Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ময়মনসিংহে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ফুলপুরে পানিতে ডুবে মাহিয়া (৬) ও জবা (৭) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের চরনিয়ামত গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাহিয়া নকলা উপজেলার কেজাইকাটা গ্রামের মিন্টু মিয়ার মেয়ে ও জবা চরনিয়ামত গ্রামের জাহাঙ্গীরের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফুফাতো বোন মাহিয়া নানা বাড়ি বেড়াতে এসে মামাতো বোন জবাকে নিয়ে শুক্রবার দুপুরে পুকুরে গোসল করতে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি না ফিরলে পরিবারের লোকজন খুঁজতে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিকেলে দুই বোনকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

অশ্রুতে ভিজছে এরশাদের রংপুর

অশ্রুতে ভিজছে এরশাদের রংপুর
এরশাদের শোকে কাঁদছেন তারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বৃষ্টিস্নাত সকাল থেকেই অসংখ্য মানুষ এসে ভিড় করেছেন রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশে। রংপুরের সন্তান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষা তাদের।

চোখে জল, হাতে ভালোবাসার ফুল নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অসংখ্য মানুষ।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ আনা হয়েছে রংপুরে। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশে ঢল নেমেছে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষের।

সকাল থেকেই অসংখ্য নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন দলীয় চেয়ারম্যানকে শ্রদ্ধা জানাতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শোকে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষও আবেগাপ্লুত। ডুকরে কাঁদছেন তারা। শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখা আর অন্তিম যাত্রায় বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত এরশাদের দুর্গ খ্যাত রংপুর।

ds

মঙ্গলবারের (১৬ জুলাই) বাদ জোহর রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এরশাদের নামাজে জানাজার আয়োজন করেছেন রংপুরের নেতাকর্মীরা। এজন্য মাঠে প্যান্ডেল করা হয়েছে। বাদ জোহর এ জানাজায় অংশ নিতে রংপুরের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ছুটে এসেছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করার পাশাপাশি কার্যালয়ে উত্তোলন করা হয়েছে কালো পতাকা।

এর আগে সোমবার (১৫ জুলাই) বাদ আছর ঢাকায় তার তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। তাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের খতিব। এর আগে ঢাকায় আরও দু’টি জানাজা হয়। প্রতিটি জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

s

রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৪ জুলাই) না ফেরার দেশে চলে যান এরশাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

পানি থাকলে বাঁধ সংস্কার করা যাবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানি থাকলে বাঁধ সংস্কার করা যাবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পানি থাকলে বাঁধ সংস্কার করা যাবে না বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাঁধ যেখানে যেখানে ভেঙে যাচ্ছে সেখানে আমরা কাজ করছি। কিছু জায়গায় বাঁধ ভেঙেও গেছে। সেটা আবার মেরামত করব। পানি থাকলে বাঁধ সংস্কার করা যাবে না। পানি কমে গেলে সংস্কার করতে পারব। ফেনীতে পানি কমে যাওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্ষাটা প্রাকৃতিক। পৃথিবীর আবহাওয়াতে একটা পরিবর্তন হচ্ছে। চায়না-আমেরিকায় নদী ডুবে গেছে। এটা আবহাওজনিত কারণ, এখানে কিছু করা যাবে না। তবে যতখানি সম্ভব আমাদের এটি ঠেকাতে হবে। ড্রেজিং করে নদীতে নাব্যতা আনলে এটা কমে আসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ভাটির দেশের মানুষ। উজান থেকে পানি নেমে আসবেই, আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের নদী অনেক কিন্তু, বড় নদীতে চর পড়ে আছে। এই নদীগুলোতে আমরা ড্রেসিং করব। নদীর যে পরিমাণ ৮-১০ কিলোমিটার চওড়া, সেটাকে আমরা ৪-৫ কিলোমিটারে নিয়ে আসব।

বন্যা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে তিনি বলেন, যে বন্যা হচ্ছে তাতে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বৃষ্টি হচ্ছে। সেই বৃষ্টির পানি প্লাবিত হয়ে বাংলাদেশে নেমে আসছে। এখানে পানির পরিমাণ এতো বেশি যে নরমাল বাঁধে এই পানি ঠেকানো যাবে না। যেখানে যেখানে নদী ভাঙন হচ্ছে, আমরা জরুরি কাজ করে সেটি ঠেকানো চেষ্টা করছি।

বন্যা কবলিত প্রতিটি এলাকায় এমপি ও জেলাপ্রশাসকদের প্রতিনিধি দিয়ে কমিটি করে কাজ করানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ডিসিদের প্রতি বিশেষ কোন নির্দেশনা ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমগুলো সম্পর্কে তাদের অবহিত করেছি। এখন যে বন্যা দেখা দিয়েছে, জেলা প্রশাসকরা এলাকায় গিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। আমরা সকলে সম্মিলতভাবে বন্যাকে মোকাবিলা করব। এবার বছরের প্রথম থেকেই আগাম বন্যার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলাম। যে সকল এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলো পরিদর্শন করতে ও সেখানকার সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য।

এ সময় পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র