Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বান্দরবানের রুমায় নারী মেম্বারকে লাথি মারলেন চেয়ারম্যান

বান্দরবানের রুমায় নারী মেম্বারকে লাথি মারলেন চেয়ারম্যান
ছবিঃ সংগৃহীত
বান্দরবান প্রতিনিধি


  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের রুমায় ছোমাচিং মারমা নামে এক নারী মেম্বারকে লাথি মেরেছেন পাইন্দু ইউপি চেয়ারম্যান।

স্থানীয়রা জানায়, জেলার রুমা উপজেলা সদরে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে বুধবার দুপুরে ভাত খাচ্ছিলেন পাইন্দু ইউনিয়নের ১,২,৩ নাম্বার ওয়ার্ডের নারী মেম্বার ছোমাচিং মারমা (৩০)। ঐ সময় পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমাও সেখানে খাবার খেতে যান। এসময় তিনি ছোমাচিং মারমাকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় নারী সদস্য (মেম্বার) পদ থেকে পদত্যাগের কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সবার সামনে ছোমাচিংকে লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেন চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা।

এ ঘটনায় নারী মেম্বার ছোমাচিং মারমা রুমা থানায় অভিযোগ করতে গেলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমাসহ দুজনকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যান। পরে পাইন্দু ইউপি চেয়ারম্যানকে নারী মেম্বারের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন। কিন্তু তারা রাজি হয়নি।

অভিযুক্ত পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা বলেন, নারী মেম্বার ছোমাচিং মারমা আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। ক্ষিপ্ত হয়ে আমি তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছি। রাগের মাথায় আমার বিষয়টি ভুল হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানও হয়েছে।

তবে নারী মেম্বার ছোমাচিং মারমা বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনো মীমাংসা হয়নি। দু’একদিনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করব আমি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কাশেম জানান, ঘটানাটি আমি মানুষের কাছ থেকে শুনেছি। তবে এঘটনায় থানায় এখনো মামলা হয়নি। ভুক্তভোগীও কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে ন্যস্ত প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বৃহস্পতিবার নিয়োগপত্র গ্রহণ করেছে নারী মেম্বার ছোমাচিং মারমা।

আপনার মতামত লিখুন :

আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী
সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘জাতির পিতার আদর্শকে আমাদের বুকে ধারণ করতে হবে। তার যে স্বপ্ন- ক্ষুদামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তুলতে আমাদের সবার একসাথে কাজ করতে হবে।’

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল, যার নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি তাঁর সারা জীবন আমাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে উৎসর্গ করেছেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার সময় এ দেশ সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত ছিল। এমনকি ওই সময় বিদেশি অনেকেই বাংলাদেশকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত, বলত- এ দেশ টিকবে না। সেই দেশ এখন আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৯ সাল হতে প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে। এ তিন মেয়াদে বাংলাদেশের যে আমূল পরিবর্তন হয়েছে তা অবিশ্বাস্য। সকল পর্যায়ে মৌলিক চাহিদা পূরণ করে সফলতা অর্জন করার সাথে সাথে, সামগ্রিক অর্থনীতিতে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার জন্য বিশ্বে বাংলাদেশ আজ একটি রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।’

ভূমী মন্ত্রণালয়ের গণমুখী কাজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে মন্ত্রী গুচ্ছগ্রাম ও ভূমিহীনদের জমি প্রদানের বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরতদের প্রতি মন্ত্রী দুর্নীতিমুক্ত জনসেবা প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির কারণে আমাদের প্রবৃদ্ধি আমাদের প্রাপ্য থেকে অনেক কম হচ্ছে। দুর্নীতিমুক্ত জনসেবা প্রদান দেশকে ভালোবাসার নামান্তর।’

আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি ভূমি সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারী হিসেবে সেবা করাই আমাদের ধর্ম। স্বাধীনতার চেতনা ও জাতির পিতার চেতনা কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে থাকলে হবে না। সারা বছর আমাদের কাজের মধ্যে তা প্রমাণ করতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুল হান্নান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনিস মাহমুদ, আতাউর রহমান ও সিরাজ উদ্দিন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হযরত আলী।

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি, কাসেম ড্রাইসেলের এমডি গ্রেফতার

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি, কাসেম ড্রাইসেলের এমডি গ্রেফতার
বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে/ ফাইল ছবি

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি মামলার আসামি কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসভির-উল-ইসলামকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ আগস্ট) তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন: ভবন নির্মাণে নিয়ম মানেনি রূপায়ণ, চেয়ারম্যানকে খুঁজছে..

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাসভির-উল-ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ৩ নম্বর মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

গত ২৮ মার্চ  বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৭ জন মারা যান। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদনে জমির মালিক এসএমএইচআই ফারুক হোসেন এবং কাশেম ড্রাইসেল ব্যাটারির মালিক ও এফআর টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভির-উল-ইসলাম এবং রাজউকের সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

ফারুক হোসেন ১৯৯৬ সালে তার মালিকানাধীন ১০ কাঠা জায়গাতে ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকে আবেদন করেন। প্রথমে ১৫ তলার অনুমোদন পেলেও পরবর্তীকালে রাজউকের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে অবৈধভাবে ১৮ তলা ভবন নির্মাণ করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে অবৈধভাবে ২৩ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

২০০৭ সালে বিষয়টি তদন্ত করে অনুমোদিত নকশায় অতিরিক্ত পাঁচতলা নির্মাণের প্রমাণ পেয়েও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি রাজউক।

পরে নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে এফআর টাওয়ারের মালিক, রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন:আগুন নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার কাজ চলছে

টাকার বান্ডিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে এফআর টাওয়ারের ভেতরে

পুলিশ অফিসার হতে চায় ভাইরাল হওয়া নাঈম

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র