Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

তালতলীর ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় শনাক্তের নির্দেশ

তালতলীর ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় শনাক্তের নির্দেশ
এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনার তালতলী উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ  সব বিদ্যালয় শনাক্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে তিন জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ নির্দেশনা দেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনের তিনটি শূন্য পদের নির্বাচিত প্রার্থীরা শপথ নেন।

ছাদের পলেস্তারা খসে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ওই ঘটনা তদন্তে স্থানীয় এলজিআরডি অফিসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।’

তিনি জানান, বরগুনার ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পুনঃনির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং একই সাথে ওই উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় শনাক্তের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঢাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঢাকায় জলাবদ্ধতা হবে না। আমরা ইতোমধ্যে সব ব্যবস্থা নিয়েছি। জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দিতে চায়। সে লক্ষ্যে জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী ও গণমুখী করার করার জন্য ১৩১ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মত জেলা পরিষদের আইনটি ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়। এ আইন প্রণয়নের ফলে জেলা পরিষদ কাঠামো শক্তিশালী হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সচিবালয়ে শপথ নেওয়া নব নির্বাচিতরা হলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের মেহেদী হাসান, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের ১২ নং ওয়ার্ডের আবদুল বাতেন ও সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের ১৩ নং ওয়ার্ডের শেফালী খান।  তাদের নাম বাংলাদেশ গেজেট এর ১১ মার্চ ২০১৯ অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, তালতলী উপজেলার ছোটবগী পি. কে. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে মানসুরা নামের ৩য় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।

আরও পড়ুন: বিদ্যালয়ের পলেস্তারা খসে নিহত ১, আহত ১০

আপনার মতামত লিখুন :

রুয়েট শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও স্ত্রীকে যৌন হয়রানি, গ্রেফতার ৩

রুয়েট শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও স্ত্রীকে যৌন হয়রানি, গ্রেফতার ৩
গ্রেফতারকৃত তিন যুবক, ছবি: সংগৃহীত

স্ত্রী্কে যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ করায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সহকারী অধ্যাপক রাশিদুল ইসলামের উপর হামলা ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর সোনাদিঘী মোড় থেকে তাদের আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা।

পরে তাদের মহানগর পুলিশের পশ্চিম জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আমির জাফরের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানেই দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় আটককৃতদের। পরে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। তাদের মধ্যে একজন জাতীয় দৌঁড়বিদও রয়েছেন।

এদিকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘তিনজনকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আমাদের থানায় সোপর্দ করেছেন।’

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার মোল্লাপাড়া এলাকার মুসতাকের ছেলে বকুল আহমেদ (১৯), রাজপাড়া থানার আলিরমোড় এলাকার দুলালের ছেলে শাহানুর হোসেন খোকন (১৯) ও নগরীর বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জ এলাকার শহিদুলের ছেলে রিপন মন্ডল (১৮)

জানা যায়, গত ১০ আগস্ট রুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষক রাশিদুল ইসলাম (প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বর্ণপদক প্রাপ্ত) তার স্ত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় একদল বখাটের হামলার শিকার হন। ঘটনার পর ওই শিক্ষক ফেসবুকে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেন। যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ভুক্তভোগী শিক্ষক ও তার স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশের আশ্বাসে গত ১৬ আগস্ট শিক্ষক রাশিদুলের স্ত্রী এ ঘটনায় থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন যুবককে আসামি করা হয়। পুলিশ গুরুত্বসহকারে মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্তের কাজ শুরু করেন।

আরও পড়ুন, রুয়েট শিক্ষককে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে কিশোরীকে অপহরণ

অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে কিশোরীকে অপহরণ
রাজশাহীর দুর্গাপুরে কিশোরী অপহরণ, ছবি প্রতীকী

রাজশাহীর দুর্গাপুরে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে এক কিশোরীকে অপহরণ করেছে একদল বখাটে। মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় বখাটেদের বাধা দেওয়ায় কিশোরীর মাকেও মারধর করা হয়। ভয়-ভীতি দেখিয়ে বাড়ির স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থও লুট করে নিয়ে যায় বখাটে দল।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত কিশোরী কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। কিশোরীর পরিবার হিন্দু সম্প্রদায়ের।

পরিবার সূত্র জানায়, গত এক বছর ধরে টুটুল নামে স্থানীয় এক যুবক উত্যক্ত করে আসছিল। বখাটেদের হাত থেকে রেহাই পেতে কিশোরীর বিয়ে ঠিক করে পরিবার। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের দিন ঠিক করা হয়।

অপহৃত কিশোরীর বাবা তার স্ত্রী ও বৃদ্ধা মায়ের বরাত দিয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে তার স্ত্রী ও বৃদ্ধা মা ছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে দু'টি মোটরসাইকেলযোগে ৪/৫ জন যুবক তার বাড়িতে আসেন । প্রথমে তারা অস্ত্রের মুখে কিশোরীর মা ও দাদিকে জিম্মি করে। পরে তার ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে। পরে মেয়েকে নিয়ে যেতে উদ্যত হলে তার স্ত্রী চিৎকার দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় তার স্ত্রীকে মারপিট করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।

কিশোরীর বাবা বলেন, 'যারা বাড়িতে এসেছিল, তাদের একজনের হাতে পিস্তল ও একজনের হাতে ধারালো অস্ত্র (চাকু) ছিল। বাড়ির বাইরে পাহারায় ছিল আরও ২ থেকে ৩ জন।'

কিশোরীর বাবা জানান, প্রায় এক বছর ধরে কায়ামাজমপুর গ্রামের ফেরদৌস আলীর ছেলে টুটুল তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে কয়েকবার তার বাবাকে অভিযোগও করা হয়। তাতে কোন কাজ হয়নি। টুটুলের বাবা ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ফলে ভয়ে তিনি পুলিশকে অভিযোগও করতে যাননি। বাধ্য হয়ে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছিলেন। এক সপ্তাহ আগে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তার আশীর্বাদ হয়েছে।

জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খুরশিদা বানু কনা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের কয়েকটি টিম মাঠে নেমেছে।’

তিনি আরও বলেন, 'আমরা আশেপাশের সকল থানায়ও বার্তা পাঠিয়েছি। সবার আগে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা।' পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন, রাজশাহীতে দিনে নারী-শিশু নির্যাতনের ১২ মামলা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র