Alexa

রোববার বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, শনাক্তের বাইরে ২৬ শতাংশ

রোববার বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, শনাক্তের বাইরে ২৬ শতাংশ

হাসপাতালে রোগীদের ভিড়, ছবি: ফাইল ফটো

দেশে বর্তমানে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শিশু যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৩৫২ জন। তবে দ্রুত নগরায়ন, কর্মজীবী মানুষের স্থানান্তর, জিন এ পার্ট মেশিনের অপ্রতুলতা, জনসাধারণের মাঝে অসচেতনতা ও কুসংস্কারসহ বিভিন্ন কারণে এখনও ২৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী শনাক্তের বাইরে।

এমন অবস্থার মধ্য দিয়েই রোববার (২৪ মার্চ, ২০১৯) পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। যক্ষ্মা দিবসের এবারের শ্লোগান- ‘এখনই সময় অঙ্গীকার করার, যক্ষ্মা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।’

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ডিআর-টিবির মুখ্য কর্মকর্তা ডা: নাজিস আরেফিন সাকি জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে দেশে এমডিআর যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ১২৪০ জন। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রতি লাখে ২২১ জন নতুন করে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় এবং ৩৬ জন মৃত্যুবরণ করেন।

তাই এ রোগ নির্মূলে জনসাধারণের সচেতনতার পাশাপাশি অত্যাধুনিক জিন-এ পার্ট মেশিনের সংখ্যা ও ব্যবহার বাড়ানো উচিত।

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম বলেন, এই রোগ নির্মূল করতে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০৩৫ সালে যক্ষ্মায় মৃত্যুর হার ৯৫ শতাংশ ও প্রকোপের হার ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায় সরকার।

ব্র্যাকের কমিউনিকেবল ডিজিজেস কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম বলেন, ‘যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণে সঠিকভাবে রোগ শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের নিয়মিত ওষুধ খাওয়া জরুরি। এজন্য তাদের (রোগীদের) আরও সচেতন হতে হবে। আর এক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত হাসপাতাল না থাকা, চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দক্ষ স্টাফের স্বল্পতা, দুর্গম ও চরাঞ্চলে সহজে চিকিৎসা সেবা দিতে না পারা, প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে রেফার করে যক্ষ্মা রোগীকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে না পাঠানো, জিন এ পার্ট মেশিনের স্বল্পতা, গার্মেন্টস বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহজে চিকিৎসা সেবার প্রবেশগম্যতা না থাকা ইত্যাদি বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন :