Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এক দশক ক্ষমতায় থাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

এক দশক ক্ষমতায় থাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা এক দশক আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধিত হয়েছে। যার সুফল দেশের মানুষ ভোগ করছে। একই সঙ্গে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা দেশকে উন্নত করা সম্ভব, যার প্রমাণ বাংলাদেশ।

বুধবার (৩ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১১টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন, ১৩টি অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২০টি শিল্পকারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮ সালে নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠন করি। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত অর্থাৎ একটানা প্রায় এক দশক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার ফলে আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল, অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা সেখানে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি। সেটা অর্জন করতে পেরেছি। বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ একটা সুষ্ঠু পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে যদি আমরা এগোতে থাকি তাহলে যে কোনো একটি দেশকে উন্নত করা সম্ভব। অন্তত আমি এটুকু দাবি করতে পারি যে, গত দশ বছরে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৯ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন কিন্তু সারা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে মন্দা। এই মন্দার মধ্যে বাংলোদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগোতে পারবে তখন কিন্তু এটা অনেকেই ভাবতে পারেনি। আমরা কিন্তু সেই অর্থনৈতিক মন্দা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হই। আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা সক্ষম হই।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/03/1554289831651.jpg

অর্থনীতির গতিশীলতা এসেছে বলে অনেক বিদেশফেরত তরুণ এখন দেশেই কাজ করছে জানিয়ে এ সরকার প্রধান বলেন, ‘অনেকে ছেলে-মেয়েদের বিদেশে পাঠিয়েছিল পড়াশোনা করতে। আজকে দেশের অর্থনীতিতে যেহেতু গতিশীলতা এসেছে তাদের অনেকেই দেশে ফিরে এসেছে। বাবার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে। কাজেই তরুণ সমাজ তারা যে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, শিল্পায়নের ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে, সেটার সত্যিই আমি প্রশংসা করি। কেন না অনেক তরুণ মুখ আমরা দেখি যারা কাজ করে যাচ্ছে।

দেশের উন্নয়নের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জমির স্বল্পতা আছে, আমাদের খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। যেহেতু আমাদের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। কৃষি আমাদের প্রয়োজন, কিন্তু সেই সাথে সাথে শিল্পায়নও আমাদের প্রয়োজন। আর সেই কথা চিন্তা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, সারা বাংলাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলব। যেখানে দেশি বিদেশি সব ধরনের বিনিয়োগ হবে এবং বিনিয়োগটা অঞ্চলভিত্তিক হবে। অর্থাৎ শিল্পায়নটা কোথায় হবে কীভাবে হবে, সেটা আমরা ঠিক করে দেব। যত্রতত্র আামাদের কৃষি জমিটা নষ্ট হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গবেষণা করে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো শুরু করেছি। কারণ, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে সব থেকে বড় হল খাদ্য। কাজেই বাংলাদেশকে আমাদের ক্ষুধা মুক্ত করতে হবে, দারিদ্র্যমুক্ত করতে হবে, খাদ্য উৎপাদনও আমাদের বাড়াতে হবে। আমাদের দেশে যে কোনো সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক সময় ফসল নষ্ট হয়। কাজেই দুর্যোগকালীন আমাদের খাদ্য মজুদের ব্যবস্থাও করতে হবে। আবার আমার যেন কারও কাছে হাত পাততে না হয়, নিজেরা মর্যাদা নিয়ে থাকতে পারি সেদিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য নিয়েই আমাদের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দেওয়ার পরিকল্পনা।’

সমগ্র বাংলাদেশকে মিলিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর শুভ ফলটা পাচ্ছেন আপনারা যারা ইন্ডাস্ট্রি করছেন, বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছেন। তারা নিজেরাই দেখতে পারছেন তার একটা মার্কেট নিজের দেশের ভেতরেই সৃষ্টি হচ্ছে, যেহেতু দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন: রোজায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়াবেন না: প্রধানমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত হয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ পৌঁছেছে

ভারত হয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ পৌঁছেছে
ভারত হয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ

প্রথমবারের মত পাথরবাহী ভারতীয় জাহাজ ভুটান থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। গত ১২ জুলাই আসামের ধুবরি বন্দর থেকে রওনা দেয় পাথরবাহী জাহাজ এমভি এআই। ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে ১৬ জুলাই নারায়ণগঞ্জে এসে পৌঁছায় জাহাজটি। 

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নারায়ণগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালানটি গ্রহণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ, ভুটানের  রাষ্ট্রদূত সোনম টি. রাবগি।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব জানিয়েছে।

ভারতের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ১২ জুলাই ডিজিটালভাবে এমভি এএআই নামের ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের এই জাহাজটির যাত্রা সূচনা করেন। এরপর জাহাজটি আসামের ধুবরি থেকে যাত্রা করে এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর দিয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছায়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ধুবরিকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়। এই প্রথমবারের মতো ভারতীয় নৌপথ ও ভারতকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।

আসামের ধুবরি বন্দর থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভুটানের ফুয়েন্টশোলিং থেকে ট্রাকে করে পাথর আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভুটান স্থলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পাথর রফতানি করে আসছে। জাহাজটি এক হাজার মেট্রিক টন পাথর পরিবহন করছে, যা স্থলপথে পরিবহন করতে ৫০টিরও বেশিট্রাক প্রয়োজন হতো।

