Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

এমপিদের নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে স্পিকারকে সিইসির চিঠি

এমপিদের নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে স্পিকারকে সিইসির চিঠি
বাঁ থেকে, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, কে এম নূরুল হুদা, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) স্পিকার সিইসির চিঠি হাতে পেয়েছেন বলে জানা গেছে। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সিইসির দেওয়া চিঠি তিনি পেয়েছেন। চিঠিতে আচরণবিধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা যাতে আচরণবিধি প্রতিপালন করেন সিইসি সে অনুরোধ করেছেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। সংসদ সদস্যরাও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকায় আছেন। সে হিসেবে তারাও নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু কয়েকজন সংসদ সদস্য আচরণবিধি না মেনে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন এমন বিষয় ইসির নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, নাটোর-৪ আসনের আব্দুল কুদ্দুস ও নেত্রকোনা-৫ আসনের ওয়ারেসাত হোসেন বেলালকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছেন ইসি। চিঠিতে তাদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, এ অবস্থায় সংসদ সদস্যরা যাতে আচরণবিধি মেনে চলেন সে বিষয়ে অনুরোধ জানিয়ে আচরণবিধিসহ স্পিকারকে চিঠি দেন সিইসি। এবার পাঁচ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ১০ মার্চ প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণ।

আপনার মতামত লিখুন :

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত

লাল নিশান টানিয়ে জমির দখল দিলেন আদালত
আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা এলাকায় আদালতের রায়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে জমির মালিক আব্দুল বারীকে এ জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে নগরীর চরছত্তরপুর মৌজায় ০.১৯৫ (দশমিক এক নয় পাঁচ) একর জমি নিয়ে আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি।

এ মামলায় র্দীঘ শুনানি শেষে ২০১৪ সালে আদালত বিবাদী আব্দুল বারীর পক্ষে ডিক্রি ঘোষণা করেন।

এরপর চলতি বছর বারীর পক্ষে আদালত ফের চূড়ান্ত ডিক্রি ঘোষণা করেন। বুধবার দুপুরে ঐ ডিক্রির প্রেক্ষিতে আদালত কর্তপক্ষ সরেজমিনে ঐ জমিতে গিয়ে লাল নিশান টানিয়ে ঢোল পিটিয়ে জমির মালিককে দখল বুঝিয়ে দেন।

এ সময় জেলা জজ আদালতের নাজির আ: হালিম, জারীকারক মো: রমজান আলী, অ্যাড. কমিশনার আতিকুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪

রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ জুন) বিকেলে রংপুর জেলা পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনেন।

তাদের দাবি, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়রের সাথে কোটি টাকার লেনদেন করে ওরিয়েন্টাল সিনেমা হল নিয়ে চলমান মামলা পরিচালনায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন চেয়ারম্যান। এতে জেলা পরিষদ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত হতে পারে। এছাড়াও পরিষদের বিভিন্ন উপজেলার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্য মোহসিনা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান ছাফিয়া খানম গত দুই অর্থবছরে অসহায় দরিদ্রদের চিকিৎসা ও শিক্ষা অনুদান দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করেছে। সড়কের দু'পাশ থেকে গাছ অপসারণের নামে সদস্যদের না জানিয়ে রাতারাতি গাছ কেটে তার মেয়ের জামাইকে দিয়ে বিক্রি করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে রাজস্ব খাত থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হেরফের করেছেন। গত দুই অর্থবছরে এডিপি ৪০% কাজ বাস্তবায়িত করতে পারেননি। বরং প্রকল্পের টাকা ব্যাংকে জমা রেখে চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করার পাশাপাশি মাসিক লভ্যাংশ নিচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজে পরিষদ সদস্যদের সম্পৃক্ত থাকার বিধান আছে, কিন্তু চেয়ারম্যান তা মানেন না। সাতটি স্থায়ী কমিটি থাকার পরও তিনি কারো সুপারিশ বা পরামর্শ গ্রাহ্য করেন না। নিয়মিত মাসিক সভা না করেই নিজের মন মত করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ সম্মলনে পরিষদের সদস্য সিরাজুল হক প্রামানিক, পারভীন আকতার, সৈয়দ দিলনাহার, রিয়াজুল, রফিকুল ইসলাম, সেলিনা খাতুন, রফিকুর রহমান, ফিরোজ হোসেন, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিষদ সদস্যরা বলেন, আমরা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় পরিষদ আজ অকার্যকর।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র