Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন না করে স্কুলে নিয়মিত পাঠদান

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন না করে স্কুলে নিয়মিত পাঠদান
এই স্কুলটিতে প্রতিদিনের মতো হয়েছে ক্লাস, হয়নি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোন কর্মসূচি, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
খুলনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের কোন কর্মসূচি পালন করেনি খুলনার খালিশপুরের রোটারী স্কুল।

রোববার (১৭ মার্চ) অন্যদিনের ন্যায় পাঠদান কার্যক্রম করেছেন শিক্ষকরা। এতে জাতীয় দিবসটিকে অবজ্ঞা ও নতুন প্রজন্মকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি সম্পর্কে জানা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, স্কুলে জাতীয় শিশু দিবসের কর্মসূচি হবে সেটাই আশা করেছিল শিক্ষার্থীরা। সে জন্য অনেকেই বই-খাতা ছাড়াই স্কুলে আসে। যদিও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলামের বরাত দিয়ে প্রধান শিক্ষক ঘোষণা দিয়েছিলেন যথারীতি ক্লাস হবে। সে অনুযায়ীই স্কুলে কোন ধরনের কর্মসূচি পালন না করেই অন্যদিনের মতোই পাঠদান করেছেন শিক্ষকরা।

১৭ মার্চ মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস যথাযথভাবে পালনের জন্য সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কেক কাটা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম ছিল খালিশপুরের রোটারী স্কুলটি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রোটারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক লুবনা আরা বলেন, 'জাতীয় শিশু দিবসের কোন কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। যথারীতি ক্লাস হয়েছে।' এর বেশি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলামের সাথে কথা বলতে বলেন।

এ সম্পর্কে জানতে রোটারী স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও নগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক প্রফেসর মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুসারে-একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে এ দিনটিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপরে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এ ধরণের কর্মসূচি পালন করা বাধ্যতামূলক। রোটারী স্কুলে যদি একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে থাকেন- তবে তা অবশ্যই ঠিক করেননি। দেখি আমি স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা বলছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা
ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, 'নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে এডিস মশার প্রজনন স্থল অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক বেশি। তাই যেসব নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকার ফলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে সেসব ভবনের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে'।

সোমবার( ২২ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি মেয়র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782288014.jpg

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, 'নির্মাণাধীন ভবন মালিক এবং কর্তৃপক্ষকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কাজ চলার সময় কোনভাবেই ভবনে পানি না জমে এবং এডিস মশার লার্ভা বংশ বিস্তার করতে না পারে। আমরা চিহ্নিত করছি যেসব ভবন মালিকরা নগর কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমে সাড়া দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে প্রয়োজনীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে নগর কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। আজ থেকে এসব মোবাইল কোর্ট চলবে যতদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়'।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782302675.jpg

মেয়র আরও বলেন, 'আমাদের ৫৭ টি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা যাচ্ছেন।যে বাসায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তা ধ্বংস করে পরিষ্কার করে দিয়ে আসছেন এবং ভবিষ্যতের এডিস মশার লার্ভা যেন জন্মাতে না পারে সে জন্য বাসিন্দাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে'।

মেয়র বলেন, ’আমাদের টার্গেট আছে ১৫ দিনের মধ্যে ২৫ হাজার বাসা এডিস মশার লার্ভা মুক্ত করব। আমাদের ৬৮ টি মেডিকেল টিম পাড়া-মহল্লায় কাজ করছে। ইতিমধ্যে ২৫ হাজারের ঊর্ধ্বে ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে'।

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি
চুরি চক্রের আটককৃত সদস্যরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চক্রের দুই মূলহোতা মো. মফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোর বিভিন্ন করপোরেট অফিসে ঢুকে তথ্য সংগ্রহ করত। পরে চক্রের বাকি সদস্যরা একত্রিত হয়ে সুকৌশলে অফিসের লক খুলে দুর্ধর্ষ চুরি করত। এভাবে চক্রটি দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০টি চুরি করে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (২১ জুলাই) রাজধানীর বংশাল থেকে এই চক্রের মূলহোতা মো. মফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলামসহ এ চক্রের পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার বাকি তিনজন হলেন- মো. বদরুল হক, মো. জামাল উদ্দিন ও মো. রাহাদ সরকার। এছাড়া গ্রেফতাকৃতদের কাছ থেকে পাঁচটি ল্যাপটপ, দুটি প্রাইভেট কার, তালা ভাঙার একটি সেলাইরেঞ্জ, দুটি স্ক্রু ড্রাইভার, একটি হেক্স ব্লেড, একটি প্লাস ও নগদ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

সোমবার (২২ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম।

মো. মাহবুব আলম বলেন, 'গত ২/৩ বছর ধরে এই চক্রের দুই মূলহোতার মধ্যে মো. মফিজুর রহমান একজন উবার চালক ও মো. মমিনুল ইসলাম আন্তঃনগর সোনার বাংলা ট্রেনের এটেনডেন্স। এই দুইজন রাজধানীর উত্তরা, ধানমন্ডি, কলাবাগান ও রমনা এলাকার বড় বড় করপোরেট অফিসের খোঁজ নিত। পরে নানা কৌশলে তারা এসব করপোরেট অফিসের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করত। তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়ে গেলে চক্রের বাকি তিন সদস্যদের একত্রিত করে চুরির পরিকল্পনা করত।'

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

তিনি বলেন, 'প্রথমে মফিজুরের উবারের গাড়ি করে চক্রটির সদস্যরা রাতের বেলায় চুরি করার জন্য নির্দিষ্ট অফিসের নিচে যেত। গাড়ি থেকে চার জন নেমে অফিসের ভেতর প্রবেশ করত আর উবার চালক মফিজুর নিচে অপেক্ষা করত। অফিসের গেইটে মো. মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রথমে নানা কৌশলে ডিজিটাল লক খোলা হত। পরে অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে প্রথমে সার্ভার বক্স ভেঙে হার্ডডিসক নষ্ট করে ফেলত তারা। যাতে করে সিসিটিভি ফুটেজ অফিস মালিকরা না পান। পরে ভেতরে নানা কৌশলে অবলম্বন করে মোটা অংকের টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে আসত। চুরির শেষ পর্যায়ে সকল মালামাল উবারের গাড়িতে উঠিয়ে নিজেদের গোপন জায়গায় নিয়ে আসত।'

তিনি আরও বলেন, 'এ চক্রটি ১৫ বছর যাবৎ দেশের বিভিন্ন এলাকার করপোরেট অফিসসহ নানা অফিসে প্রায় ২০০টির মতো চুরি সংঘটিত করেছে। এভাবে তারা কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন করপোরেট অফিস থেকে চুরি করেছে এখন পর্যন্ত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা আমাদের কাছে এসব তথ্য স্বীকার করেছে। তাদের আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরই সঙ্গে তদের বিরুদ্ধে অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র