নৌপরিবহন মন্ত্রী মাণ্ডব্য বলেন, এই উন্নয়ন ঐতিহাসিক যার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে লক্ষ্য তা পূরণে হয়েছে। এই উদ্যোগের  মাধ্যমে ভারত, ভুটান এবং বাংলাদেশ উপকৃত হবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, এই রুটের মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহনের ফলে ৮ থেকে ১০ দিন সময় সাশ্রয় হবে, পরিবহন খরচ কমবে ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য খরচও কমবে। শ্রী মাণ্ডব্য আরও বলেন, এটি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যের জন্য একটি বিকল্প পথ উন্মুক্ত করবে, যার মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অংশ থেকে এই স্থানে পণ্য পৌঁছানো সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, ন্যাভিগেশন চ্যানেলে নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ড্রেজিং করা হয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রেজিং করা হবে। এছাড়াও ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথ ব্যবহার বৃদ্ধি করে পণ্য পরিবহনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ভারত-বাংলাদেশে ফেয়ারওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে আশুগঞ্জ-জকিগঞ্জ রুটের ড্রেজিং কাজও চলমান রয়েছে।

ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি, প্রতিরোধে ১২ সুপারিশ দুদকের

ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি, প্রতিরোধে ১২ সুপারিশ দুদকের
এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম কাছে প্রতিবেদন জমা দেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান

ওয়াসার ১১টি খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে ১২টি প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) তাজুল ইসলাম কাছে প্রতিবেদন জমা দেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। ওই প্রতিবেদনে এসব দুর্নীতি ও সুপারিশ করা হয়েছে।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে আমাদের প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো অবশ্যই দেখব। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না, সেটি এই সরকারের অঙ্গীকার। সব জায়গায় দুর্নীতি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। দুর্নীতির কারণে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সবাই অঙ্গীকারাবদ্ধ।

তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা দুদকের পাওয়া অভিযোগগুলো আমলে নিয়েছি। আমরা এগুলো তদন্ত করব। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেবে।

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। এক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকেন।

তিনি বলেন, ওয়াসার সরবরাহ করা পানি এখনও পানযোগ্য নয়। ওয়াসার ১১টি দুর্নীতি আমরা পেয়েছি; এজন্য ১২টি সুপারিশ করেছি। বিভিন্ন প্রকল্পে অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, প্রকল্পের খরচ বেড়ে গেছে। কালক্ষেপণের কারণে এমন হয়েছে। এছাড়া ঠিকাদারদের তাদের কাজের চেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে। এতে কাজ তুলে নিতে পারছে না। তাই কাজের মান ও পরিমাণ বিবেচনা করে টাকা ছাড় করলে ভালো ফল পাওয়া যেতো। তাই বলা যায়, স্পষ্টতই এখানে ওয়াসার সংশ্লিষ্টতা আছে।

দুদক কর্মকর্তা বলেন, এসব বন্ধে টেকনিক্যাল লোকজনদের নিয়ে সারভেইলেন্স টিম গঠন করা যেতে পারে। প্রাক্কলন পর্যায়ে পেশাদারিত্ব বাড়াতে হবে। ওয়াসার অনেক কাজই অসমাপ্ত। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প ও পদ্মা-যশোদিয়া প্রকল্পেরও অগ্রগতি নেই। মনিটরিং না বাড়ালে এভাবেই পড়ে থাকবে এসব।

তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোতে বিদেশি অর্থায়নও থাকে, সরকারি অর্থও থাকে; উভয় স্বার্থ যেন রক্ষা পায়। সরকারের স্বার্থ তথা জনগণের স্বার্থ রক্ষা পাচ্ছে কম। এজন্য নিরীক্ষা জোরদার করতে হবে।

WASA

ওয়াসার দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ১২ সুপারিশ-

১. ঢাকা ওয়াসার চলমান প্রকল্প বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ অপচয় রোধে বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থা কর্তৃক অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর সমন্বয়ে যৌথ পরিমাণ টিম ও মনিটরিং টিম গঠন করা যেতে পারে। এসব টিম গঠন করা হলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারগণ প্রকল্পকাজ যথাসময়ে যথাযথভাবে সম্পাদনের বিষয়ে মনোযোগী হবেন এবং এতে সময়-অর্থ অপচয় ও দুর্নীতি অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

২. প্রকল্পের প্রক্কালন তৈরির সময় কাজের যথার্থতা ও উপযোগিতা আছে কি-না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৩. বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় যাতে অহেতুক না বাড়ানো হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।

৪. দরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মিনিটরিং বাড়াতে মন্ত্রণালেয়ের শক্তিশালী টিম গঠন করতে হবে।
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫. ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের পূর্বে সুনিশ্চিত হতে হবে- শর্তানুযায়ী প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছে কি-না।

৬. ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মিটার রিডিংয়ের ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৭. অবৈধ ওভারটাইম বিল রোধকল্পে ঢাকা ওয়াসার কর্মচারীদের জনবল কাঠামো সুনিদিষ্ট করে ও বিধিমালা প্রণয়ন করা।

৮. প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন, সওজ, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা।

৯. ওয়াসার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে গনমাধ্যম দুদক, অডিট ডিপার্টমেন্টসজ নজরদারী বাড়াতে হবে।

১০. দুর্নীতি প্রতিরোধে সেবা গ্রহীতাদের নিয়ে ওয়াসার গনশুনানির আয়োজন কনতে হবে৷

১১. ওয়াসার মেগা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন অবস্থায় বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ টিমের আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

১২. টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বুয়েটসহ অন্যান্য পেশাদার সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র