Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গভীর রাতে ঢাবির মল চত্বরে ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ

গভীর রাতে ঢাবির মল চত্বরে ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে বৈশাখ ও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য কনসার্ট মঞ্চের পাশের কয়েকটি স্থানে অগ্নি সংযোগ করেছে ছাত্রলীগ। ভাংচুর ও অগ্নিকাণ্ডের পেছনে ছাত্রলীগের সভাপতির গ্রুপের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, হল থেকে ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন।
 
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উপস্থিত আছেন ডাকসুর জিএস ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, ডাকসুর এজিএস ও ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ডাকসুর নেতৃবৃন্দ।
 
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555101188566.jpg
 
অনুষ্ঠানে আয়োজকদের কর্মচারী দিদারুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'রাত ১টার দিকে বেশ কয়েকজন এসে ভাংচুর শুরু করে ব্যানারগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। কারা এল, কেন এল কিছু জানিনা'।
 
ছাত্রলীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ অভ্যন্তরীণ কোন্দল কিছুদিন যাবত চরমে আছে। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ সভাপতিকে অবজ্ঞা করছে বাকী তিন নেতা, এমন অভিযোগ আছে কিছু নেতা-কর্মীদের মাঝে। সেখান থেকেই সভাপতি অনুসারীদের ক্ষোভের চূড়ান্ত রূপ দেখা গেলো রাতের তাণ্ডবে।
 
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বার্তা২৪.কমকে জানায়, হামলার ঘটনায় অংশ নেওয়া বেশিরভাগই সভাপতির কর্মী সমর্থক। আর তাদের ক্ষোভের পেছনে আছে অবজ্ঞা ও অর্থ ভাগবাটোয়ারার দ্বন্দ্ব।
 

ঢাবির মল চত্বর এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কনসার্ট আয়োজদের সামগ্রী, স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের ব্যানার ফেস্টুন ছেড়া ফাটা, নির্মাণ সামগ্রী বাঁশ-কাঠ ভাঙ্গা, কোথাও আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে আছে। অন্যদিকে ঢাবির বিভিন্ন হল থেকে রাব্বানী, সনজিত ও সাদ্দামের কর্মী সমর্থকরা মল চত্বরে মিছিল নিয়ে এসে উপস্থিত হচ্ছেন।

সর্বশেষ খবর পর্যন্ত, ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বৈশাখী কনসার্টও এখন অনিশ্চিত। এদিকে ঘটনা সম্পর্কে জানার জন্য শোভন, রাব্বানী, সনজিৎ ও সাদ্দামকে মোবাইলে কয়েকবার কল দেয়া হলেও তারা কেউ সাড়া দেননি। তবে ডাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জহু হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ তালুকদার বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'মল চত্বরে একটু সমস্যা হয়েছে, আমরা বিষয়টা দেখছি'।

আপনার মতামত লিখুন :

কাদেরের স্বাস্থ্যের উন্নতি, চিকিৎসকের সন্তোষ

কাদেরের স্বাস্থ্যের উন্নতি, চিকিৎসকের সন্তোষ
সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদের, ছবি: সংগৃহীত

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অপারেশন পরবর্তী স্বাস্থ্যের আশানুরূপ উন্নতি হয়েছে এবং তার স্বাস্থ্য বর্তমানে স্থিতিশীল।

সিঙ্গাপুরস্থ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে কাদেরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক দলের প্রধান ডা. ফিলিপ কোহ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ডা. ফিলিপ কোহ'র উদ্ধৃতি দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক (উন্নয়ন) ডা. আবু নাছের রিজভী হাসপাতালের লবিতে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, 'ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্য স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রতিটি প্যারামিটার আশানুরূপ উন্নতি করেছে।'

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার মো. আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন- কাদেরের সহধর্মিণী এডভোকেট ইসরাতুন্নেছা কাদের, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোস্তাফিজুর রহমান, সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও দূতাবাস কর্মকর্তা গাজী আল আমিন।

এরশাদের কবরের পাশে জায়গা চাইলেন রওশন

এরশাদের কবরের পাশে জায়গা চাইলেন রওশন
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদ

রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফনের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো- চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। একই সঙ্গে রংপুরের পল্লী নিবাসে স্বামী এরশাদের কবরের পাশে নিজের কবরের জন্য জায়গাও চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে এক বিবৃতি এ ইচ্ছের কথা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদের দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন বলেন, তার মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা সম্মান ও সহানুভুতি প্রকাশ করেছেন। তার জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তার প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি,ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি। সেই সঙ্গে পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা চাইছি।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র