দেন সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহমান শেখ (রমা)।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566570939144.jpg

১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানো বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলেছে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘কৃষি নির্ভর এই দেশে কৃষকদের স্বার্থে কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭২ সালে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষি ও শিক্ষা খাতে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হবার পর তার সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ১১ বছর। ভারতে সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর। পাকিস্তানেরও প্রথম সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছিল ৯ বছর। সেখানে মাত্র ৯ মাসে আমরা সংবিধান তৈরি করতে পেরেছি শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে।’

আলোচনা শেষে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সাথে কথা বলছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে বঙ্গবন্ধুর একজন খুনিকে হস্তান্তর করেছে। আশা করছি বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীর আগে যুক্তরাষ্ট্র আত্মস্বীকৃত খুনিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566570957140.jpg

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ‘পঁচাত্তর সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি ঘাতকরা। তারা পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের প্রথম সারির নেতাদের একে এক হত্যা করেন। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলে আরেকটি পাকিস্তান রাষ্ট্র তৈরি, কিন্তু তারা সফল হয়নি।’

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমদ, আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
ব্যারিস্টার শাহ আলী ফারহাদ ও উপ-কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, স্পেন, সুইজারল্যান্ড ও জাপানসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিকরা। আলোচনা শেষে কূটনীতিকরা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র