Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিমানবন্দরে অস্ত্র: আটককৃতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বিমানবন্দরে অস্ত্র: আটককৃতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ত্রসহ ইতোমধ্যে যারা বিমানবন্দরের স্ক্যানারে বাধা প্রাপ্ত হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (২২ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও মনিপুরী পাড়ায় নিজ বাসায় প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গোয়েন্দা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। পাশাপাশি যারা অস্ত্রসহ ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের স্ক্যানারে বাধা প্রাপ্ত হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে প্রাথমিক শিক্ষকদের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন মাদকে আসক্ত না হয় সেজন্য আপনাদের সদা সজাগ থাকতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

‘উগ্রবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় জঙ্গিরা’

‘উগ্রবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় জঙ্গিরা’
র‌্যাবের ব্রিফিং

রোববার রাতে ‘আল্লাহর দল’ নামে জঙ্গি সংগঠনের গ্রেফতার হওয়া চার সদস্যের প্রসঙ্গে র‌্যাবের মুখপাত্র এমরানুল হাসান বলেছেন, এই জঙ্গিরা সশস্ত্র সংঘাত ও নাশকতার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে উৎখাত করে উগ্রবাদী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

সোমবার (১৯ আগস্ট) র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে ওই জঙ্গি সংগঠনের ব্যাপারে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

‘আল্লাহর দল’ নামের জঙ্গি সংগঠনটি প্রসঙ্গে এমরানুল হাসান বলেন, সংগঠনটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। জঙ্গি মতিন মেহেদী মমিনুল ইসলাম ওরফে মতিন মাহবুবের নেতৃত্বে এ সংগঠন গড়ে ওঠে। ২০০৪ সালের শেষের দিকে তিনি সংগঠনটিকে জেএমবির সঙ্গে যুক্ত করেন। পরে সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার ওই সংগঠনও অংশ নেয়।

পরে জেএমবি নেতৃত্বশূন্য হয়ে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে জঙ্গি মেহেদী তার মূল সংগঠনটি নিয়ে জেএমবি ত্যাগ করেন। পরে নিজের সংগঠনকে পুনঃজাগরণের চেষ্টা করেন। মতিন মেহেদী ২০০৭ সালে গ্রেফতার হলে তাকেই আমির মান্য করে ওই সংগঠন নতুন করে পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে জঙ্গি সংগঠনের ৪ সদস্য আটক

র‌্যাব মুখপাত্র আরও জানান, বর্তমানে এই জঙ্গি সংগঠনটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইব্রাহিম আহমেদ হিরো (৪৬)। তিনি ছাড়াও রোববারের অভিযানে আটক হয়েছেন সংগঠনের আরও ৩ জঙ্গি। তারা হলেন—আব্দুল আজিজ (৫০), শফিকুল ইসলাম সুরুজ (৩৮), রশিদুল ইসলাম (২৮)।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566198890494.jpg

এমরানুল হাসান আরও জানান, স্বাভাবিক জঙ্গি সংগঠনের তুলনায় এদের অবকাঠামো বিন্যাস কিছুটা ভিন্ন। গ্রাম পর্যায়ে নায়ক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পদ ‘তারকা’ হিসেবে তারা চিহ্নিত করেছে। এদের অধিনায়ক, উপ-অধিনায়ক, অতিরিক্ত অধিনায়ক পদ রয়েছে। সংগঠনটি সশস্ত্র প্রশিক্ষণের ঝামেলা এড়াতে বিভিন্ন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত চাকরিচ্যুত সদস্যদের যুক্ত করার চেষ্টা করে।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা বিজিবির চাকরিচ্যুত সদস্যদের দলের টানতে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা করেছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির ফলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

২০০৪ সালে ৮ জন, সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা থেকে ৩ জন, ঢাকা থেকে ৪ জন, রংপুর থেকে ৩ জনসহ এ জঙ্গি সংগঠনের মোট ১৮ জন সদস্যকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

অপারেশন থিয়েটারে গারো তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা!

অপারেশন থিয়েটারে গারো তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা!
আটককৃত হাসপাতাল মালিক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহ নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় পদ্মা জেনারেল প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অপরেশন থিয়েটারে গারো সম্প্রদায়ের এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। হাসপাতালের ম্যানেজার সোহেল রানা আলম ও মালিক মজিবর রহমান বাবুলের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালটির মালিককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নার্স পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ গারো তরুণীকে ডেকে নিয়ে যায়। তাদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে এক তরুণীকে অপারেশন থিয়েটার দেখানোর কথা বলে দু’তলার একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় ম্যানেজার সোহেল রানা আলম।

টের পেয়ে ওই সময় বাকি চার তরুণী সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি আপসে মীমাংসার চেষ্টা চালায় হাসপাতাল মালিক মজিবুর রহমান বাবুল। এরই মধ্যে পালিয়ে যায় ধর্ষণ চেষ্টাকারী সোহেল রানা আলম। অভিযোগ পাওয়ার পর রাতে ওই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে মালিক মজিবুর রহমান বাবুলকে আটক করে পুলিশ।

ওসি বলেন, 'প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মূল আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করায় হাসপাতালের মালিককে আটক করা হয়েছে। মূল আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র