Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘কক্সবাজারকে পর্যটক বান্ধব করা যায়নি'

‘কক্সবাজারকে পর্যটক বান্ধব করা যায়নি'
কর্মশালায় বক্তব্য দেন সচিব মো. মহিবুল হক / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হলেও এটিকে পর্যটক বান্ধব করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক।

তিনি বলেছেন, ‘এখনো পর্যন্ত কোনো পর্যটক কক্সবাজার বেড়াতে গেলে সমুদ্র দেখা ছাড়া তার আর কিছু করণীয় থাকে না। এই সমস্যা দূর করার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশের সমস্ত অঞ্চলকে নিবিড় পর্যটন অঞ্চল ঘোষণা করেছে। সেখানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের নির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় পর্যটন শিল্পের বিকাশে যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হবে।’

বুধবার (০৩ এপ্রিল) সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত ‘উন্নয়ন ভাবনায় পর্যটন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, ‘কক্সবাজারে আমাদের পর্যটকদের বিনোদনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর মোহনায় দেশি এবং বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। সেখানে পর্যটকদের বিনোদনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।’

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে সমস্ত পর্যটন স্পট আছে তা এখনো দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে পূর্ণরূপে তুলে ধরা যায়নি। আমাদের পর্যটন স্পটগুলোকে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি আমাদের সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে নিয়ে আমরা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করেছি। সুন্দরবনের কাছে পর্যটন বিকাশে একটি নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরি করা হবে। তার উন্নয়নে মন্ত্রণালয় বেসরকারি সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একত্রে কাজ করবে।’

মহিবুল হক বলেন, ‘বান্দরবান রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে পর্যটন বিকাশে বিশেষ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই তিন পাহাড়ি জেলাকে পর্যটনবান্ধব করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই জেলা তিনটির পাহাড়, নদী এবং লেকের যে সৌন্দর্য, তা পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সকলের কাছে আকর্ষণীয় উপজাতীয় সংস্কৃতিকে পর্যটকদের কাছে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার ব্যবস্থা থাকবে সেই পরিকল্পনায়।’

সচিব বলেন, ‘আমাদের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক যেসব পর্যটন স্থাপনা রয়েছে তাতে পর্যটকদের সকল সুবিধা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের পর্যটন শিল্পের বিকাশে আমাদের যে সম্পদ রয়েছে তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশে যথাযথ প্রচার নিশ্চিত করতে হবে। প্রচার ছাড়া আমাদের পর্যটন শিল্পকে দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের নিকট যথাযথভাবে উপস্থাপন সম্ভব নয়।’

তাই তিনি সরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি সকল বেসরকারি সংস্থাকে ও পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতিকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডক্টর ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস।
এতে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের।

আপনার মতামত লিখুন :

পুলিশ নিয়োগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

পুলিশ নিয়োগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল/ ফাইল ছবি

পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগে যেসব পুলিশ সদস্যদের জড়িতের অভিযোগ পাওয়া গেছে, তা তদন্তে প্রমাণ হলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ধানমন্ডিতে বিজিবি সদর দফতরে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্য যেকোনো বারের তুলনায় এবার পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ স্বচ্ছ হয়েছে। সকল ধরনের তদবির-বাণিজ্য ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল পুলিশ সদর দফতর।

এত কিছুর মধ্যেও যে সকল পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এ অভিযোগ প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অশ্রুতে ভিজছে এরশাদের রংপুর

অশ্রুতে ভিজছে এরশাদের রংপুর
এরশাদের শোকে কাঁদছেন তারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বৃষ্টিস্নাত সকাল থেকেই অসংখ্য মানুষ এসে ভিড় করেছেন রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশে। রংপুরের সন্তান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষা তাদের।

চোখে জল, হাতে ভালোবাসার ফুল নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অসংখ্য মানুষ।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ আনা হয়েছে রংপুরে। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশে ঢল নেমেছে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষের।

সকাল থেকেই অসংখ্য নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন দলীয় চেয়ারম্যানকে শ্রদ্ধা জানাতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শোকে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষও আবেগাপ্লুত। ডুকরে কাঁদছেন তারা। শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখা আর অন্তিম যাত্রায় বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত এরশাদের দুর্গ খ্যাত রংপুর।

ds

মঙ্গলবারের (১৬ জুলাই) বাদ জোহর রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এরশাদের নামাজে জানাজার আয়োজন করেছেন রংপুরের নেতাকর্মীরা। এজন্য মাঠে প্যান্ডেল করা হয়েছে। বাদ জোহর এ জানাজায় অংশ নিতে রংপুরের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ছুটে এসেছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করার পাশাপাশি কার্যালয়ে উত্তোলন করা হয়েছে কালো পতাকা।

এর আগে সোমবার (১৫ জুলাই) বাদ আছর ঢাকায় তার তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। তাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের খতিব। এর আগে ঢাকায় আরও দু’টি জানাজা হয়। প্রতিটি জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

s

রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৪ জুলাই) না ফেরার দেশে চলে যান এরশাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র