Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

মেয়রের আশ্বাসে শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার

মেয়রের আশ্বাসে শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার
শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বরিশাল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ'র আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেছে।

শনিবার (২৩ মার্চ) বেলা ১২টায় বরিশাল সিটি মেয়র সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাসে এ অবরোধ প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে অবরোধ প্রত্যাহার করায় নথু্ল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/23/1553327265486.jpg

এর আগে ঘাতক বাস চালক জলিলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে নিহতের সহপাঠীরা। ওই সময় কিছু সময়ের জন্য নথু্ল্লাবাদ বাস টার্মিনাল অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের বাস চলাচল বন্ধ থাকে।

সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, 'শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শুনেছি। রোববার উপজেলা নির্বাচন হওয়ায়, সোমবার শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, বাস সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রশাসনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে। শিক্ষার্থীরা সেই আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে ফিরে গেছে।'

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২২ মার্চ) সকালে বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে গড়িয়ার পাড়ের তেঁতুলতলা এলাকায় বাস ও মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত শিশুসহ চারজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার
গাইবান্ধার উদ্দেশে যাত্রার পূর্বে ডেপুটি স্পিকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা থেকে- বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর একান্ত সাক্ষাৎকারে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

'আমার এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। কারণ সকলের ঘরেই কমবেশি খাবার আছে, কিন্তু রান্না করে খাবার ব্যবস্থা করার উপায় নাই।'

নিজের নির্বাচনী এলাকাসহ গোটা গাইবান্ধার বন্যা পরিস্থিতির বর্ণনা করতে গিয়ে গাইবান্ধায় যাওয়ার সময় আকাশ পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে তেঁজগাও বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার থেকে হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান ডেপুটি স্পিকার।

তার সঙ্গে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী, একেএম এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

গাইবান্ধার বন্যার্ত মানুষদের জন্য জরুরি শুকনো খাবার

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, 'গাইবান্ধার এবারের বন্যা পরিস্থিতি ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জেলা শহর সবসময় সুরক্ষিত থাকলেও এবার সেটাও নাই। কারণ পারি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এমনভাবে ভেঙে গেছে যার ফলে পুরো এলাকাটিই বন্যায় প্লাবিত।'

তিনি বলেন, 'আমার জেলায় দুর্গত মানুষদের ঘরে ঘরে খাবার আছে। তবে তারা খেতে পারছে না, রান্না করার অভাবে। শুকনো খাবারটাই এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন। আমি নিজ উদ্যোগে বগুড়া থেকে চিড়া সংগ্রহ করেছি।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে অনুরোধ করেছি, জিআর নগদ অর্থের পরিবর্তে ওই অর্থ দিয়ে যদি শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া কিনে দেয়া হয় তাহলে বন্যার্তদের জন্যে কিছুটা হলেও উপকার হবে।'

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিস মশা নিধনে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
র‌্যালিতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপটা বেশি। এই ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সচেতনতা র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563514435926.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। গেল বছরের আগ পর্যন্ত এটি নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার চিন্তার বিষয় আছে। আর তাই এই এডিস মশা নিধনে সরকারের যে সকল প্রচেষ্টা ছিল। সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে। আমাদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। তাহলেই এই রোগ ও মশা থেকে আমরা মুক্তি পাব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র