Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাকায় ‘অগ্নিসেনা’ সোহেলের মরদেহ

ঢাকায় ‘অগ্নিসেনা’ সোহেলের মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বনানীর ফারুক রূপায়ণ (এফআর) টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধারকাজের সময় গুরুতর আহত হয়ে মারা যাওয়া ‘অগ্নিসেনা’ সোহেল রানার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সোহেলের মরদেহ সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার কামরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সোহেলের মরদেহ বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাতে সোহেলের মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) রাখা হবে। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরে জানাজা শেষে সোহেলের মরদেহ নিয় যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনায়।

রোববার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৭ মিনিটে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সোহেল রানা।

আরও পড়ুন: মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বনানীর অগ্নিকাণ্ডে আহত অগ্নিসেনা সোহেল

উল্লেখ্য, ২৮ মার্চ দুপুর পৌনে ১টার দিকে ২২তলা এফআর টাওয়ারের আট ও নয়তলায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তাতে নিহত হন ২৬ জন এবং আহত হন দমকল কর্মী সোহেল রানাসহ অন্তত ৭৩ জন।

অগ্নিকাণ্ডের পর কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান সোহেল রানা ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উঁচু ল্যাডারে (মই) উঠে আগুন নেভানো ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার  করছিলেন। একপর্যায়ে সোহেলের শরীরে লাগানো নিরাপত্তা হুকটি মইয়ের সঙ্গে আটকে গেলে তিনি মই থেকে পড়ে বিপজ্জনকভাবে ঝুলছিলেন। ওই সময় তার একটি পা ল্যাডারের চাপে ভেঙে যায় এবং পেটেও প্রচণ্ড চাপ পড়ে। 

আপনার মতামত লিখুন :

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি বলেছেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অবশ্যই আমাকে উদ্বিগ্ন করে। কারণ আমিও তো নারী।’

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘আগেও নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। কিন্তু সেগুলো তারা প্রকাশ করত না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নারীদের এতটা ক্ষমতাধর ও ভয়েস রেইজ করেছেন যে তারা নিজেরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসছেন এবং ঘটনাগুলো প্রকাশ করছেন।’

দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেছিলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন তেমনভাবে বাড়েনি বা ক্রাইসিস মোমেন্ট তৈরি হয়নি, বিষয়টি গণমাধ্যমেই বেশি প্রচারণা হচ্ছে।’

পূর্বের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংখ্যা যেটা বলছেন, সেটা আর ক্রাইসিস নিয়ে কথা বলেছি। এখনো আমি সেটাই বলব। সেটা হচ্ছে আপনারা যে বলেন অনেক বেড়েছে, আমি আপনাদের থেকে পাল্টা জানতে চাই যে, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে কি কোনো বেজ লাইন সার্ভের ডাটা আছে? যার সাথে তুলনা করে বলছেন যে, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন বেড়েছে?’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংগঠন বলে, তাদেরই বা কি.. তারা যে গবেষণার মাধ্যমে বলে আমি জানতে চাই যে, তাদের ম্যাথডোলজি কী? তাদের স্যাম্পল সাইজ কী? তাদের ম্যাথড অব ডাটা কালেকশন কী? কী ইনস্ট্রুমেন্ট তারা ইউজ করেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563359134078.gif

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘যে প্রসঙ্গে আমি বলেছি সেটা হচ্ছে যে, আগেও কিন্তু নারী নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনাগুলি ঘটেছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা আমরা জানি না। কারণ এখন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া অগণিত। সেজন্য এখন জানতে পারছি যে, ওখানে এতজন নারী নির্যাতন বা শিশু নির্যাতন হয়েছে।’

আপনি কি বলছেন এ সংখ্যাটা বাড়েনি- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাড়েনি সেটাও বলিনি, কমেছে সেটাও বলিনি। আমি বলছি যে, যদি বলি বেড়েছে তাহলে একটা তুলনা করে বলতে হয়। কিন্তু আমরা তুলনা করতে পারি না। কারণ আমাদের কাছে বেজ লাইন ডাটা নেই।’

এ বিষয়ে সরকারের কাছেও কি কোনো ডাটা নেই জানতে চাইলে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমিতো বলছি বেজলাইন ডাটা কোথাও নেই। এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ডিসিদের এ বিষয়ে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। উনারা যাতে তাদের মনিটরিং, কো-অপারেশন বাড়ান, এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা
সাংবাদিকদের মুখোমুখি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বেশি সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করলে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের পঞ্চম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ভূমি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে বলেছি, প্রত্যেকে উদ্যোগী হয়ে সরকারি জমি আরও কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য। যে যত বেশি জমি উদ্ধার করতে পারবে তাদেরকে আমি রিওয়ার্ড (পুরস্কার) দেব বলেছি।'

ভূমি ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে তিনি বলেন, 'ভূমি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজের পরিধি বেশি। সুতরাং এখানে আমরা জনগণকে সেবা দিতে চাচ্ছি। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় সমস্যা হয়। যাদের জমি অধিগ্রহণ হয় তাদের টাকা দেওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে। সাত আট ধারার নোটিশ হয়ে যাবে তাদের লেজিটেমেট ক্লেইম থাকলে সেটা যাতে দিয়ে দেওয়া হয়, সেই অনুশাসন আরও ক্লিয়ার করে দিয়েছি। মামলা হলে সেটা পরে দেখা যাবে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।'

তিনি বলেন, 'মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের পর্যবেক্ষণে যাওয়া ও ওয়ার্কশপ করার জন্য বলেছি। তারাও রেকর্ড রুমসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে যে এসিল্যান্ড সেখানে আমরা নতুন ভবন করছি, সেখানে কিন্তু রেকর্ড রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের কাজ কিন্তু চলছে।'

ল্যান্ড জোনিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, 'এটা ভূমি ডিজিটালাইজেশনের একটি অংশ। যত্রতত্র তিন ফসলা জমি, এখানে ওখানে করে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ল্যান্ড জোনিং এনফোর্স করছি। ইতোমধ্যে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এবং এটি প্রায় শেষ পর্যায়ে।'

তিনি আরও বলেন, 'আগের ব্রিটিশ কিছু আইন যেগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন, সেগুলোতে আমরা হাত দিয়েছি। ডিসিদের সে বিষয়গুলো আমি নজরে দিয়েছি। তাদের বলেছি, যাতে প্যানিক না হয়, মন্ত্রণালয় থেকে র‍্যানডম বেসিসে কিছু কিছু কাজ করব। স্বচ্ছতা রাখার জন্য কাজ করব। মন্ত্রণালয় সব কাজ মনিটরিং করছে এবং করবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র